পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰসঙ্গ—লে রাজনৈতিক দোলনের মোট ২৮৮ জন পুৰুষ ও নারী ছেলে প্রেরিত হইয়াছিল। তাহার মধ্যে বিবাহিতা অপেক্ষা বিধবা সংখ্যা অনেক বঙ্গে রাজনৈতিক আন্দোলনের অবস্থা এ নয় যে, আমরা বিপদের সম্ভাবনা এড়াইবার পরাম দেশ ও পুরুহের সংখ্যা প্ৰায় সমান সমান। সুতরা কম ; হিন্দুদের মধ্যেও কম, মুসলমানদের শোও কম দিতেছি ; আমাদের ইহাই বলা অতিপ্ৰায় যে যেখানে দেখা যাইতেছে যে পুরদের চেয়ে অনেক কমসংখ্যক স্বী বা আগে কখনও কখনও বলা হইত, বাঙালীয়া আর-সব বিপদের সম্ভাবনা নাই বা খুব কম, সেখানেও বাজী লোক আইন ভঙ্গ কবিয়ছিল। ইহা স্বাভাবিক বিষয়ে উন্নতির চেষ্টা ছাড়িয়া দিয়া একমাত্র রাজনৈতিক বঙ্গে সীলোকের সংখ্যা নেতারা অগ্রসর হন নাই । ছন দণ্ডিতা নারীর মধ্যে ৩৭৪ জন হিন্দু, ১৮২ আন্দোলনেই লাগিয়া আছে। কিছুদিন হইতে সে বনামও তবধে মোট হিন্দু মুসলমান রাষ্ট্ৰীয়, ক fৰ্য্যনিৰ্ব্বাহ প্ৰণালীতে কিৰণ জন মুসলমান, ৪ বেী, ১৯৪১ সৃষ্টিয়ান, এবং ১০৩ জন অবিবাহিতা ৭৫,৬৬,৮২৫, ২৯, ১,২৪ ৩,৩২,১২৩ সম্প্ৰতি কয়েক মুচিয়াছে। বৈধ রাজনৈতিক আন্দোলন ও পরিবর্তন করা দরকার, ভারত বর্ণমেণ্ট সে বন্ধে জা শ্ৰীৱ । বাংলাদেশের অধিবাসীদের মধ্যে শতকরা বিবাহিত বৎসর বঙ্গে হইতেছে না বলিলেই হয়। দৃষ্টান্তশ্বপ বলা হাদের বক্তব্য বিলাতে ভারতসচিবের নিকট অনেক ২৩ জন মুসলমান এবং s৫২ জন হিন্দু। বাংলা দেশের বিধবা ৪৫,১১৮,৯০২ - ২৫,৯১,২, ৪ ১৮,৩৭,১৮১ বাসিন্দা ২,২৫, ০২২৪৯ জন স্ত্ৰীলোকের মধ্যেও মুসলমান মোটের উপর বিধবাদের সংখ্যা বিবাহিতাদের আর্জেকেবও কয়েকটি রাজনৈতিক ক পে হইয়া গিয়াছে , তা ছাড়া প্ৰস্তাব করিয়াছেন তাহা নারীর সংখ্যা কি নারীর সংখ্যা অপেক্ষ বেশী। তি কম। কিন্তু শ্ৰী কয়েদীদের মধ্যে বিবাহিতা ২৯১ জন, শিক্ষা বিষয়ক একটি কনফারেক্ষা ও হইয়া গিয়াছে আশানুৱাপ নহে, তাহাও অনেক দিন হইল জানা গিয়া জীলোকের সংখ্যা ১ কোটি ৯৭ হাজার ১৬২ ; মুসলমান বিধবা ২৫০ জন-প্ৰায় সমান সমান। বিধবাদের মধ্যে সংপ্ৰতি একটি বিশেষ প্ৰাদেশিক কংগ্রেসেরও অধিবেশন তাহার পর নুতন ভারতসচিব মণ্ডে সাহেব এই বিয়ে জীলোকের সংখ্যা ১ কোট ১৮ লক্ষ ৩০ হাজার ১৩ আইন ভঙ্গ অপরাধ এত বেশী কেন, তাহার কারণ নিৰ্ণীত ইয়াছিল বঙ্গে এরকম কিছুই হয় নাই । অঞ্চাদ্য ভারত গবৰ্ণমেণ্ট এবং প্রাদেশিক গবৰ্ণমেণ্ট সকলে ী কয়েদীদের সংখ্য কিন্তু মুসলমান স্বী কয়েদীদের হওয়া আবশ্যক