পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


,...వ్రైf>~~ ーヘ*

  • স্ট্রি হইতে বৃহৎ কাছি পর্যন্ত এত হইত এবং বৃত্রের মন নৌকার পাল, পরিধেয় মোট বন্ধ ইত্যাদি প্রস্তুত সী , বংগন পূৰ্ব্বে পূৰ্ববঙ্গের প্রতি আর " অবসরে পাট হইতে চরকার দ্বারা স্থত হইতে দড়ি বা কাপড় তৈয়ার স্থত। সমগ্র পৃথিবীর বাজারে ভারত হইতে আমদানি চিনি, উল, বীজ ইত্যাদি সকল রব বাগলার নিৰ্ম্মিত চটে भूड़ियू স্বাস্থত। ডাঃ রয়েল ( p.. Royle)-f\for* brous Plants in India নামক গ্রন্থে ৫* বৎসর পূৰ্ব্বে বাঙ্গলায় চট প্রস্তুত করিবার একটি সুন্দর বিবরণ ཝཱ་(:ཝུ་ ১৮৭২ খৃষ্টাঙ্গে বাঙ্গলায় পাট চাষের অনুসন্ধান কৰিলার নিমিত্ত একটি কমিশন निषूख इछ । কশিল্প ৰিবন্ধী হইতে দেখা যায় যে সে সময় বঙ্গবন্ধনিৰ্ম্মাণকারী লীগণ ঢাকা জেলায় ৯ হাজার, "* ** হাজার

