পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৯৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৩৮ প্ৰবাসী---জ্যৈষ্ঠ, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড সকল অত্যাচারের সমৰ্থন ও সাহায্য করিয়া পাচু ক্ৰমে বিবাহের দিন সন্ধ্যা পৰ্য্যন্ত হরেন্দ্ৰ দয়াদেবী বা গুণমহে জমিদায়েন্ত্ৰ সদর-নায়েব ও দক্ষিণ হস্ত হইয়া উঠিয়াছে । গৃহিণী জানিতে পারেন নাই যে গুণময় দয়াদেবীফে তিনি যে যুবা ইহাই প্ৰমাণ করিবার জন্তু গুণময়ের বিবাহ করিবেন পাছে হলে আসিয়া বিবাহেঁ কোনো মধ্যে মধ্যে বিবাহ কলিবার কোক চাপিত । ৭ চু প্ৰতিবন্ধক ঘটান এই ভয়ে গুণময়ের একণো লাঠিয়াল তাহার এই সৱেও যেমন পোষকতা কবিত এমন আর সন্ধা সময় রেঞ্জের বাড়ী দেৱাও কবিয়া বসিল ; দয়া কেহ মছে । কিন্তু অন্দরে ভঁাতার গ্ৰীৱ কাশ্লাকাটিতে ও দেবী চোণের জলের ভিতর দিবা গুণময়ের সঙ্গে শুভদ ভৱ পাইয়া গুণময় বহুদিন তাহার সাব করিলেন, এবং গুণময় যখন নুতন শ্বশুরবাড়ীতে বহু সাদি মিটাইবার সুযোগ পান নাই । অকস্মা পাচু তাহা শানী শালানের সঙ্গে বঙ্গ করিা বাসৱ জাগিতে গরসিকতা সম্মুখে এমন এক প্ৰলোভন আনিবা উপস্থিত কলি যে ছিলেন তখন তাহার শয়নকক্ষে তাহার গৃহিণী চোখো হায়ী মায়া ও ভয় সমস্তই চাপা গড়িয়া গেল জলে ভাসিতে ভাসিতে মহানিসাব সম্বর আঁটিতেছিলেন । রেঙ্গ রায়ের ও গুণময়ের পপুল একসঙ্গেই পনি প্ৰভাতে গোড়ে বাড়ী বিবিয়া গুণময় দাসীদে জমিদারী পৱন করেন । তদবধি কলিন দিগ্নিকে ডাক, নতুন বেীকে বরণ করে বিরোধে ও শবিকানি মামলায় হরেন্দদের অবস্থ যে হীন হইয়া পড়িয়াছিল দাসী দুটা গিtি কে ডাকিতে গিা চীৎকাৰ কবিয়া জোতদার প্রজা কিন্তু গুণময়ের মন হইতে পুৰুনা, কমের উঠিল— অনাদে নাশ হয়েছে গো আক্ৰোশ ইহাতেই নিটে নাই ; হবে যে খাইয়। পলি আপনার টিা ৰহি৷ আছেন ইহা ৭ তাতার অসহ বে। সেই চাংকার নির গণময় তাহাব ল দেহ লই৷ ইত ; কিন্তু হরেন্দ্ৰ খুৰ বাসিয়ার সাবধানী লোক বলি: গুণময়ের আক্ৰোশ ও পাঁচুর চক্ৰান্ত তাহাৰ কোনো গতি ই .া দাদেবীকে ও বালা হইয়া সঙ্গে-সঙ্গে বাইরে কহিতে পারিতেছিল না। এমন সময় পাঁচ খবর পাইল যে ইল। নিরা তাদেবী দেশিলেন সপীকে বরণ কবি হৱে তাহাদেরই গ্রামের যাদব হালদাসের মেরে দাদেবীকে থলে গিলা নৱেব গৃহিণী শলা ক্ষুধ দিয়া বিবাহ কতিতে চাইতেছে ; হবে য়াকে লেগে অাছে, সাঙ্গে - হইতে খুব ভালো বাসেন, তাহাকে বিব কৰিলা জগাই হে নে: তে বাস ছিটাৰ পৰিছে, সৰ্ব্বাঙ্গের আগে তিনি এতদিন অপর কোথাও বিবাহ করেন নাই পাচু বিছানাট নে বিমথিত হয়। গিগাছে ! কাল সমস্ত দিন গুণময়কে বুকাইল ৰে তিনি যদি দ ক বিবাহ কবিতে অনাহা, সমস্ত বাৰি আনি ভালোবাসার পাত্ৰ পারেন তবে এক ঢিলে দুই গাখী মারা যায় ন এক দহি ত বিবাহ বা অ এর উপর হঠাৎ নিরাশা সুন্দরী শ্ৰী লাভ করেন এবং বেগকে আশা : : আপাত দেবার শরীব ও নকে ক্লান্ত অবসর কবি দেওয়া ও অপমান করা হব তাহাও উপর এই ভয়ানক দৃশ্য দেখিয়া ইয়া উঠিলেন । পৰামৰ্শ ঠিক হইল সে বিয়েল দিনের আগে মচি ত হইয়া পঢ়িা গেলেন তাহাতে বিরক্ত হইয়া এই খৰ-গুণময়ের স্বী বা হৱে কাহাকেও জানিতে দেওয়া বলিয়া উঠি গিরি মতেই যদি সাধ হয়েছিল যাগে হইবে না বাড়ী গিয়ে বলেই হত ! নিজে ত মলই, নতুন বােৰে গুণময়ের চর পাচু পিচুপি গিয়া