পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৫৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী—বৈশাখ, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ১ম সংখ্যা] তিনি বলিলেন “কতকগুলো যে লোক আছে , রংচং ছিল । সুতরাং তাছার বিষয়-সম্পত্তি হইতে যে দুই চার না, না, যুনো গাছগাছা উপড়ে ও নিজেই নিজের এখন নীৰৱ চাৰ একেৰাৱে উঠিয়া গিয়াছে বলিলে অতুক্তি হজম হয় পয়সা আর হইত, তাহার উপর ইহাও কিঞ্চিৎ যোগ দিত খাবার কিছু কিছু ছুটিয়ে নেয়। আর ওর জন্তে একটু আধটু পরে বাহার না দিলে যেন তাদের পেটের তা শুনা যায় জাপানির নীল রং ভারতবর্থে আর , খরচ করতে আমার গায়ে লাগে না। না আমাদের তে বাপু ও কম ঢং কোনোদিন তা ছাড়াও আমার গু লোকে বলিত, এই ব্যবসারে বুঢ়ী বেশ দশটােকা ধরে আনে। আমদানি কৰিতে দেওয়া হইবে না এবং সেইজন্তু বাঙ্গলা দেখিনি । এই বলি শোন, প্যারটগিী, আমার বিয়ের ইহার উপর তাহার আর-এক কাজ পাড়ার উদর-সৰ্ব্বস্ব বৰ্তমানে কেবলমাত্ৰ সঙ্গে-সঙ্গে সারাক্ষণ পুবে ঘুরে বেড়া, কথা কইলে সাড়া পুনৰায় নীলচাষের প্রবর্তন হইৰে । কাল হয়েছে, গড়ে ছেলেদেৱ ছনো দামে চিনির মিঠাই যোগান দেয়, ঠিক যেন মানুহটি । বছর থেকে আর এই ন’ বছর হল কা লার অল্প পরিমাণে নীল চাষ হইয়া থাকে সত্যেন্ত্ৰনাথ মিত্ৰ । এই এছ দিনে মণ একটানা দুবছর ও আমি কালে দেওয়া । এত-রকমে দুহাতে টাকা পুঠিয়াও বেহালা বুঢ়ী মিঃ গিলকিল হাসিলেন। ফিপৰীয় আধ্যাম্বিক লোকের কাছে দুঃখের কাছুনি গাহিতে ছাড়িত না ; হাকিট উপ্ৰতির জন্য কোন চেষ্টা না করিয়াই পাত্ৰীসাহেব বিদায় পোষাক তুলে রাখতে পাইনি পারটগিনী মনে-মনে জানিতেন যে এবিষয়ে তাহাকে গিরির কাছে কাপড়ের টুকরা চাহিতে তাহার একবিন্দু লইলেন । এবং তাহার বদলে পরদিন চাকরের হাতে হা নিতেই হুইবে, কাজেই তিনি বণিসেন, তো চক্ষুলঙ্কাও হইল না। হাকিটগৃহিণী বলিতেন “বুড়ীর মত তাহাকে এক -টুকরা শুয়োরের মাংস পাঠাইবা দিয়া বলিয়া বাড়ীর মত ত মৰণ ও কিন্তু আল কোনো বাড়ীতে নিখাবাদী নিয়ায় আর দুটি মেলে না, কৃপণের ত একুশেষ পাঠাইলেন পিগিগ্নিকে তিনি ভবিষ্যতে আবার শূয়োয়ের একের পরিচ্ছেদ দেখি না করে সঙ্গে ও গোল নেই ।” তবে কিনা। হাজার হউক , মাংস চাখিতে দিবেন। সেই কথা মনে করিয়াই মিঃ গিৰগিীর বয়স হইয়াছে, বিধবা হইলেও টাকাকড়িয় গা-পশী ত