পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৮৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১১৮ প্ৰবাসী—জ্যৈষ্ঠ, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ২য় স বিবিধ প্ৰসঙ্গ—কেরোসিন দ্বারা আত্মহত্য ১১৯ , দৰ্শন ১৮, জীবনচরিত ৩০৮, ছেলেমেয়েদের আরও কম। কোন ছবিতে দি কোন একটা ঘটনা চিবি টি বাসায়নিক কারখানা যে প্রতিতি হইয়া লাভের কার চান্ধীর প্রয়োজন ইত না নুতন কৰ্ম্মচারী নিযুক্ত হওয়ার হয়, তাহা হইলে আমরা তাহা কিছু বুলিতে পারি, কিন্তু বাৱে পরিণত হইয়াছে তাহা বহু পরিমাণে ডাঢ়ী মহাশয়ের রেজিার এবং তাহার কোন কোন সহকারীর কাজ সঙ্গীত-বিদ্যালয় অন্যবিধ চিন বুভিতে ও তাহার গুণগ্ৰহণ করিতে আমরা বাসায়নিক জ্ঞান ও কল-কারখানা স্থাপনে দক্ষতার ফলে ও দায়িত্ব কমিল অ ব আমরা জানিতে চাই, বে, বঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে কেবলমাত্ৰ বাকুড়া জেলায় অল্পই পারি। আমরা মনে কবি, পুৰ জমকাল কতকগুলা ইহা খুব আশার কথা তাহাদের বেতন কৰিবে কি না। নতুবা তাহাদের পক্ষে কারণ, পৃথিবীতে এখন কেজো বে শাপে বর হইবে । সঙ্গীতবিদ্যালয় আছে অকৰ্ম্মণ্যতা প্ৰমাণ হইবার পর যদি ১৯১৩-১৪ সালে তখায়, এটি যাহাতে আছে, এবং যাহা ফটোগ্রাফের মত তাহাঁই উৎকৃষ রনে অনভিজ্ঞ কোন জাতি প্ৰতিষ্ঠা লাভ করিতে মানুষের কাজ কাইয়া পুৱা বেতন দিতে , থাকা যায়, তাহা ১৯১৪-১৫তে ২ট, এবং ১৯১৫-১৬তে আঁচ বিদ্যালয় ছিল ধৰিবে না, অথচ সায়নে অগ্রসর কোন জাতি অপর কোন হইলে ত উৎসাহিত ও করা হয় অকৰ্ম্মণ্যতাকে পুরস্কৃত । এই তিনট বিদ্যালয়ে ১৯১৬ সালের ৩১শে মার্চ কেবলমাত্ৰ আট শিক্ষা দিবার জন্য অনেকগুলি স্কুল থাকা উচিত জাতিকে নিজ গুপ্ত বিদা সম্পূৰ্ণ শিক্ষা দিবে না পূৰ্ব্বে পূৰুে কোন কোন সহকারীকে সন্দেহ কৱিবাৱ যথেষ্ট ৩৪ জন ছাত্ৰ ছিল। বাকুড়ায় সঙ্গীতের চর্চা আছে এবং যােহাৱা আট বুঝেন, এমন লোকের তত্ত্বাবধানে তা ি কারণ থাকা সবেও অনগ্ৰসৱ জাতিসকলকে অনেক পদ্মিনাণে স্ব স্ব উদ্ভাবনী হাদের মুলকিব জোর থাকার বলিয়া এখনও সেখানে বাঙ্গালী ওস্তাদ দেখা যায়। সঙ্গীতজ্ঞ পরিচালিত হওয়া কৰ্ত্তবা। কলিকাতায় গবৰ্ণমেণ্টের এক শক্তি দ্বারা প্ৰক্ৰিয়াদিতে নিপুণ হইতে হইবে চেতনা করাইবার কোন চেষ্টা হয় নাই চন্দ্ৰভূষণ দেখিতেছি, বাবাটা তাহা অপেক্ষাও ভাল যুক্ত গোপেশ্বর বন্দোপাধ্যায়ু ও শ্ৰীযুক্ত সুরেন্দ্ৰনাথ হুইল । বন্দ্যোপাধ্যায় বাঁকুড়া জেলার লোক বাঁকুড়া জেলায়৷ কলিকাতায় আছে। মফঃস্বলে একটিও নাই শক্তি সুণ্ড অাছে চান্সেলার মহাশয় যদি প্ৰবল দলপতি ও দলের অস্তিত্ব সঙ্গীতবিদ্যালয় থাকা সুখে বিষয়, কিন্তু অন্ত কোন আটবোধের সঙ্গে সাহিত্য-বোধের সম্বন্ধ আছে হেতু অধীনস্থ কৰ্ম্মচারীদিগকে যথেষ্ট শাসন করিতে না পরীক্ষার প্রশ্ন চুরি বেন, তাহা হইলে তাহার বেলায় যে নাই, ইহা অত্যন্ত দুঃখেরবিধয় কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্ৰবেশিকা পরীক্ষার অনেকে মনে করেন বাংলাদেশে অনেক লোক পরীক্ষার কলিকাতার কৰ্ত্তৰ-নিৰ্ম্ময়ে বিলম্ব না হাই উচিত। আমাদের সঙ্গীত-বিদ্যাল আছে কাহারও বিকত্বে কোন প্ৰ বির দপ্ত করিবার জন্য ৰে কনিষ্ট নিযুক্ত হইয়ালি বোলপুরে বিবাবুর বিদ্যালযোগ পাস হয় বলিয়া আমাদের সাহিত্য-ৰোধ পুৰ আছে ৰাত প্ৰতি ভাৰ নাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুগ্ৰহ ছেলেরাও সঙ্গীত শিক্ষা করে সৰ্ব্বত সঙ্গীত শিৱ কথা মানে ও বুৎপত্তি, ব্যাকরণের নিয়ম, তাহার রিপোটে বলা হইয়াছে যে তদন্ত বিলম্বে আরম্ভ নিওহের সহিত আমাদের কোন সম্পৰ্ক নাই । বাছিব বন্দোবস্ত হওয়া উচিত। সঙ্গীতে রচনা প্ৰণালী ৪ায় চোর ধরা গেল না । তথা । কিন্তু এবং অলঙ্কারের সংজ্ঞা শিখিলেই সাহিত্য ইতে আমাদেৱ যাহা হাসঙ্গত মনে হয় তাহাই বলি । পাবহার হইয়াছে, তাহারা খন বোধ জন্মে ন ভদ ভূল হইলে তা এবং এখনও হইতেছে ; কিন্তু কোন ভাল জিনিঘের বরং পরীক্ষা উৰ্ত্তীৰ্ণ হইবার জন্য ছাত্ৰ করিতেছিলেন, তখনই দ্বিতীয়বার পরীক্ষা জামরা দুঃখিত ; কিন্তু দেশের নামে গৃহীত এবং সমগ্ৰ শিক্ষিত সদায়ের উপর যখন কলঙ্ক পড়িতেছে, অপাৰহার হয় না ? তাকে কেবল আমোদের উপায় ছাত্রীরা ধেযে বহি পড়ে, তাহার ব্লগ আম্বাদন তাহার দুইবার কালে আবার প্রখচুরি ধর পড়ে এখন আশা তখন আমরা চুপ কৰিয়া থাকিতেও পারি না আয় দণ্ডে করিতে পারে ন মনে কৱা নাম। ইহা একটি উৎকৃষ্ট বিদ্যা, বিজ্ঞানের উপর কহিচোৱ ধরা পঢ়িবে ! প্রতিষ্ঠিত। পাশ্চাতা, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে অল্পান্ত ৰিদান প্ৰথমবার প্রশ্নবি সম্বন্ধে চৈলের প্রবাসীতে আলোচনা কেরোসিন দ্বারা আত্মহত্যা । মত এই বিদার জন্য ও উপাধি দেওয়া হয় । ইহা বিজ্ঞ অধ্যাপক চন্দ্ৰভূষণ ভাদুড়ী । করিবার সময় অমর, বিলতে প্ৰবেশিকার প্রশ্ন বিলগে নের শাড়ীতে কেৱোলীন ঢালিরা তাহাতে আগুন আনন্দের কারণ। সঙ্গীতের প্রভাবে মানুষের হৃদর কোমল ত্ৰিশ বৎসর কাল সান বিদ্যার আলোচন ও অধ্যাপন দিতে পাঠাইয়ার কারণ যাহা অনুমান কবিয়ছিলাম লগাইয়া এখন বাঙালীর মেয়ে আত্মহত্যা করিতেছে। ও মাৰ্জিত হয়, এবং ভক্তির উৎস খুলিয়া যায় কবিয়া প্রেসিডেন্সী কলেজের অধ্যাপক চন্দ্ৰভুৰণ ভাজী দতা বোধ হইতেছে। আমরা অনুমান কবিয়াছিলাম বাঙালী এই দুরপনের কলঙ্ক চাইৰােৱ কোন চেষ্ট হইতেছে মহাশয় সম্প্ৰতি কলেজের কাৰ্য্য হইতে অবসর গ্ৰহণ হে কোন কোন ইংরেজ প্ৰশ্নকৰ্ত্তার চাৰ্থস্থত্রিতার ফলে সমাজ-শরীরে