পুৰুষ বা গ্ৰীলোক কেহ সখ করিয়া প্রদেশের লোকেরা জিজ্ঞাসা করিতেছে, বাঙালীর কি সহিত পরামর্শ কতিতে আসিতেছেন, এবং দেশবাসীর দ্বিগুণেরও অধি হিন্দুদের মধ্যে এত বেশী সংখ্যক জেলে যায় না । মানুষ অভাবে পড়িয়া, দুৰ্নীতিপরায়ণ হইয়াছে যে এখন বাংলা দেশ এর উদাসীন হইয়া প্ৰতিনিধি সভাসমিতি ও নেতাদের মন্তব্য তিনি নি লোক কেন, আইন ভঙ্গ করিয়া জেলে গিয়াছে, তাহার হইয়া, কুপ্ৰবৃত্তির বশবৰ্তী হইয়া, লোতে পড়িয়া, কিম্বা লক্ষা পড়িয়াছে ? তাহাদের মধ্যে কেহ কেহ মনে কবিতে বেন, ইহাও সরকারী গেজেটে প্ৰকাশিত এবং তােহাৱ কাল নিৰ্ণয় করিবার চেষ্টা করা উচিত। ইহা বলিলে ঢাকিবার নিমিত্ত, আইনবিজ কাজ করে আমাদের ছেন, বাঙালীয়া, বহুসংখ্যক লোক জেলে আবদ্ধ বা পর সমুদয় খবরের কাগজে মুদিত ইয়াছে। চলিবে না যে হিন্দুরা স্বভাবতঃ মুসলমানদের চেয়ে দেশে বিধবাদের রক্ষণাবেক্ষণ, তাহাদিগকে সুশিক্ষা-প্ৰধান, মাত্ৰ নজরবন্দী হওয়ায়, ভীত হইয়াছে । একজন মাদ্ৰাণী এখন দেশের সৰ্ব্বত্ৰ প্ৰকাশ্য সভা করিয়া দেশের লোকদের অপরাধপ্ৰবণ। কারণ, দেখা যাইতেছে, ১৯১৬ সালে প্ৰভৃতির যথেষ্ট সুবন্দোবস্ত নাই ; অন্য মানুষদের মত বিধবা নেতা ত সেদিন দুঃখ কবিয়া আমাদিগকে স্পষ্ট ভাষায় বলা উচিত যে তােহাৱা কি কি অধিকার চান আমর দণ্ডিত কয়েদীদের মধ্যে শতকরা ৫৫.৩৯ জন মুসলমান ও দেরও যে রক্তমাংসের শরীর, সামাজিক ও পারিবারিক বললেন, “Bengal has been terrorised by the শুনিয়াছি, গত আগষ্ট মাসে বোম্বাইয়ে সমগ্ৰভাৱতে ৭. হিন্দু, কিন্তু বঙ্গের মোট অধিবাসীদের মধ্যে বিধানে তাহা যথেষ্ট পরিমাণে স্বীকৃত হয় না। এইসব internments, কংগ্রোসকমিটি এবং সমগ্ৰভারতের মুমে লীগের যে আদি শতকরা ৫২৩ জন মুসলমান ও ৪৫২ জন হিন্দু। অতএব কথা মনে রাধিলে বিধবাদের মধ্যে অপরাধের আধিক্যের কারণ বাহাই হউক, বঙ্গের অবস্থা বড় শোচনীয় বেশন হইয়াছিল, তাহাতেও এইৱপস্থির হয় যে প্ৰত্যেক ৯৮ সালে বঙ্গে হিন্দুদের চেয়ে বরং মুসলমানেরাই অধিক কারণ অনুমান করা যাইতে পারে ইয়াছে। মিসেস বেলাণ্ট ও তাহার দুজন সঙ্গী নজরবন্দী প্রদেশে এক একটি বিশেষ প্ৰাদেশিক কংগ্ৰেসে অধিনেশ জাপা প্ৰবণতা দেখাইয়াছিল, ইহাই লিতে হয় অথচ সধবা ও বিধবা কয়েদীদের মধ্যে কতগুলি কোন ধৰ্ম্ম - হওয়ায় অন্যান্য অনেক প্রদেশে, বৈধ রাজনৈতিক আন্দোলন করিয়া’ দেশের লোকদের দাবী জানাইতে হইবে । ই দেখিতেছি ঐ বৎসর মুসলমান নারীদের দ্বিগুণসংখ্যক বণৰ্থী রিপোটে