পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী—জৈাঃ, ১৩২৪ [ : ৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড স। দাসশিল্প হইতে এই জন্যই সাত্বিক শিল্প একেবারে তাপ এই দুইটি একসঙ্গে বা মেলে মা অথচ এই দুইটি স্বত । এ শিল্পকে কেবল কিয়া বা গড়িয়া কৰ্ত্তব্য শেষ তত্বের হর-গোঁী মিলন না হইলে সারিক শিদের আশাই করা চলে না, এই শিল্পকে জীবনে গ্ৰহণ করিতে হয়। তাই এই শিল্প বড় দুভি । হিন্দুদানী বৈষ্ণবদের মধ্যেও শিমের এই তিন বিভাগ ভারতীয় প্রাচীন অৰ্য্যে-জাতি অরণের ধানেই নিমা । স্বীকৃত হয় । তাহারা বলেন শ্ৰীকৃষ্ণের স্থায় শিল্পেরও তাঁহাসের মন কুপ রস গণ স্পশের অতীত পরাগার প্রতিই তিন প। শ্ৰীকৃষ্ণক মাপে প্ৰচণ্ড যোদ্ধা হইচা শাক নিধন ভাবতে দাবিত হইয়াছে করিতেছেন, —াহার এই ৰূপ তামসিক। তাহার কথাপ্তি সম্পৰ্শমপৰায় পরো লিব পরঃ পৃথিৰা:” ইত্যাদি মধুৱাৱ বাজসিংহাসনে—সে ঐশ্বৰ্য্য অতুল। এ তার তাহার ক্লপ ব্লস স্পশ শত্ব ও বিকার নাই । তিনি স্বৰ্গ বাসিক প। কিন্তু তার বাৰ্গ সাকিরণ ব্ৰজের পৃথিবীকে অতিক্ৰম কবিয়া আছেন।” তাহার এই ৰূপ প্ৰয়োজনের অতীত— এনে আবার এদেশের জার্মাদের অপেক্ষাও প্ৰাচীন ভারতীয় যে অনাৰ্য্যগণ,—তাহারা ছিলেন পের পাসক । অনাৰ্য্য হিন্দুস্থানী বাউলেরা শিল্পের তিন প বড় চমৎকার সে সৰ্বে কোনো কোনে শ্ৰেণী খুবই সভা ছিলেন। তাহারা করিয়া ব্যক্ত করিয়াছেন। তাহারা বলেন সে প্ৰথন কিপ নানাবিধ মূৰ্ত্তি গড়িতেন ও নানাবিধ প্ৰতিমা পূজা করিতেন । তামসিক—ধর তাহা আঙ্গুর। তাহা চোলাই করিং, যখন এখনও বিড় প্রভৃতি দেশে অনাৰ্গা স্থপতিগণের গোপুর সুৱা হইল, তখন তাহা ঐশ্বৰ্গীক্ষপ-রাসিক মন্দিরাদি যেন চমৎকার, তেমনি বিরাট । এাচীন অৰ্গদের জায় , তাহা পান করিয়া যে আনন্দ তাহা সাবিক, তাহা বস্তু সভা আসিয়া কলিত ধান- মা ; পুরীকে কি অদ্বিতীয় নহে—তাহানন্দ ঐশ্বৰ্গা সম্পন্ন করিয়া ব্লাগিয়াছিল— ৰণ । এইসব ইণ্ডিতে হাপদে’ তো লাল মীে মৈ’ অীয়া-পাকা । ধুধিতে পারি যে প্রাচীন অনাৰ্যাগণ খুবই জপ-সিক ছিলেন অশর ত জব সমাপ্ত মস্তপু তৰা তাদের মধ্যে তামসিক ও রাজসিক শিল্পই ক্ৰমাগত হে প্ৰাণস্বরুপ, তোমার হাতে যখন আমি অমৃত রসের বিকশিত হইতেছিল। কি অনন্তর ভাবটুকু হাঁদের হা হইয়া চমকাই তখন আমার কি রাগ কি চমক অন্তরে না থাকতে সেই