বটে, কাজেই একটু টান থাকে গিলবিলের মৃত্যুতে বুড়ী হেঁড়া ময়লা কাপড়ের উপর গান গ্রানের বুড়ো পুরোহিত মিঃ লিফিল মাৱ সংস্থান আছে পাটগিীর কথাটা তাহার খাটি বলিয়াই তাহার নামে বলিতেও তিনি কিছু কসুর করিতেন শোকচিহ্ন পরিয়া তাহাকে ভক্তি ও কৃতজ্ঞতার অঞ্জলি গিয়াছেন ত্ৰিশংসার আে হায় মৃত্যুৰ সময় শেপাট চায়ের শিটে পাতাগুলো চাইতে বেহায়া বুড়ীর মুখে ন। বোধ হইল। তিনি একটু পুৰ্দী হইয়াই উঠিয়াছিলেন। দিয়া আসিল । নে সারা গ্ৰামে শোকেৰ ছাপ পড়িয়া গিয়াছিল। তাহার এ ৰাধেও না । আমি ভাই, দিয়ে মরি। এদিকে ত পাঠকেরা বোধ হয় ইতিমধ্যেই পাহীসাহেবের পাতী পাটগ্ৰিীৱ অষ্ট্ৰীয়কুটুথদের বাড়ীতে মুণ বড় কৰিয় একমাত্ৰ উৱাদিকারী ছিল একটি ভাগিনেয় । গিৰ্থার রের মেনে মুছতে কি রোজই চায়ের শিষ্ট চাইছে।” বলিবার মতন ঘটার অন্ধ বোধহয় কোন পুঙ্কৰেই হয় নাই, গিরির খুৎ ধরিতে সুক্ল করিয়াছেন এসম্বন্ধে একটা বেীর চারিদিকে কালো কাপ টাইৱা দিবার বন্দোবস্তটা তা’ কথা না বলি। আর উপায় কি ? একদিন রবিবার সন্ধার পর মিষ্টার গিলফিল ঘোড়ায় কথা ঠিক বলা যায় যে তিনি পাঞ্জীগিরির কাজটা যথাসম্ভৰ সেই করিয়াছিল না কহিলেই যে শ্ৰাদ্ধের দিনের এই পি-বুঢ়ীকে দেখিলে মনে হইত যেন একটি সচল ড়িা নেবলির গিৰ্ব্বা হইতে দিরিতেছিলেন । সেদিন প্ৰামের লোকে অল্পসময়ের মধ্যে যথাসাধ্য সংক্ষেপে সারিতেই চিরকাল আঁস্তাকুড় । সে কোনোদিনই গিৰ্জার ধার ধারিত বেশ গরম । আসিতে - আসিতে পথে দেখিলেন পিবুড়ী চেষ্টা করিতেন । তাহার কতকগুলি ছোট ছোট লিখিত নিজেদের পকেট হইতে চাপা তুলিয়াই সে কাজটা নিশ্চয়ই তার ড়ের কাছে একটা শুকনো ডোবার ধাৱে বসিয়া উপদেশ ছিল । বয়সের সঙ্গে-সঙ্গে তাহাদের রং হলদে সেদিন কি সেও হাকিট গৃহিণীর কাছে একটুকুলা ফালে চালাইবাদিত । চাৰ্থীদের বাড়ীর বোরিা পৰ্যন্ত সকলেই চাহিয়া টুপিতে গাথিৱা বেদীর সামনে এ আছে । তাহার পাশে একটা মস্ত বড় শূয়োর । সেটা হইয়া আসিয়াছিল, ধারগুলিও জীৰ্ণ হইয়া স্থিতি সেবা নিজেদের শোকচি কালো লঙের কাপড়গুলো কাল প্ৰণাম কি ৷ আসিয়াছিল । নিঃ গিলফিলের প্রতি ছি, কোলের উপর মাথা শিয়া মন নিশিন্ত মনে আসিতেছিল । এই গুলির, ভিতর যে-দুটা হাতের কাছে বায়ের বাহিরে জানিয়া কেলিয়াছিল। মিঃ গিলকিল মারা বুঢ়ী এত সন্মান দেখান রে কোন অধ্যাধিক কাণ জারামে পড়িয়া