তাহাৰ উল্লেখ নাই । বড় করিবার এই চেষ্টার যত প্ৰতিবাদ নানা শহব , ঠিক খবর কি না জানি না, কিন্তু এপ করা বেয়কা হিনী আইন ভঙ্গ’ করিয়াছে। ইহার কারণ কি ? বঙ্গের বাসিন্দা স্ত্ৰীলোকদের মধ্যে মোটামুট ১ কোট সংখ্যক সভা হইতে হইয়াছে, বঙ্গে তাহার মত কিছুই হয় সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই, এবং দেশের হাৰীযে স্কি সৰ্ব্বশ্ৰেণীর এই ৮৮ জন অপরাধিনীদের মধ্যে ১২ জন ৯। হাজার হিন্দু, ১ কোটি ১৮ লক্ষ মুসলমান, এবং ৯৪৮ নাই। অথচ ভারত-রক্ষা আইনের ো ৱাৰ অপপ্রয়োগ তাহাও স্থির করিবার জন্ত নুতন করিয়া মাথা ঘামাইক্ষে বোল বৎসরের নিবন্ধ , ৬৪১ জনের বহু ১৬ হইতে জন পুষ্টিয়ান। কিন্তু স্বী কয়েদীদের মধ্যে ৩৭৫ জন হিমু, কবিয়া রাজকৰ্ম্মচারীরা এইপে মানুষের স্বাধীনতা হরণ হইবে না। কংগ্রেস ও মনে লীগ একযোগে যে প্ৰতা ৪৪, ১৩ জনের বয়স ৪০ হইতে ১৮২ জন মুসলমান, এবং ১৪১ জন গৃষ্টিয়ান। সুতরাং জিতেছেন, তাহার অপব্যবহার বঙ্গে যে পরিমাণে হইয়াছে, স্থির করিয়াছেন, তাহাতে বেশী কিছু চাওয়া হয় নাই, যাটের উপর। দেখা যাইতেছে, পৃষ্টিয়ান নারীদের মধ্যে অপরাধিনীর সংখ্যা অয় কোথাও ততটা হয় নাই ; সুতরাং বাংলাদেশেই এবং স্বরাজের প্রথম ধাপ বা আরম্ভের পক্ষে তাহা দক্ষ ও পরাধিনীদের মধ্যে ২৯৩ জন বিবাহিতা ২৫ জন তাহাদের মোট সংখ্যার অনুপাতে ভয়ানক বেশী । ইহা প্ৰতিবাদটা খুব জোরের সহিত হওয়া উচিত ছিল । ইহাতে নয় প্ৰাদেশিক কংগ্রেসগুলিতে এই দাবীয় সমৰ্থন করা বিধা এবং ২৯৭ জন ো । বাকী বা জনের সম্বথে কারণ কি ? মোট অপরাধিনীদের মধ্যে ৩৬৭ জন নি , কোন বিপদও ছিল না। কারণ, একপ প্ৰতিবাদসভার আবশ্যক ও যুক্তিসঙ্গত । মাত্ৰাজ, বোম্বাই, টেকিছু বল নাই। বেগাদের মধ্যে যে আইন. ১৪১ জন লিখিতে পড়িতে পাৱে । পৃষ্টয়ান অপাধিনীৰ দোক্তারা ভারতের কোথাও বিপন্ন হন নাই। আমরা আণ্ডা-অযোধা এবং িবহার-ওড়িায় এইপ্ৰকার সোধ এত বেশী জনে করিয়াছে, তাহাতে বিস্ময়ের সংখ্যাও ১৪১ এই দুটি সংখ্যার একত্ব আকস্মিক হইতে কানি বিপকে অগ্ৰাহ না করিলে দেশের রাজনৈতিক কংগ্রেস হইয়া গিয়াছে ? যে-সব প্ৰদেশ : - কিম্বা এমনও হইতে পাৰে যে, যে ১৪৯ জন উন্নতি-সাধন চেষ্টা পুরমা করা যায় না। তথাপি যে দোলন বঙ্গের খুব বেশী পশ্চাতে ছিল wল সম্প্ৰদায়ের বর্তীলোক বাস করে, কয়েদী লিখিতে পড়িতে পারে, তাহারা পৃষ্টিয়ান । লিতেছি, ইৰাতে কোন বিপদও ছিল না, তাহার কারণ একে সকলেই আমাদিগকে ছাড়াইয়া