৭৭ণসংহে - od -

వ్రై হাজার মণ পাট লইয়া "াঞ্জার রির্তী ১ উনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ হইতে স্বাক্ষলায় কলের স্তাত স্থাপিত হইতে লাগিল এবং তখন হইতেই বাঙ্গলার গৃহশিল্প ক্রমশ: লোপ পাইয়াছে। ১৮৭২ সালে বাঙ্গলায় ৯,২৫,৮৯৯ একর জমিতে পাট চাষ হইত, ১৯১৫ সালে ২৮,৭২,৬ং একার জমিতে পাট জন্মিয়াছে। গন্ত ৪৪ বৎসরের মধ্যে বাঙ্গলায় পাট চাষ কিরূপ বাড়িয়াছে তাহা ইল্প হইতে স্পষ্টই বুঝতে পাৱা যায়। প্রতি একার জমিতে প্রায় ১৬:মণ পাট সাধারণতঃ জন্মে এবং প্রতি পাটের দাম ৮ হইতে ১০২ টাকা। আজকাল দেখা যায় বাঙ্গলার ডাঙ্গ জমি মাত্রেই লোকে যতদূর সম্ভব জাউল ধান্ত না বপন করিয়া পাটগাছ রোপণ করিতেছে। 煎 চাষের সময় আউস ধীষ্ঠেরই মত। ভাদ্র-আশ্বিন মাসে পট কাটা গোছ বধিয়া জলে ডুবাইয়া পচিতে দেওয়া হয় ৷ ১৫৷২০দিনের মধ্যে বেশ পচিয়া উঠিলে, পাটের ফেলা হয়। পাটের ছাল যত মন্ত্রণ, সবুজ, পাতলা হইবে পাট ততই উৎকৃষ্ট হইবে। গঙ্গার দক্ষিণ অপেক্ষা উত্তরেই ভাল পাট জঙ্কিা থাকে। ১৫ সালের, নবম ভাগ প্রবাসীতে বাঙ্গলীয় পাট চাষ সম্বন্ধে খ্ৰীযুক্ত দ্বিজদাস দত্ত প্ৰবলী-বৈশাখ, ১৩২৪ বিশদ তথ্যপূর্ণ যে এক সারি প্রবন্ধ হইয়াছে প্রতি কৃষি অনুরাগী ব্যক্তির পাঠা। - - ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড .ംബാബ് লিবিয়াছেন তাহী বই ബ്ബ ইক্ষু এবং খেজুর। - পদ্ধমান, রাজসাহী, বাকুড়, স্বগুড়, ঢাকা, যশোহর ও হুগলি জেলার অপেক্ষাকৃত অধিক পরিমাণে ইক্ষু জন্মে । ইক্ষু চাৰ কিঞ্চিং কষ্ট-ওবায়গাধা, সময়-সাপেক্ষ ও জমির গুঞ্জপতনাশক। সেই জন্য ইক্ষ্মচাষের পরবর্তী বর্ষায় সেই জমিতে ধান কিংবা পাট এবং শীতকালে আলু থা - ভাউল উৎপন্ন করা হয় ৷ ” পোরমাঘ মাসে ইক্ষু রোপ করিয়া প্রায় একবৎসর কাল পরে গাছ কাটা হয়। ইক্ষু | অনেক প্রকারের আছে। অধুনা সরকারি কৃষিপরীক্ষাক্ষেত্রে। ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশের ইক্ষুবীজ আনাই চাষ করা হইতেছে - এবং পরীক্ষালব্ধ ফল কৃষকগণকে gলনাইয়া কোন জাতির রস তরল, কোন জাতির রস গাঢ়, কোন জাতিকে সন্ত্ৰে বন্যপশু পাহতে শাসন প্রকোন জাতি লোকে" ছাড়াইয়৷ থাইতে পারে, কোন জাতি অন্ন জলপ্লাবন আবগুক করে এবং কোন জাতিই বা অধিক পরিমাণে চিনি প্রদান করে তাহা শিক্ষা দিবার চেষ্টা করিতেছেন। বাঙ্গলাদেশের গত সেন্সস রিপোর্টে দেখা যায় নে আজ-- কাল ইক্ষু এবং খেজুর চাষ পাটের তুল্য পরিমাণ জমিতে হইতেছে। যশোহর, খুলনা, হুগলি, ২৪-পরগণায় খেজুর । প্রায় ১০১২ ফুট অন্তর চাষ বেশীর ভাগ হইয়া থাকে। গাছগুলি রোপণ করা উচিত। আর দশ বৎসরের মধ্যে গাছগুলি রস মোক্ষণে সমর্থ হয়। এ সময় উপস্থিত হইলে গাছের গোড়ার শক্ত ডাল ও ডাটাগুলি কাটিয়া ফলিয়া গাছের মাজ প্রায় বাছির করিয়া ফেলা হয়। শীতের প্রারম্ভেই কাৰ্ত্তিক মাসে সেই স্থানের কোমল ত্বক্ কিঞ্চিৎ গভীর করিয়া কাটিয়া একটি কঞ্চির চোঙ্গের সাহায্যে সেই ক্ষত স্থান হইতে নির্গত পরিষ্কার মিষ্টরস একটি ভীড়ে জমা করা হয়। তিনদিন রস রিা ইদিন জিরেন দেওয়া হয় ; তৎপরে ঐক্ষপে আবার রস সংগ্রহ করা হয়। এই সংগৃহীত রস অতি প্রত্যুষে বৃহৎ কটাহে উত্তপ্ত করা হয়। তরল রস এইরূপে গাঢ় গুড়ে পরিণত হইলে তায় মাটির কলসীতে বন্ধ করিয়া বাজারে বিক্রয় করা হয়। - ইক্ষুর গুড় হইতে ও খেজুরের গুড় হইতে অতি উত্তম - ১ম সংখ্যা ], o ... o - ബ് চিনি প্রস্তুত করা হইয়া থাকে। এক সময়ে ভারতে এত চিনি প্রস্তুত হইত যে ভারতের বাহিরে তাহ রপ্তানি হইত ; আজকাল জানি যাব প্রভৃতি স্থান হইতে চিনি ভারতবর্ষে জামদানি হইতেছে। যশোহর জেলায় কোটচাঁদপুর নামক স্থানে চিনি প্রস্তুত করিবার হস্তচালিত কল অনেকগুলি আছে এবং এখান হইতে, প্রচুর পরিমাণে, খেজুর-গুড়ের চিনি রপ্তানি হয়। কোটচাদপুরের সন্নিকটে তারপুর a tra Tarpur Sugar Factory Fo চিনি গ্রন্থত করিবার একটি বৃহং এঞ্জিনচালিত কল আছে। তানাক । পক্ষান্ত দেশসমূহে, বিশেণত আমেরিকা, তামাক চাষের এত উন্নতি ঘটিয়াছে, যে, শীঘ্রই আমাদের দেশে তামাক বিশেষ উন্নতি না করিলে দেশী তামাক বিক্রয় কোন সম্ভাবনা থাকিবে না এবং আমাদের দেশের ক্ষের ব্যবসাটি একেবারে লোপ পাইবে। তামাকের গুলি একই প্রকারের না হইলে মূল্য অধিক পাওয়া ন, নানা প্রকারের পাতা একত্রে কোন খরিদদার চাছে না। অতএব একই ক্ষেত্রের পাতা গুলি এক রের করিয়া তোলা তামাক চাষের একটি বিশেষ অঙ্গ । - 51 | বিলাত্র দাঞ্জিলি ও জলপাইগুড়ি প্রদেশে চ অধিক ণে জন্মার, কিঞ্চিৎ চট্টগ্রামেও জন্মিলা থাকে। বাঙ্গলার সমস্তই ধনী ইয়ুরোপীয়গণের করকবলিত। এইচা-ক্ষেত্রে দেশী লোক কুলীর বা মজুরের কাজ করিয়া কিছু অর্থ উপার্জন করে মাত্র। চএবং তামাকের চাষ এবং বাবদ যথেষ্ট কষ্টসাধা, সাপেক্ষ ও কৌতূহলোদ্বীপক। তুিল মধুপদি অঞ্চাঙ্গ শস্য। - সর্ষপাদি শস্ত বাঙ্গলায় তেমন অধিক জন্মায় সমগ্র বাঙ্গলাদেশে মাত্র ১৮,২৮,৩৪৪ একর ভূমিতে প্রকার শস্যাদি জন্মিয় থাকে। ইহার মধ্যে তিসিনোৱাখালি জেলায় তিল-ময়মনসিং ও পাবন বঙ্গে কৃষির সামগ্ৰী । --- o-s, ാബാബ বাঙ্গলার জলপাইগুড়ি ও রঙ্গপুর জেলার ক্টামাক, অপেক্ষাকৃত অধিক পরিমাণে জন্মায়। এক্ষণে তামাক _স্কিরং পরিমাণে বিদেশে রপ্তানি হইরা থাকে, কিন্তু অধুন, o -

