পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২য়’ংখ্যা] ভারত-শিপের ত্ৰৈগুণ্য -- পক্ষে নিৰিও সেইক্লপ । যেমন অলঙ্কত বাল্য বুনিতে স্বারা করিলে হাশিয়া দিভে হয়তেমনি কাব্য সাধারণতঃ অামাসের দেশে শিল্পকে, তিন ভাগে বিহুক্ত আরন্থে নিবিৎ থাকা চাই । বস্ত্ৰ বুনিতে কধ্যে যে করা হইয়াছে—সাকি, ব্লাজসিক ও তামসিক । যেসব হাশিল্পী দিতে হয়, তেমনি, ফ্ৰায্যের সঙ্গে নিবিং ৰ শিম আমাদের প্রয়োজনসকল বিধান করে তাহা কেবল চাই। বয়ে অন্তে যেমন হাশিয়া দিতে হয়, কাব্যের শেষে মা শারীর ভোগের স্বয় বলিয়া তানসিক । তেমনি নিবিং দিকে যেমন, বেদে থাকারকে “মনীষী কৰ্ম্মকা" বলা : "পেশা ধাউকগামাৰ ৰঞ্জিৰিয়া। ভারত-শল্পের ত্ৰৈগুণ ‘লে রঞ্চাৱা: কাৰ্মাঃ যে নীষিণঃ’ । ( প্ৰথী ... } গৃহাদি নিৰ্ম্মীতা তষ্টার কাজের উল্লেখ বেদের বহু স্থানে এইসব শিল্প যদিও প্ৰয়োজনের সামগ্ৰী মহে, ভয় বিলাসের উপকরণ। কাজেই ইহা সাকি দিয়ে নহে আছে । [ খাথেদে ১, ৬১,৪৪ ; ১,১৫,১৮৮ ইত্যাদি ইত্যাদি । এই শিল্প প্লাজসিক। শিনিকেতনের ইহা জোতিলোৱ ফক্ষা বেদে কতবার যে অষ্টার গৃহনিৰ্ম্মাণ-শিয়ের উল্লেখ আছে শিল্পদেবতা প্ৰাণ হইতে উঠিলা দেবতার ভোগ-বিয়ে তাহা বলিয়া শেস করা যায় না । এই সমস্তই তামস বা নাট-মন্দিরে এই শিল্প আসিয়া বসিতে পারে যাত্ৰী শিল্প। এই শিল্পের স্বারা অামানে দেহরক্ষা ও প্ৰয়োজন, দেবগৃহে বা দেউলে, প্ৰবেশ করিতে পারে না। নিৰ্বাহ হয় মাত্ৰ, ইহা দ্বারা কোনো যথাৰ্থ সৌন্দৰ্ঘ্য সৃষ্টি কয়। তবে সাবিক শিল্প কি ? আনন্তের জন্তু সাঙ্কে ব্যাকুলতা না । যেখানে শিল্প ধনী অথবা পুরোহিতলালের যে শিল্পে প্ৰাণ, সীমা দিয়ে অসীমে জানা যায়াছে ৰুদাইস-মত বন্ধ সৃষ্টি করে, সেখানে ইহাকে দাস শিল্পও বাজে, তাহাই সাতিক শিল্প । অমৃত্বে স্বরে বলা চলে। শিল্পনিকেতনেয় ইহা নীচের তলার সামগ্ৰী । নিত্যাগ ও নিত্যাভিসায়, অয়পক্ষে পাইয়া, পেয় যে ইসব শিল্পের দ্বারা অামাদের দেহগা, বা প্ৰয়োজন আনন্দ, তাহাই সাধিক শিল্পেৱ প্ৰাণ, তাহাই হার সৰ্ব্বী সাধন হয় না, কিন্তু যাহাতে আমাদের বিলাগিতা, আমাদের মানব যখন বিশ্বকে কেবলমাত্ৰ জীবনীন জড় “তহু মাত্ৰ ৰ্য্যেয় ও নৈপুণ্যের প্রকাশ সম্ভব হয়, তাৰা, রাজসিক বলিয়া নে না, যখন সে সমপ্ত বিশ্বকে অ্যাণনাশী। শিল্প। শিল্পী অ্যাপন ঐশ্বৰ্য্য ও শক্তিয় দ্বারা যেখানে সমস্ত গ্ৰহণ করিতে চাহে, প্ৰখন সে বিশ্বকে সরাপে সমাজের উপর, প্ৰভুত্ব কয়ে ও নিজের সৃষ্টির বৈভবে করে । রস-তরল, সাম্পতি, ভাব-চঞ্চল সই প্ৰাণ । সকলের চমক লাগাইয়া দেয় সেখানে শিল্প ক্লাজসিক । সলিল । ক্ষ পাধি বস্তুকে সে পণিত কারি বাঞ্চানেগ্নি সংহিতায় ( ৩০, ৭ ) ও তৈত য় রাঙ্গণে সবই প্ৰাণরসে পরিণত বরিয়া গ্ৰহণ করিয়া প্রাণী (৩৪৪৩,১) মণিকায়ের উল্লেখ আছে। বাজসনেয়িতে তাই সাবিক শিল্পীর কাছে এই পৃথুী জীবস্তু ; তাৰায় । (৩,১৭) ও তৈত্তিীয় ব্ৰাহ্মাণে ( ৩, ৪,১৪, ১ ) হিরণ্য - যোগ কেবলমাত্ৰ জ্ঞানের নহে, তাহার সঙ্গে যোগ ে কৰেষ্ট । কারেরও উল্লেখ আছে । ইহাদের সৃষ্ট পিন্ন জীবনদাত্ৰা “পৃথিবী মাতা, স্নামি তাহার পুত্ৰ ” গাখীৰ্ণ ই মন্ত্ৰ নিৰ্ব্বাহে না লাগিলেও তাহা তখনকার ধনীদের বৈভব ও ব্লসের উৎস । স্নাথধণের বির গাংকে এাশন ধৰিয়া শীদের নৈপুণা প্ৰকাশ কথিত । গাথেদের ১০ গুলে জানিয়াই অ্যাপ্ত হন নাই ; তাহারা পৃথিবীকে প্ৰেম ন ৮তম স্বত্তে সূৰ্য্যাণ বিবাহে বধূ স্কলত বেশ “বাধু” নিশিৰিন আলিঙ্গন করিয়া বিরল পান ফরিয়াছেন । তাই উল্লিখিত আছে, তাহা পুরোহিতে প্ৰাপ্য। ঐতরেয় ব্ৰাহ্মণে বিশ্বের প্রতিষ্ঠাহীদের দঙ্গদেৱ ( sympathy) আর আছে যে বয়ের আরম্ভে মধ্যে অবসানে যেন নকাশী নাই। সাবিক দেয় ভিত্ত্বি সেই বিশ্বাধী অঙ্ক ১৭— ৩