শিল্পটি সাকি হইয়া ওঠে নাই। যখন আমি তোমার অম্বরে প্রবেশ করি তখন আনি তোমার কাজেই যেই আপোৱা আসিলেন, আমনি একটি গঙ্গা-যমুনা নেশা, আমি তোমার আনন্দ নিগন ঘটিল। রাপ ও ধ্যানের ধারা মিলিয়া একটি অপূৰ্ব্ব শিী আচাৰ্য্য অবনীনাথ শিল্পের এই ক্ষণ তিনটি সর্থের সৃষ্ট ই স্বীকার করেন এই শিল্পে মামলা অথৰ্ব্ব ও পরবী বৈদিক প্ৰতোক সত্যতার উন্নতি ও বিকাশের সঙ্গে-সঙ্গে ফুগে যেমন মেলে, দে তেমন মেলে না, তখনও আৰ্য তামসিক ও রাজসিক শিটা অপনি গঢ়ি ওঠে অনাৰ্য :ে নিশ খায় নাই। গৰ্ব্বে ও পৰী বৈদিক সাত্বিক শিল্পটা গড়িয়া ওঠা তত সহজ নহে, ইহা কঠিন যুগে এই ব্লস লেশ মিঠা উঠিাছে সাবার ধন এখন এ বণ, চিwা ;ে য়ী আর পরাজিত ও সহজ না কেন ? তাহার কারণ এই—শিমের এক অপমাতি অনাৰ্থদের কাছে ণ-ব্লাগ নিতে যাইবেন কেন? দিকে ‘প, অন্যদিকে অপ। এই শিল্পে অনুপ জপ বিশ্ব দেও-নেওখার শাস্ত্ৰ ধড় চমৎকার। কিছু দিবার পরিগ্ৰহ করে ও অৱপের সমুদ্ৰে ৰূপ ক্ৰমাগতই থাকিলে পাতিও তাহো দেয় এবং নিৰা থাকিলে আপনাকে বিলীন করিতে থাকে। ত ও তাহা নেয়। কিছুতেই ইহার কারখা হয় না। প্রায়ই দেখা যায় কোনো সভ্যতা বা ৰূপ-রসিক, খে নে দেখানে দৈনা অাছে, সেখানে জেতাকেও পরাজিস্তের কোনো সভাতা বা অলপ তত্বের ধানে মা । ৰূপ ও কাছে শিষ্যত্ব গ্ৰহণ কৰিতেই হয় জেতা রোমকের । ২য় সংখা ভারত-শিয়ের ত্ৰৈগুণ্য স্ত্ৰীসের সভ্যতা নিতে বাধ্য হইল— ভারতের তাৰ্য্যেরাও পরবী জেতাদিগকে দিয়াছে বিস্তর । সৰ্ব্বত্ৰই এইক্লপ প্ৰাণকেনিয়ার হাতে সব প্রতিতি । যে প্ৰাণ ধন অথৰ্ব্ববেদে যে ো দেবতাদিগকে অতিক্ৰম বরিয়া পৃথিবীর করিতেছেন সেই প্ৰাণীক নমাৰ, যে প্ৰাণ গৰ্থন কৰি স্তব ও তহীন মানবের স্তৰ ( ব্ৰাতাকাও ) করা হইয়াছে ছেন নমস্কারযে প্ৰাণ (জীবনরপে) তাঁহাকে , আদিতে তাহাতে বুঝিতে পারি যে তাহাদের মধ্যে অাৰ্য্যপ্ৰভাব তাহাকে মহার, যিনি ( মৃত্যুক্ষপে ) হাইতে সেই ছাড়া আরও প্ৰভাব আসিয়া জুটিয়া প্ৰাণকে নমস্কার। মৃত্যুও প্ৰাণ, বেদনাও প্ৰাণ ; দেবতা মুক্তি প্ৰভৃতি পুজা অনাৰ্য্যদেরই ছিল বলিয়াই স্মৃতির এই প্ৰাণকে উপাসনা করেন। প্ৰাণই ৰিয়াই প্ৰা যুগেও গ্ৰাম্য দেবতা ও দেবল ব্ৰাহ্মণ অপ্ৰয়ে ছিল। মুক্তি সকলকে পথ দেখাইয়া লইয়া চলিয়াছেন, সেই প্ৰাণহে নানা ভাবেই অনাৰ্য্য-প্ৰভাৰ অনুভব করা যায় সকলে উপাসনা করেন পুরাণ ( ২২শ অধ্যায় ) আছে দেবীপুঞ্জা ষ্ট্ৰীলোককে অতিশয় অশ্লীল গানের দ্বারা সকলকে তুষ্ট সৰ্ব্বং তা প্ৰমোদন্তে বাথি ম্যাধি করিতে হইবে । পুরাণে বহু স্থলেই গাই রাজাৱা দণ্ড দিয়া বা প্ৰাণে অভাবীদ বাণে পৃথিবীং মহী । বেদবাহ দেবতার মূৰ্ত্তিৰ পূজা ও বেদগান ছাড়া সাধারণে পাৰ্চীনা তে নমঃ তিীনায়তে নমঃ পুৱা দেবতার ও গান বন্ধ করিয়াছেন লিঙ্গপুরাণ, উত্তরখণ্ড, ৩০শ অধ্যায় )। যে তায়ে মুক্তির লক্ষণ নিয়মিত ঋতু আসিয়া উপস্থিত হইলে বেই প্ৰাণ বৰি ধ্যানাদি বহুলভাবে আছে সেই তত্বেৰ প্ৰভাৰ সমূহের দিকে ক্ৰন্দন করে ওষধিসমূহকে ব্যথিত আছিা! ক্ষিণ দ্রাবিড়াদি দেশেই বেশী । তাহা প্ৰায়ই রাবণপ্রোক্ত করে ) আমনি এই ভূমির উপর যাহা কিছু আছে বই অগ্নিপুরাণের মতে স্থাপতা-বিন্ধ হয়শীৰ্ব্বতন্ত্ৰ হইতে গৃহীত- এমোদিত হইয়া উঠে । যখন প্ৰাণ এই মহা পৃথিবীকে হয়ণৰ্ষত অনাৰ্গা তত্ব । প্ৰবন্ধান্তরে এইসব আরও প্ৰাণ রসের দ্বারা প্লাবিত করে, তখন সক্তি ওষধিসক ভাল করিয়া ভালোচনা করা যাইবে । ইহাতে বেশ কিতে প্ৰাণের দ্বারাই মধু ছন্দে প্ৰভুত্তর দেয় হে প্ৰাণ, জুৰি পাৱা যায় যে অনাৰ্য্যদের মুষ্টিবিদ্য ও মূৰ্ত্তিশিল্প ছিল, নিতা প্ৰাচীন, তোমাকে নমস্কার ; তুমি নিত্য মীৰ কিন্তু তাতাদের ইলিয়াতীত ধ্যানাস ছিল না তোমাকে নম্বর ছিল তাদের । এই দুইএর নি মো ভারত একটি যে ভাব-স বিশ্বচলাচকে প্ৰাণিত করিয়া জীৰ অপুৰ্ব্ব সাত্বিক শিনের অয়োজন ইয়া উঠিতেছিল করিয়া প্ৰেমে অাপন করিয়া দেখিতেছেন তাহা পৃথিবী ও পাৰ্থিব বস্তুর প্রতি দঙ্গই শিমের প্রা, তা প্ৰযোজনাতীত য়োজনের অতীত এই ভাল ক্ৰমশঃ আমাদের নয়ে জুগিয়া উঠিল গেমস কেবল সেন্দগো শিল্পে প্ৰকাশিত হইৰ প্ৰাণে যেমন জয় “যে এবং দোতিরিক্ত অনিচিনী উঠতেছিল জীবন থাকে, তখনকার ভারতীয় প্ৰতিভা তেমনি বিশ্বের অথৰ্ব্বণ ও অ্যারিসদের মধ্যে বিশ্বের প্রতি প্ৰতি, সবই জীবনের দ্বার জীবন্ত হইয়৷ প্ৰাণরসে পরিণত হইতে পৃথিবীর প্রতি আকৰ্ষণ, মানুষের হৃদয়ে দিকে টান । অত্য ছিল। হাদের কাছে কিছুই ক ছিল না ; সবই বেণী । তাই তাহাদের মধ্যে বশীকরণ অভিচায় প্ৰভৃতি মাদি প্ৰবল হইয়া উঠিাছিল। স্বৰ্গ অপেক্ষা পৃথিবী তাহাদের কাছে বেশ সত্য । পৃথিবীর মাতেই হাদে প্ৰাণায় নমো দিন সক, প্ৰতিষ্ঠিতম আনন্দ কাজেই হাসের কাছে শিল্পের মালমশলা বেশী মে প্ৰাণে