আছে যেন কতকালের প্রাণের বন্ধু । আসিত নিৰ্ব্বিচারে সেই দুইটা লইয়া তিনি প্ৰতি কৰিবা যাইবাৰ পাৱ রবিবারেই জেনিংস-গিী যখন গোণাণী ছিল তাহা নয় কয়েক বৎসর আগের একটা শ অনেকটা জানাইবার জন্ম থাকিয়া -থাকিয়া ঘোঁহ-গোং সকালে শেপাটনের গিৰ্জ্জায় একটা পড়িয়া দিয়া আসিতেন কিতে আর সবুজ শালের বাহা দিয়া গিৰ্জাৱ আসিয়া এবং অন্তটা পকেট কবিয়া নেবলির পথে ঘোড়ায় পিঠে হাজির হইলেন তখন ত সারাগ্রামে ছিছিপিডিয়া গেল। বিশেষ ঘটনাকে স্মরণ কবিয়াই সে এই শ্ৰদ্ধাটুকু দান কবি ছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেই ঘটনাটি ঘটবার পাঞ্জীসাহেব বলিলেন, “কিগো পিগিনি, খাসা যাত্ৰা করিতেন । সেখানকার গিৰ্জাটি সেকেলে ধরণের । নিংস গিী অবশ্য এ গ্রামে আনদিনই বাস করিতেছেন, বুঢ়ীর ধণ করে প্রতি কোনো টান দেখা যায় নাই। ষোলট ততোমার। বড়দিনের সময় দিব্যি ভোজ হবে হার চৌধুপি কাটা সানের মেজের উপর দিয়া পুরাকালে বে মেয়ে, তার বে ভালমন্দ স্নান কম হইবে সে ত কত যোদ্ধা পুরোহিত বীরদৰ্পে দিক কাপাইয়া রিয়াছেন । হিপি-গৃহিণী প্যারট-গিীর কানে কানে ফ্লিপ বুঢ়ী জোকের ব্যবসায় কবিত ; তাহাৰ দোকগুলি ক্ষুধার বই কমতি দেখা যাইত বলিয়া সেগুলির বিশে মাগো, সে কি কথা চয়েও যদি তার মাংস না গিৰ্জাগরের দেয়ালের গায়ে উপদেশমালা হাতে ধরে লন সেটা নেহাৎ কেননা নয়। তিনি বলিয়া বছর কাটতি না থাকিলেও বুড়ীর বোজারের অন্ত উপায় দ্বাদশ শিষ্যের ছবি আঁকা ঘরের ভিতর অনেকখানি বাপু এই গারেই জন্ম, তিনি একটু আগে আমার বাছা যেদিন ওকে এনে দিল, সে দিন থেকে জায়গাই যোদ্ধাদের ও তঁহাদের জীদের মাল-পাথরের পারতেন শোকচিং ধারণ করিতে প্রামের লোকে বলিত জোক ধরাইতে বুড়ী পুব নিতা বেয়া বলেই নারাজ লোকগুলোকে ও সে ঠিক ক অবধি ও আমার সঙ্গে-সঙ্গে রয়েছে । মুঠিতে আটক হইয়া আছে। মিঃ গিলফিল এই ছোট করে, যেন কে বতে গিয়ে সে তুমি সব গোেযাবে। চিরকাল গিৰ্জাটিতে প্ৰতি রবিবার সন্ধ্যায় কাজ করিতে আসিতেন। মতে তােহাৱা বই ছাৰল, দিতে পারিত। কাজেই বেতোৰোগীৱ মিঃ পি ধরণ কিলে যে কি কৰিতে হয় কারখান হইতে তাজা তাজা জোক আনিলে একটা শূদ্বোরের পেছনে টাকা ঢালবে তাহার তোলা মুন ছিল । কতদিন ঘোড় সোয়ারের জুতা বাইয়া দিবার কাজটা পি-চীৱই মোকসি পাই কাটা খুলিবার আগেই তিনি পুয়োহিতে পোষাক পরিয়া স্মৃতির সোঁরভ