যাদব হালদারের মাঝলে বুকি সহিত সমস্ত বন্দোবস্তু ঠিক করিয়া ফেলিল ; মেয়ে বাঙ্গবাণী নতুন বেী বিলেন না। কিন্তু তাহার কৃশ দুৰ্ব্বল শা হইবে বলিয়াও বটে এবং জমিদারের প্রসঙ্গতা লাভের জন্যও ও ভাবপ্ৰবণ মনে যে আঘাত লাগিল তাহা সামাই বটে, দ্বাদৰ অতি সহজেই পাব পাৰে সম্মত হইলেন । তিনি আর কখনো সুস্থ প্ৰসন্ন হইতে পারেন নাই । ২য় সংখ্যা] ক্ৰিয় হইয়া পড়িলেন ; ক্ষীণ দুৰ্ব্বল শরীর ও শোকা হতে এমন সাবধানে চারিদিক সামাইয়া চলিতে মনে একটু উত্তেজনা তাহাব সহে না-মন একটু চঞ্চল লাগিলেন যে গুণময়ের ক্ৰোধে তাহার বিশেষ কিছুই তি ইলেই হার দেহের রক্ত যেন শুকাইয়া যায় , সমস্ত রক্ত হইল না । কাজে জমিয়া বুকের মধ্যে ধকধক করে, কিন্তু অতি সুই হৱেশ্যের মৃত্যুর পর তাহার বিধবা পী ও নাবালক পুত্ৰ দিয়া বালীন অবস্থাতেও তাহাকে শ্বেতপদের কলিকাটি ধীরেন্দ্ৰকে সহাব দেখিয়া গুণময়ের এতদিনের চাপা ন সুন্দর দেখায় । তাহার মুখে কেহ কথনো হাসি আক্ৰোশ মাথা তুলিয়া উঠিল ; ধীরেক্সের মারের উপাত্ত দেখিতে পায় না, তাহার ক্ষীণ করে স্বল্প বাক্য যেন গুণময়ের বাগ ছিল দুই কারণে, তিনি গুণময়কে ভাগ কায়ার মতন কৰুণ নায়। করিয়া রেসকে বিবাহ করিয়াছিলেন এবং তিনি গুণমাজে এহেন পীকে গুপমা ভয় কবিয়া চলিতেন, কখনো বঠাকুৰ বলিয়া তাহার স্বামীর চেয়েও হাঙ্কে ঙ্ক সাহস করিয়া তাহার কাছে বেশীক্ষণ থাকিতে পারিতেন প্ৰতিপন্ন করিতে চাহিতেন। এজ, অল্প দিন পরেই আর একটি বিবাহের ই তা ও মাতার উপর যে আক্ৰোশ ছিল তাহা যখন প্ৰবল হইয়া উঠিল ; পাচ কনে খুজিতে . বালক বীরশ্নের উপর আসিয়া পড়িল তথন পাঁচু প্ৰয় লাগিয়া গেল কনে মিলিতেও দেবী হইল না। মনোন কৰিবা তাহাকে জাদ করিতে লাগিয়া সংবাদটা শুনিয়া হরেন্দ্ৰ দীৰ্ঘনিশ্বাস মেলিনে পাঁচকড়ি নুতন জরিপ করিয়া প্ৰমাণ কলি যে দেীকে না পাইয়া তিনি অত্যন্ত তাত ই গুচি ইরে অনেক জমি ছাপাই ছিপাইয়া খাইতেছিলেম ছিলেন ; বাড়ী হইতে বাহির যা ইতেন না সেসব মি সব বলের খাস হইয়া গেল ; যেসব জমি দেবীর সতীন হইবার আশঙ্কায় তিনি বাস্তু ইয়া বাহিত রেলের ভাগে অবশিষ্ট ছিল তাহার সিআম যি ইয়া পড়িলেন ; তিনি কনের বাড়ীতে গিয়া উপস্থিত অল ইয়া উঠিল ; তাহার নুতন বন্দোবস্তে খাজনা বুঢ়া করে ও সঙ্গীনের ঘরে কন্যা দিতে নিতৃত্ব বৃদ্ধি ও সেলামী আদায় কড়া কমে চলিতে লাগিল; এবং কৱিৰােৱ কৱ কনের বাপকে অনেক বুঝানে বায়েক সনে খাজনা বাকী পড়িয়াছে বলিয়া দাবী ইলে, বলিয় দিলেন—তুমি একটি পা রে , কেন্দ্ৰেৰ মাত কদাখিল দেখাইতে না পায়াতে বা আমি গুণময় চৌধুৰীকে মেয়ে দেবে বিয়ে খাজনা নালিশ ক হইল নি, তুমিই নির মেয়েকে বি: না ? বীরশ্নের মা মিমা-গৃহিণী দয়াদেবীর কাছে ৱিা দয়াদেবীকে না পাইয়া হবে সম্বর কবিয়াছিলেন নি। ৭ বিবাহ কৰিবেন না রের বাহিনী শুনিয়া তিনি বিলে কনের বাপ জেদ কচু কথা বrি কটু সামলাইয়া তিনি না করিলে তিনি গুণ মদকেই কল্প চোখের ৭ নুহি বলিলেন—ওঁর কিসের অভাব যে উনি এরকম অত্যাচার করেন তা যুতে পারিমে ন আগত থাধেকে সম্পী :থ হইতে ত ছেলের মতন, তাদের কার দেখে বুক যে ফেটে যায় চাইবার জন্ম সেই কাকে হরেন্দ্ৰই বিবাহ কৰিলেন কে বলে বনে আমার বা হক্‌-পাওনা আমি তা আদা পৰা মনে বিলেন তিনি হয়েলের নিদাচিত পায়ী করে নেবে, তাতে লোকের কাