পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৮৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১২৮ প্ৰবাসী—জ্যৈষ্ঠ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড এই শিলাে লাভ কি ? সুখ, না স্বৰ্গ, না অপবৰ্গ ? আধুনিক কাব্যসাহিত্য যারা পড়েন, তারা কে স্বাসংস্কৃতি বা শিল্পানি । ( বা ণের” কবিদের খবর নিশ্চয়ই রাখেন । হাদের কবিতা শিল্প আৰাকে সংস্কৃত অলঞ্চত করে। ইহাই তাহার ও নাট্যাদি এক সম্পূৰ্ণ নুতন ধরণের জিনিস শ্ৰেষ্ঠ ফল । স্বৰ্গ বা অপবৰ্গ নহে । দেশেই ঘকে পুরাণকথা ৰূপকথা, বা গাথা ছড়া প্ৰভৃতি ইহা স্বারা যজমান আপনার আত্মাকে ছন্দোময় করিয় বলা যায় সেই সব লোকসাহিত্যের ভিতরে-ভিতরে তোলেন । আত্মাকে ছন্দোময় করাই ইহার একমাত্ৰ ফল ; মানুষের অব্যক্ত চৈতন্য আপন গভীরতম সৌন্দৰ্য্য বা অধ্যাৰ অৱ কোনো ফল ইহাতে নাই। ইহার দ্বারা সুখ সানুভূতির নানান্‌ চিহ্ন আশ্চৰ্গাপে ব্ৰাধিয়া যায়। সাহিত সুবিধা বিদ্য লাভ বা অন্য কোনো উপকারই হয় না দিকের পক্ষে তাহা একটা চমৎকার আবিষ্কারের বিষয় কেবল সব কথার উপরের কথ আত্মা নেদামঙ্গ” হইৱা ছেলেভুলানো ছড়া, গ্ৰাম্য সাহিত্য, বাউলের পান প্ৰভৃতি বাংলা লোকসাহিতো সেই আবিষ্কার কবি রবীন্দ্ৰনাথ ঐ, ব্ৰা, ৩, ২, ) কতক কতক করিয়াছেন । কিন্তু তিনি এইসক এই কথাই শিল্পের সবচেয়ে বড় কথা৷ । অঃ . সাহিত্যে উপকরণ তাহার সৌন্দৰ্য- বা অধ্যা-সাতুতি মোময় হইয়া যায় ! ইহাই সজ্ঞের স্বৰ্গ, ইহাই সজের প্ৰকাশের জন্য ব্যবহার করেন নাই। তার কাব্যে এ ছাপ নাই। তাই লোকসাহিত্যের সঙ্গে আর তার সাহিতে শ্ৰীক্ষিতিমোচন সেন । স্তরের ভেদ অতান্ত বেশি । বোধ হয়, আমাদের দেশে চি ক্ষত্রে সেই ভূমিকম্প ধাধাবন েদখা েদয় নাই যাহাতে নীচে স্তৱ সহসা উপরে উঠিা আসে, উপরের স্তর নীচে নামে অামাদের জাতির গভীরতম ins nects বা সহজ সংস্কা কবি এ, ই. র কবিত গুলির অন্ধকার গুহালোকে এক-আধটা মশালের A. B. এই দুটি অক্ষয়-স্বাক্ষরিত এক অজ্ঞাতনামা কবি তমসা এখৰে দৈবাৎ ধিয়া পোঁজিতেছে- সেখানকার আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যে থাতি লাভ করিয়াহে অত্যন্ত নিবিড় এখনকার ফালে কবির পক্ষে নাম লুকানো বা নাম আমাদের জাতির অব্যক্ত-চেতনার লোকে যে-সব পূৰ্য ভঁড়ানো বড় শক্ত কবির স্বপনটুকুতেই পাঠকদের মন জন্ম, সেই সব পুরাণের রাজি দি কুড়ানো হইত ঐ ভয়ে না, কবির জীবনটুকুও পুরাপুরি না জানিলে তাদের উ৮ সাহিত্যিকে অতিবাক্ত-চেতনার লোকে, সুত্ৰে কৌতুহল ময়ে না । এখনকার কালের বৈজ্ঞানিক যেমন পাই, বড় আইডিয়ার সুত্ৰে যদি সেই পুরাণ-রত্ন পানো ইহঁত, তবে কি রকমের সাহিত্য সৃষ্ট হইতে পাৰি সিক তেমনি কাব্য চাখেন কবি জীবনের ল্যাবরেটরিতে তাহা কল্পনা বা শ বা কেণ্টিক রিভাইজা যেখানে বিশ্বের সঙ্গে কবির মনের নানা রাসায়নিক ক্রিয় . লেৱ” সাহিত সেই ধরণের সাহিতা। কবি ইটুে এ প্ৰক্ৰিয়ার যোগে কবিতার নান তৈরি হয়। সুত । স্কুলের সবচেয়ে বড় কবি পরিচয় করাইন্নাই কবি এ, ই, যে নােমরাপে মেহের উপর বৈষ্ণব কবিতা এক সময়ে অামাদের দেশে গর মাৰিবেন, পাঠকদের তাহা সহ হইবে না। কারণ, ভাবান উপস্থিত করিয়াছিল। কেমন করিয়া ? । ঐ নােমরুপের আবরণের ভিতরেই যে বস্তু নিহিত । কবি একটা দুরা প্ৰশ্ন নিশ্চয়ই স্নাষ্ঠীর প্রভৃতি কতগু এ, ই, যে 'জৰ্জ ঘাসেল” নামধারী একজন আইরিশ,-“তার নিম্ন স্তরের tribeদের মধ্যে কতগুলি নিয়, আমার কাব্য বুঝায় জল্প এ পরিচয়টুকু একেবারে অনাবশ্যক ন্য প্ৰচলিত ছিল ; অন্যান্য সভ্য জাতিদের মত neস্বভাবতই সৰল কেন নয়, তাহা বলিতেছি । } ২য় সংখ্যা] কবি এই র কবিতা তাদের tribal দেবতাকেও তােহাৱা এমনিতর কতগুলি শুদ্ধ হইয়া সেই স্ততার নিবিঢ় সঙ্গীতের একটি আবটি আচাৰ-অনুষ্ঠানের ধারা পূজা কম্বিত এবং ক্ৰমশঃ সেই সকল স্পন্দন মাত্ৰাৱ কবিতাৱ জাগাইয়াছেন। পূজাবিধি, সেইসকল পুরাণগাথা, উৎসব-অনুষ্ঠান, সমাজে কারণ, বৈষ্ণব কবিতার বেলায় আমরা সেবিলাম রবিপ্লবের সময়ে সমস্ত সাঙ্গনয় ব্যাপ্ত হইয়া অত পুৱাণে কোন কাব্য বা সাহিত্য নিজেকে জড়াইলে তাঙ্ক পাস্তরে পান্তরিত হইয়াছিল সেই ৰূপান্তরেই বৈষ্ণব জট ছাড়ানো শক্ত হয় । তখন সেই পুরাণের পুৱালা কবিতার জন্ম । তাহা ঐন্দ্ৰিয়কে অতীন্নিয়ে, লৌকিককে symbolগুলি মানুষের মনকে ও মনের ফাল্পনাকে এমনি অলৌকিক- ৰূপান্তরিত করিয়াছিল পান্তরের আর. ভারাক্ৰান্ত করে যে, মনে হয়, ঐ গুটিকতক, symbol শু এক নাম ৰূপক। বৈষ্ণৰ কবিতা পক হইলেও তাহার তাহার গুটিকতক সেই লেন মানুষের মনে সৰ সৌন্দ গত আদিন পটিকে পুছিয়া কেলিতে পারে নাই ও সব আধাস্ব রানুভূতি প্ৰকাশ করা বাই মহাজন ভক্তের কাছে তার এক রস , যায় তাহন কারণেই বৈষ্ণৰ পদাৰণী তিন চাবি শতাব্দী ধনিয়া বেশি ংলায়াসক্তের কাছে তার অন্ত রস মানুষের নিম্ন পুনরাবৃত্ত