পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী—জ্যৈষ্ঠ, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড পাইবার বোগাও হয় না ; কিন্তু কতকগুলি ছেলে উচ্চতম শিক্ষা দেন, ইহা বাহনীয়, অন্ততঃ আমাদের দেশের বর্তমান শিক্ষা পাই থাকে, পাইবার যোগাও বটে। মেয়েদের মধ্যেও অবস্থায় । এণ্টে , ক্লাসে যাহারা পাইবেন, তাহাদে ইপ যোগ্য অধোগা আছে। কোন মেহে বা ছেলে কত অন্ততঃ বিএ পাস করা চাই। তাহা হইলে দেখা যাইতেছে, জান লাভ কৰিবে, তাহার সীমা নিশে তাহাদেৱ প্ৰত্যেকের যে বি এ পাস কহ শিক্ষদ্বিী দরকার আছে, সুতরাং যোগ্যতা অনুসারে হইবে বিএ পর্যন্ত পাৱও দরকার আছে কেহ যদি বলেন আর একটা এইপ আপত্তি সচরাচর শুনা যায় যে মেয়েদের ছাত্ৰবৃদ্ধি বা মাইন পৰ্য্যন্ত পাই যথেষ্ট মেয়ে লেখাপড়া শিথিয় কি চাকী কৱিৰে ? আমরা তাহা ইলেও তাহাদিগকে শিখাইবার জন উচ্চতর শিক্ষা বলি তাহারা জানলাভ করিলে তাহাদেৱ মনুষ্যত্ব ও প্ৰাপ্ত শিক্ষত্ৰিী দরকার, এবং এই শিক্ষত্ৰিীদিগন্ধে মারীত্ব আরও বিকশিত হইবে, তাহারা মুক্তির গণে ধােহাৱা শিখাইয়াছেন, তাহারা নিশ্চয়ই তদপেক্ষাও উচ্চ অগ্রসর হইবে, তাহারা পরিবারের ও দেশের সেবায় তর শিক্ষাপ্ৰাপ্ত অতএব, বাণিকাদের কিছু শিক্ষা হওয়া অধিকতর সমৰ্থ হওয়ায় তাহাদের জীবন সাৰ্থক হইবে, দরকার বলিয়া যাহারা স্বীকার করেন এবং নিজ নিজ তাহারা আরও ভাল কবিয়া সম্ভানদিগকে পালন করিতে বস্তাদের তক্ষণ শিক্ষা দেন, তাহাদিগকে স্বীকাৰ কয়িতেই ও স্বয়ং শিক্ষা দিতে পারিবে। যদি অবস্থা ভাল না হয় হইবে বে নারীদের উচ্চ শিক্ষাও দরকার । তাহারা বদি তাহা হইলে, উপাৰ্জন করিবার জন্য, লেখাপড়া জানা বলেন যে উচ্চ শিক্ষায় নারীদের নীরে হ্ৰাস হয় বা অন্য পুরো যে সব চাকী বা কাজ করে, তারাই বা প্রকা অনিষ্ট হয়, তাহা হইলে হাদিগকে হয় বলিতে তাহা কেন না করিবে ? স্ত্ৰীলোকেরা মজুরীর জন্য হইৰে, যে, “আমরা বালিকাদেৱ নিম্নতম শিক্ষা ও বন্ধ কবি নারকম দৈহিক শ্ৰমের কাজ করে, গরীব ভাদ্র গৃহস্থেল কারণ শিক্ষীি উচ্চশিক্ষিতা হওয়া চাই, এবং উচ্চ শিক্ষায় মেরো দাসী ও পাটিকার কাজ করে তাহা নিন্দনীয়৷ *ীর অনিষ্ট হয়, আমরা তেমন অনিষ্ট চাই না, কিন্ম বলি বিবেচিত হয় না, এবং নিন্দনীয় নহেও । শিগ তাহাদিগকে “স্বাৰ্থপৰ ভাবে বলিতে হইবে, লে, “আমাদের পাই নােীয়া শিক্ষঙ্গিীর কাল, বা ডাক্তারির কাজ, ধ মেয়েদের ভাগ শিক্ষার চণ্ড কতকগুলি নারীর উচ্চশিক্ষা রচনার কাজ, বা এইক্লপ কোন শিক্ষ-সাপেক্ষ কাজ পাওয়া আবশ্যক তাহাতে তাহাদেৱ অনিষ্ট হইবে বটে, করিলেই উপহাস ও বিক্ৰপ করিতে হইবে, ইহা কিৰূপ কিন্তু আমাদের স্বাধ ও সুবিধার জন্য তাহদের এই অনিষ্ট বুদ্ধিা খ্ৰীলোকেরা মজুী, দাসীপনা, পাচিকার কাজ কবিয়া হউক।” রোজগার করিলে তাহাতে ‘আপত্তি হয় না, কিন্তু এরপ একটা ধারণাও আছে, ৰে, শিক্ষিতা নারীরা শিক্ষা পাইয়া বেশী রোগার করিলেই অমনি নানা আপত্তি রক্ষনাদি গৃদ্ধ কণে অসমৰ্থ হইয়া পড়ে কোন কোন হয়, ইহা বড়ই অদ্ভুত ব্যাপার অবশ্য, অামাদের মত শিক্ষিতা মহিল যে গৃহকৰ্ণে অপ ইহা ঠিক্‌ ; কিন্তু ইহা এই যে, সামাজিক বাবা এক্লপ হওয়াই ভাল যে সাহাতে কি শিক্ষার চাৱ ? হাজার হাজার অশিক্ষিতা নারী ত নারীদিগকে সন্তান পালন ও উপাৰ্জন উভয়ই করিতে ন গৃহকৰ্ম্মে নিপুণ নহে, বিশেষতঃ দীর গৃহে । তাহাদেৱ এই কিন্তু যদি উপাৰ্জন করিতেই হয়, তাহা হইলে অগতা: কারণটা কি ? বাহার, শিক্ষিত মহিলাদের বিষয় সম্মানের সহিত অধিক উপাৰ্জ্জন বাহাতে হয় এইরুপ বৃত্তি কিছুই জানেন না, তাহার। নানাবিধ কল্পনা জল্পনা করেন অৱলম্বন করাই ভাল আমরা পুস্তক রচনা, অধ্যাপনা, রন, ঘৰ ভাট দেওয়া, যাহারা বলেন, মেহেদেৱ উচ্চশিক্ষা দেওয়া ভাল নয়, বাসন মাঙ্গ, জানা সেলাই, প্ৰতি কাছে নিপুণ শিক্ষিয় শিঙ্গা দেওয়া দরকার নারী দেখিয়াছি বলিয়া উচ্চ শিক্ষা ও গৃহকৰ্ম্মনিৰ্ব্বাহের কেহ বলিলেন যে তাহাদিগকে এণ্টে ক্লাস পৰ্য্যন্ত পান মৰো কোন বিরোধ আছে বলিয়া মনে করি না বাস্তবিক যাইতে পারে বেশ কথা । কিন্তু মেয়েদিগকে মেয়েরাই শিগিতা সাৱীদিগকে এত ভিন্ন ভিন্ন ব্লকমের কাজ করিতে ২য় সংখ্যা] বিবিধ প্ৰসঙ্গ—ীশিক্ষার বিরুদ্ধে আপত্তি দেখিয়াছি, বে, তাই শিক্ষিত পুহ বা অশিক্ষিতা নারীরা না। এমত অবস্থায় শিক্ষিত পুৰুসেৱা রাজা না করিলে দি কেহই করিতে পারেন । ইহা শিক্ষা গুণ লিতে হবে। তাগাদেৱ নিদান হয়, তাহা হইলে কোনও শিক্ষিতা নাৰী সজল অবস্থাৱ লোকের বাষ্ট্ৰীৱ মেrো অনেক স্থলেই গৃহ যদি না বাঁধেন তাছা হইলে ভাষারই নিদায় গগন বিদীৰ কৰ্ম্ম করেন না, রাধুনী ও দ্বি চাকরে সব কাজ করে করিবার কারণ কি ? এইরুপ, পুজবেও বাসন মাজে ও ধর তাহারা শিক্ষিতা হইলে সময়ের ও শক্তিৰ সন্থাবহার করিতে ভাট দেয়, জীলোকেও বাসন মাজে ও যত কাট দেয় পাৱেন, অশিক্ষিতা হইলে খেল, গম, কলহ ও পাচৰ্দ্ধা দিন স্থলে শিক্ষিত পুৰুষেরা এইপ গৃহক না করিলে যদি যাপন করেন তাহাঁদের নিন্দা না হয়, তাহা হইলে শিক্ষিতা নারীরা তাহা গৃহকৰ্ম্ম করাটা যে নারীরই কওঁধ, পুৰুষের নয়, না করিলে তাদেরই বা নিশা হইবে কেন ? বান্তৰি তাছাই বা কেন ধৰিয়া লয়৷ হইবে ? অবশ্য সানপালন কোন গৃহকৰ্ম্ম বা দৈহিক শ্ৰম নিন্দনীয় বা হেয় নহে । পুৰ পিতা অপেক্ষা মাতারই অধিক, কথা ; তিনিই তাহা বা নারী কাহারও আলতে কালাপন করা উচিত নয় করেন। কিন্তু অন্যান্য কাজ ধৰ্ব্বন রায়া করিবার সম বাইবে বলিয়া, নিজের কোন কাজ নিজে না