পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৫৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী—বৈশাখ, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম থ ১ম সংখ্য ] স্মৃতির সোঁৱত বসিতেন। বেদীতে উঠিতে গিয়া পোষাকে টান দিলে যে বিবাদ পাত্ৰে মেৰণি মঠ আহারের পাট তুলি কাজেই জমিদার মহাশয়ের দা-দাক্ষিণাকে পাঞ্জী দের না ? তবে হাসের ছানাগুলো যাচে মনে পঢ়িত তার কাটা খোলা হয় নাই। নেবলি দিয়াছিলেন । এই গড়াটা বই কষ্টকর ৰোগ দানা মেরে তো বলিয়া বিজ্ঞাপ করিয়াছেন কি করে ? ধীর। তাছাদের পুরোহিত মহাশয়কে চন্দ্ৰস্তুৱে সামিল হোৱা দুই বন্ধু কতদিন একসঙ্গে শিকারে নিখ তাহার অনুগত প্ৰজাৱা আনন্দে দিশাহার বলিয়াই জানিত। কালেই ভাবার সমালোচনা কবিবার প্ৰাণীবিজ্ঞানে মিত্ৰ বেটুকু জ্ঞান ছিল, তাহতে হাসের হাদের দলে এমন লোক খুব কম ছিল যে পাৰ্টীসাহে নেলির গ্ৰাম । এখানে তুলনায় শেপাটন খুবই উচুদরের ছানার খাদ্যের কথা বিশেষ কিছু লেখে না, কাজেই ৰ পৰ্ব্ব তাহাদেৱ কোনোদিন হয় নাই। জগতে দোকান ও নিপোটের ত ঐতি হিংসা না করিত। পাই বা বা কি লোকমত, করই অতাব ছিল না কথাটা প্রশ্ন বলিয়া সে বুকিতেই পাবিল না, এবং নাটতে বাজার, টাকা-পয়সা যেমন না হইলেই নয়, নেবলিতে মিঃ মাত করার মত আরাম আর কিংস আছে । দশ কিক উট সেশনে গাড়ী চলিত মেঠে সুতা জড়াইতে একেৰাৱে ত হইয়া গেল । গিলফিয়াকেও ন হইলেই নয় গীব চাবাদের সামান্য ড্যাম্পাল ত বলিয়াই ছিলেন “তোমারই নিদায়ীতে ঢাকার দাগ দেখি৷ অৱ মাছ গুলিও খাড় পাতিয়া ওঃ ! হাসের ছানা কি খায় তা দেখছি তুমি জান না। অৰ্থেৰ উপর লুদ দৃষ্টি দিতে গিয়া তিনি পৌরোহিত্যে তোমাকেই এ ন অসহ্য হয়রানি করতে এক তো দাদাবের মতাচার বিদ্যা নাই, মনে মনে মান স্থা, আখ কেন মিছী বৃষ্টি হয়েছিল দেখেছিলে কি ? প্রাপা ভক্তিটুকু খোয়ান নাই। এামের যে সকল লোকের স্বী ছাড়া আর যদি কেউ পারে ত সে হচ্ছে ওই এইবার টনির কানটা খাড়া হইয়া উঠিল । ) হ ন গাড়ী ঐশ্বধ্য ছিল না, তাহারা পথের কাদা ভাঙিয়া কারণ পুরোহিতের দক্ষিণা অপারে মালা জমিদার ভিনপোটের সঙ্গে মনান্তরের পর শেণাটনের আমি রাস্ত দিয়ে আসছিলাম আর সেগুলো টপটপ এ পাৱে হাটয় যথাসময়ে গিৰ্জাৱ পোছিবার জন্তু বিবার যে মতবে লইয়া এই ঝগড়ার সূত্ৰপাত হয় লেবুড়োসকলের সঙ্গেই পাষ্ট্ৰী-সাহেবের তাবটা আরও আমার পকেটে পড়তে লাগল পকেটের ভিতর খুজে দিন দুই ঘণ্টা আগেই গাওয়া-দাওয়া সারিয়া ইত নেহাৎ সামায়, কি মি: গিলকিল লোককে বড় অঁতে বাঢ়ি গেল । উনি বণ্ড সবে সেদিন ফ্ৰক ছাড়া শুককে দেখই না, সত্যি কি না । আর ধনী ও ধনী-গৃহিণীর গান্ধী চড়িয়া আসি মিৰ্জার নিয় কথা বলতেন বলিয়৷ পণিাটি বড়-কমেরই হইল তো দেয়া পুষের পোষাক পত্তিতে আরম্ভ কৰিবাছে ওসম্বন্ধে তৰ্ক কবিবার টনির কোনই উৎসাহ দেখা গেল দরজার দুইধারের সক কৰদেৱ নমস্কার হার বিক্ৰপের মধ্যে এই ৰে বিশেষজট ছিল, পাষ্ট্ৰী-মহাশয়ের , আর পাঁচ বৎসর আগে সাহারা না । টপ করিয়া একেবারে পকেটের ভিতর হ্যাত পুব্লিয়াই কুড়াইতে কুড়াইতে ভারতীয় আতৰ গোলাপের গন্ধ উপদেশে তাহার কোনাে চিংগাহছিল না। িমঃ নিপো ছেলেপিলের জাতকৰ্ম্মে তাহাকে পুরোহিত কবিয়াছিল সে সত্যনিৰ্ণয় কবির লইল পাষ্ট্ৰীসাহেবের পকেট হাত ছাইয়া নিজেদের নিৰ্দিষ্ট সুন্দর গ্লাসনগুলিতে গিয়া বিশ্বাস ছিল তিনি একজন মস্ত বড় সাধু । কিন্তু হয় তাহার । টম বা বোলব ছেলে দেওয়া যে বিশেষ লাভ আছে, সে কথাৱ প্ৰমাণ সে সাধুত্বের বণের মাকে যে দুই-একটি বড়-রকম ছিদ্ৰ সঙ্গে খোজ নাই, লাটু, আর মাৰ্ব্বেলের উপরই তাহার অনেকবারই পাইয়াছে মিঃ গিলফিলের পাড়া ক্ষুদ্ৰ চাষীদের স্ত্ৰী-পুত্ৰ-পরিবারের আসন ছিল ওক কাঠের :ি গিলক্ষিণের তীয়ু ৰিদ্ৰ:পা বাণ তাহাতে বড় নি। যত বোধক । সেইগুলি বোঝাই করিতে-করিতে পকেট দন্যদল ও তাহদের সহচরীরা বলিতেন যে তাহার পকেটা কালো কালো বেঞ্চি । বাড়ীর কৰ্ত্তারা কিন্তু এক খ্ৰীষ্ট খোচাই দিত সে অপমান ভোলা বোধ হয় তাহা লিকে বড় বেশ রকম বড় কবিয়া গেলিয়াছে একদিন বড়ই তাজব ; পয়সা রাখিলেই মিছরি কি মিঠাই কি আর শিষ্যের ছবি নীচের আসনে গিয় বসাটাই বেশ সন্মান বড় স কথাটী সত্য কি বিখ্যা জানি না, হাতে লা, যখন কিছু কটা হইয়া বসিবে জনক মনে করিতেন। প্ৰাৰ্থন প্ৰতি হইয়া গেলে যখন মিঃ হাকি অস্তুতঃ এইরকমই বলেন । গায় জাৱা হির হইয়া নি:শঙ্গে ঘুরিতে আৱদ্য পাস কস্য যুকী বেসি’র একমাত্মা কোক চুল । একটানা উপদেশের পালা অসিত তখন এই কাদের পরের সপ্তাহেই কোনো সভার বাৎসরিক ভোজে স রাচ্ছে, ঠিক সেই সময় :ি গিলকিল সেই পথে মিঃ লিকিলকে দেখিলেই সে মাথা নাচিা আব-আধ প্ৰতি নিদ্ৰাদেবীর কৃপাটা অন্য লোকের চেপে ও কানে আসনে বসিয়া সমাগত বাদের এই খবরটি দিয়া জি হাকে এই বিকে আসতে দেখিরা স্বরে “তোনার পটেটে কি ? বলিয়া সপ্ৰতিভাবে গিয়া বেশ ধরা পড়িত শেষে বদনা-গানে কাজ ছিল স চ চার ও সরগরম কবিয়া তুলিয়াছিলেন গিয়ে সমস্ত পোৱা দিয়া চীৎকার যুক্তিৰ দিল , “আবে উপস্থিত হইত । তাহাদের এই মটুকু ভাঙিয়া দেওয়া । তাহার পর আবার জমিদার-মশাগ্নকে বা দুটিচাটি মিষ্টি তো দিয়েছে ম,ামে, এখন আমার লাটু, উপর এসে পড়ে না।” ছেলেমেরে জাতকণেব উৎসবে বাড়ীতে পুরোহিতকে সেই কাদাভারা গলি দিয়া বাড়ী ফিরিদা পাল পৰা নিয়া পোটনের প্রজাদের খুবী আর সীমা সেই িতন থেকে খোকাবাবুর সঙ্গে পাঞ্চী-মহাশয়ের বেদার ডাকাতে আমোদ-আলাদের যে কিছু কম্‌তি হইত না আজকালকার জাগ্রত ও সমালোচনাপ্রিয় উপাসক-মণ্ডলী মিঃ পাংকটের যোড়-চাধু দা পঢ়িলেও বোধ তাৰ জৰিয়া উঠিল । উনিকে যত আছুত প্ৰশ্ন কবিতে ৬াহার তাহা ত বলাই বাংলা মি: গিলফিল. প্ৰাম্য প্ৰজাদের সাপ্তাহিক উপাসনা হইতে বেটুকু লাভ করিয়া আসে এত পুী হইত ন প্ৰজাদের কাছে যিঃ ওলি টনি কিন্তু তাহাৰ প্ৰশ্ন শুনিয়া বড়ই অবাক সঙ্গে বসিয়া তামাক থাইতেন, প্রামের কোনো, নুতন খবর এই সরল কৃষকেরা যাহা কৰ্তব্য ও ধৰ্ম্ম বলিয়া বুতি খুবই নাম ছিল । বাজার-দশ হাজাৰ নামিয় এবং পাটী মহাশয়ের বৃদ্ধি সম্বন্ধেও তার বড় থাকিলে তাহাৰ উপর রং লাইয় নানা হা কাটির তার প্রতি এই শ্ৰদ্ধাটুকু দিয়া বোধ হয় তাহদের চাইতে তিনি এক পয়সা থানা কমাইতেন না। খবরের ধারণা হইত।-থোকাবাবু আরও দুটে চাৰিটা চোথাচোণ্য বিষ্কপ করিয়া বেশ সাজাই৷ কিছু কম লাভ করিত না। রোজই দয়ালু জমিদারদের খাজনা মাপের কাহিনী তুলিতে তাহারও উৎসাহটা বেশী হইয়াই হাইয়া ব্লপিতে পাধিতেন আবার মি: বণ্ড বলিত যে পাত্ৰী গিলফিল কিন্তু বাড়ী ফিরিতেন নেবলির মঠে হইতে, কিন্তু এই জমিদার-মহাশয়ের তাহাদের সঙ্গে বৃহিত মহাশয়ের মত গা-গোড়ার খবর আর ট বাজেয় মাহার সাহিয়া । , কিন্তু শেষ বয়সে মি: গিলফিলও যোগিতা করিবার কিছুমাহ উৎসাহ দেখা যাইত না আছে খোকাবাবু, আজ হাস দোকানো হয়েছে ত ? লোককে জানিতে দেখা যায় না কাজেই তাহার সঙ্গট এই সময়েই বাড়ী ফিরিতেন । একবার গ্ৰায়ে ধনী হিঃ ” কৃপা মি: ওভিনপোটের পালামেণ্টেটর প্রতি টান এক বা কবলে যাহোক, আলী বোকা চাবাদের বিশেষ-ক ভাল লাগি মাইল পাচক দুয়ে ওভিনপোটের সঙ্গে কলহে তিনি এত কষ্ট পাইছিলেন ছিল না, কিন্তু জমিদাবী বাড়াইবা ইথাটা একটু েৰ ি ল আবার দুধ দেয় নাকি ? তাহার নিজে খানিকটা বাসের জমি ছিল একক