---> ---- জেলায় ; এবং সর্ষপ-ময়মনসিংহ, রাজসাহি, ত্রিপুর নোয়াখালিতে অধিক পরিমাণে জন্মে। চিনেরাল বাঙ্গলার কুত্রাপি জন্মায় না। তুল বা কাপাৰ চাৰ । পাট হইতে গুণচট এবং দড়া প্রভৃতি প্রস্তুত করা বাজলাদেশের এক সময়ে যেমন একটি প্রধান শিল্প ছিল, তেমনি তুলা হইতে স্থত এবং স্থত হইতে কাপড় প্রগ্রন্থ করা বাঙ্গলার বিশাল তাতি-সম্প্রদায়ের একমাত্র ব্যবসা ছিল। বাঙ্গলার প্রস্তুত কাপড় যে একদিন জগতের সৌখিন বিপণীতে ধনীদিগের আদরের সামগ্রী ছিল তাঙ্ক কাহারও অবিদিত নাই। বাঙ্গলায় বস্ত্রবয়নশিল্পের অত্যধিক । প্রচলন থাকিলেও এখানে স্কুলার চাষ অধিক পন্ধিয়ালৈ কোন কালে হয় নাই। বাঙ্গলার জলহাওয়া ভুল চাম্বেন্ধ - অনুকূল নহে। বিলাতে ৰাপচালিত ভাতের প্রচলন এবং অবাধ-বাণিজ্য প্রথা'বাঙ্গলার বস্ত্রবয়নশিল্পের লোপের কারণ । হইয়াছে। রেশমের চাম্ব।. ভারতবর্ষের মধ্যে বাঙ্গলাই প্রধান রেশম প্রদরকারী প্রধানত: তুতগাছে রেশম পালন করা হয়। রংগুর জলপাইগুড়ি এবং বগুড়া এড়ি-সিন্ধের উৎপত্তিস্থান। জাজ ক এক বৎসর বাঙ্গল গবৰ্ণমেণ্টের sericulture Deparষ্ট্র ment এ বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগ করিতেছেন। অধুন বাঙ্গলায়, গিয়াসবাড়ি, মিরগঞ্জ বহরমপুর, কুমরপুর, চন্দন পুর, কলিঙ্গ ও বগুড়ায় এক-একটি Central Nursely স্থাপিত হইয়াছে, তদ্ব্যতীত রাজসাহীতে একটি Serieut tural school sttşı g*-*** *fä ভাবে পরিদর্শন করেন। গুট হইতে স্থত প্রস্তুত কৱিৰাৱ । Fiature ভারতবর্ষের মধ্যে একমাত্র বাঙ্গল দেশে অবস্থিত । ১৯০৩ সালে এইরূপ Filature বাঙ্গলায় ৬৩টি 鼠 তাছাতে প্রায় নয় হাজার লোক খাটত কলিঙ্কাত্তা একটি বাষ্পচালিত রেশমের কলম্ভ আছে, আৰু চুইট ক্ষত্র বোম্বাই নগরে। o - - এক সময়ে বাঙ্গল ষ্ট্ৰেশে নীল চাৰ অতিরিক্ত হইত।