করিয়া কেহ পাচক রাখে, কেহ পাচিকা রাখে চাকর রাখিয়া দেনাগ্ৰস্ত ও বিত্রত হওয়া যেমন পুকুবের আমাদের দেশের হিন্দু হোটেল, মুসলমান হোটেল ও পক্ষে নিন্দনীয় ; তেমনি বাড়ীর কর্তা রোজগারের জন্ত ছাত্ৰাবাস এবং পাশ্চাত্য বড় বড় হোটেলে পুৰুসেৱাই খাটয়া-পাটিয়া হায়ান হইবেন, এবং মেয়েরা পাচক ও হাস বায়া করে। অতএব, রায়াটা বিশেষ কপ্রিয়৷ মেয়েদেরই দাসী রাখিয়া আলঙ্কে কালযাপন করিবেন, ইহাও অক্ষপ কাজ এমন বলা যায় না । যে স্থালিতে বেতন নিন্দনী এক্সপ ব্যবহার শিক্ষিতার পক্ষে নিৰনীয়, ভোগী লোকে রান্না করে ন তথায় হীলোকেরা অশিক্ষিতার পক্ষেও নিন্দনীয়। বাস্তবিক, শিক্ষিত ও বারা করেন বটে। কিন্তু স্থলবিশেষে পুবাদেও রান্না করে অশিক্ষিত পুরুষ ও নারীরা রাখেন, ঘর ঝাঁট দেয় যে পুত্ব অশিক্ষিত, তাহার অর্থ কাজ না ফুটিলে সে সন্ত ও বাসন মানে কি না, ইহা জিজ্ঞান্ত নহে ; জিন্তাই এই বিষ মজুরীর চকের কাজও করিতে পারে, শিক্ষিত যে কে কিভাবে কালাপন করেন যে আলাহে ব্যসনে হইলে সে তাহা না করিয়া অধিক রোজগারের কাজ করে পাপকাৰ্য্যে কাল কাটায়, সে পুৰুষ হউক, বা নারী হউক, তপ যদি কোন শিক্ষিতা নােী ঘন ব্যতীত অন্ত কাজে শিক্ষিত হটক, বা অশিক্ষিত হউক, সে নিদার পাৰ । সময়ের সম্ব্যবহার করিতে পারেন, বা অধিক উপাৰ্জন কোন পুঞ্চ শিক্ষক স্কুলের কাজ করিয়াও বদি নিজের করিতে পারেন, তাহা হইলেও তাহাকে দিতেই হইবে, রামা নিজে করিতে পারেন ত ভাল কথা ; না পারিলে এমন কোন প্ৰাকৃতিক নিয়ম আছে কি ? ধনীর গৃহিণীরা ত তাহার নিন্দা হয় না কোন শিক্ষয়িত্ৰীও বদি ভুলের কাজ বাঁধেন না ; তাহাতে হোদের কেহ নিশা টাই৷ বেড়ার ছাড়া, বায়াও করেন, তাল কথা ; কিন্তু তাহা না করিলে ন। কিন্তু শিক্ষিতা কোন মহিলা যদি না বাঁধেন, তাহ অপযশে কারণ দেখিতেছি না। ইলে সৃষ্টি উনিটা বাইবে মনে করিবার কি কারণ আছে ? অনেক পুহঘের শিক্ষিতা মহিলাদের প্রতি মনের আমরা এমন বলিতেছি না বে বায়া করা ভাল নয় বা ভাবের আসল কারণ এই যে অজ্ঞ লোকদের কাছে, অনাবাক , বরং নিহে ’দিয়া পরিবারের সকলকে তাহাদেৱ যেমন একটা শ্ৰেষ্ঠত্বৰোধ অক্ষু থাকে, শিক্ষিতা ওয়াইতে পারিলে তাহাতে আনন্দ আছে, এবং তাহাতে নারীদের কাছে ভাহা থাকে না। এই সকল লোকে হালির খরচ কম হয় এবং স্বাস্থ্য ভাল থাকে আমরা জানা উচিত যে হীলোককে ছোট রাখিয়া নিজেদের বক্ত ইহাই বলিতেছি যে পৃথিবীতে বান্ধা করিা পুৰুবেও রোজ থাকিবা বা হইবার এই যে আকাঙ্গা, ইহা নিতান্তই গাৱ করে, জীলোকেও করে, পাচক ও পাটিকা পৃথিবীতে হাতকর। ইহাতে কিছুই পোৱা নাই, কাপুষতা আছে ই-ই আছে, এবং অনেক অশিক্ষিতা নারীও রাজা করেন পুবদিগকে ও নারীদিগকে সৰ্ব্ববিধ হিতকর জ্ঞান ও শিক্ষা