বোধ হয় আর চৈতন্থ খুব কম আছে তাৰ শুধু কথা ব্যক্ত করা যার না, সঙ্গীতের সাহায্যে মাজ-দগে অার বেদনা-বোধ নাই, মাৱা মমতা নাই ভাৰপ্ৰকাশ পূৰ্ণতর হয়। সঙ্গীত আমাদিগকে নেন অনন্ত করিয়াছেন। তদুপলক্ষে তাহার প্রাচীন ও নবীন এই পথটাছিল । কৰি বলিয়াছেন যে এই নিয়ম কব মাধব বড় দুঃখেই এমন যন্ত্ৰণাদায়ক উপায়ে আহত্যা করে । ও অব্যক্তের নিকট সইয়া বাইতে পারে, এমন অর ছাত্ৰগণ তাহার অভিনন্দন করেন। অভিনন্দন-সন্তা যে ডবিতে কোন প্ৰশ্নকা থাসময়ে প্ৰাপ কি আনা কি উপায় করিতেছি ? প্ৰবাসীতে আমরা সভাপতি বিজ্ঞানাচাৰ্য্য শ্ৰীমুক্ত প্ৰাচুচন্দ্ৰ ব্লাষ মহাশ চনা করিয়া না দিলে তৎক্ষণাৎ তাহার স্থানে অন্ত দেখাইয়াছিলাম ৰে বাঙালীর মেহেরা ৰত আত্মহত্যা করে, কিছুতেই পারে না। আমরা সাধারণতঃ যে-জগতের সহিত পরিচিত, তাহা দৃষ্টিগোচর জগৎ, তাহা প্ৰধানত: চোখে বলেন যে ভারতবধে ফলিত ইউরোপের কোন দেশের মেয়েরা তত করে না, ভারত বা কেজো রসায়নে থকা নিযুক্ত হইবেন ও এই নবনিযুক্ত ব্যক্তি প্রশ্ন রচনা খো কি ধ্বনিরও একটি জগৎ আছে। সঙ্গীতরসন্ন বরেও অন্য কোন প্ৰদেশের মেয়েরা করে না { Practical chemistryতে ) ভাগী মহাশয় অদ্বিতীয় আর আরও অনুমান কবিয়াছিলাম যে এই জগতে বিচরণ করেন, এবং সেখানকার নানা বৈচিত্ৰ্যে আমরা গালি থাইয়াছি। তাহাতে দুঃখ নাই । কিন্তু পাদ্য কি ইহা অতি উচ্চ প্ৰশংসা চন্দ্ৰভূষণ বা ইহার উপযুক্ত [ ইউরোপীয় রেজিষ্টার এবং হার কোন কোন সহকারীর হইবে ? মােমর কি বঙ্গনাৰাদিগকে মুখে দেবী বায়া এবং নানা পেৰাণে, আলো ও ছায়ায় মুগ্ধ হন এই নীরব কী এখনও যুবকদের চেয়ে অধিক একাগ্ৰতায় ৰুণতা বা দোষে প্ৰধ জানা পড়িয়া থাকিতে পাৱে কাজে মুক্তির একমাত্ৰ উপায় আহত্যা অবলম্বন করিতে সহিত প্ৰতা ১৪১৫ ঘণ্টা পরিশ্ৰম করেন। তিনি বসান বেিটর সুপারিস অনুযায়ী পৰীক্ষা-তত্ত্বাবধায়ক একজন দিয়া নিশ্চিন্ত থাকিব ? যতদিন কন্যার বিবাহ দেওয়া অতি শিক্ষা বিদেশে যান নাই, কোন বাসায়নিক কা ৰ কৰ্মচাৰী তিন বৎসবের জন্য নিযুক্ত হওয়ায় আমাদের কঠিন থাকিবে, এবং অবিবাহিতা কন্যাদের সৎপথে থাকিরা সঙ্গীতের চৰ্চা ও সঙ্গীতবোধ আমাদের দেশে যতটুকু থানাতেও শিক্ষালাভ করেন নাই। িকন্তু বেঙ্গল কেনিকাল দান সত্যবোধ হইতেছে সম্মানের সহিত জীবন ধারণে কাণ রেজিষ্টার ও তাহার উপায় না হইবে, ততদিন আছে, কি ল এবং অল্পায় শিৱে বোধ তার চেয়ে কথাটি ও ভাৰ থাকিবে, এবং কন্যাদের ও ফালাসিউটিকাল ওয়াক এবং বেঙ্গল মিসেলেনী এই কোন কোন কৰ্ম্মচাৰী উপযুক্ত লোক হইলে, নুতন কৰ্ম্ম- আহতা ঘটিৰে বিবাহসমুদ্ধে লোকের ধারণাই বদলাইয়া আট ফুল আছে। তাছাড়া আরও নিই, িবদ্যাল ে যুগ যায় েয বাণী জাতির মাঝে এই , হাৱা সৰ্ব্বনাশবর্তমান