হইয়াছিপ সুী সাহিতা, খৃষ্টান মধ্যযুগীয় লীলাকে ভগবদলীলায় উষ্ঠীৰ্ণ করিতে গিয়া ই. মিিষ্টক্যাল সাহেিত্যও এই পুনরাবির কাজ ধীৰ বায়ই অদ্ভুত সৰৱ বৈষ্ণব কবিতায় ঘটানো হইতে পারে নাই। পুলিকা পূজা বে একবার সাক্ষ ইয়াহে দেখিতে পাই । তবু দেশের মাটির সঙ্গে হাৰ পাইবা বসিলে আর দ্বাড়িতে চাৱ না, তাহার কারণই এই প্ৰাণে যোগ ছিল বলিয়াই ইহা দেশকে অগন করিয়া মাহব আপনার কনিত symbºlএর মোহে আপনি যুদ্ধ শিক্ষা দিয়াছিল। দেশের উপরের স্তর হইতে নীচ বধ হয় -উপনাভের মত, আপনার কল্পনাকে কেন্দ্ৰে ৰসাইয়া, পান্ত এই কবিত: স প্ৰবাহিত হইয়াছিল সেই কল্পনার প্রভাত’ জাল আপনার চারিদিকেই স্বী বক সাহিতো মত সুনী কাবাসাহিত্যও পার দেশে করা নিতে থাকে হৰি কৱিৰাই ব্যাপ্ত হইছিল। ভাৱে হাড়িটাকে জাতি বাহিরের জগৎটা তখন তার কাছে ধোৱা হইয়ী অাসে । সত্যের বিচিত্ৰক্লপ মনের দরজা অবক্ত মনের আগুনের উপর ব্ৰাখিলেই তাহান চাণ নব নব সত্য, নব নব তত্ৰে সন্ধানে কোটে—তখন সাহিত্যের সে ই ঢাল বা নীতিই নান সে বাহিত হয় না ; নব নব সত্য, নব নব তত্ত্ব হইতে নুতন নেম মনে পরিবেবিত হয় সমাজ এমনি করিয়া সাহিতাকে নুতন সে ও তদুপযোগী নুতন নুতন symbol এর আবার সৃষ্ট করে সাহিত্য সমাজে মনে উপর সুধা বৃষ্টি সে সৃজন করে না কবি রবীনাথের “দেউল’ কবিতা এই symbo বৈষ্ণব সাহিত্য ও সুকী সাহিতো কো ট নোহের একটি চমৎকার চিত্ৰ পাওয়া যায় সাহিত্যও লৌকিক-অষ্টেকিকসাহিতা এইগ সাহিতে পক্ষে একদিকে গণতন্ত হওয়া বেদন সেকিকে ইহার ভিত্তি, অলৌকিকে ইহা সখা দরকার, অন্যদিকে স্বত হওয়াও তেমনি দরকার A, B, যদিচ এই স্কুলের তথাপি তাহাক কোন কোন সাহিত্য গণ মনের প্রতিভাতি ; কোন কোন করিলে ভুল হইবে সাহিতা মন-মনের স্ব-জাতি তিনি কেণ্টিক মনের পটে বিশ্বমনের র বৈকত্ব কবিতার সঙ্গে রবীন্দ্ৰনাথের কবিতার যে তা ইয়াছেন ; সুতরাং তঁর কাবো কেন্টিক মনের ফেষ্টিক কবিদের রচনার সঙ্গে এ, ই’ কবিতার সেই কেণ্টিকত্ব কোথাও জাগিয়া নাই পিাতি ইয়াছে, তার ডাস ও ভাষা অতি তফাৎ। বিবাহ কৰা বৈষ্ণব কবিতার সাের আছে বিশ্বাস ও ডাম্বা ভাৱ নাই। বৈষ্ণৰ কবিতার সান আছে, পুরাণ নাই । ইয়াহ। তিনি পুরাণের নাগপাশে কোথাও বন্ধ নন্‌ ; সেই দানে নুতন ীি পুরাণের চেয়ে পুরাণো প্ৰকৃতির চিরহস্যাভাসে কৃষ্ণরাখার জায়গায় ‘আমি তুমি বসাইয়াছেন ; বৃন্দাবনের তন সেৱ তিনি স্থাই কহেিয়ছেন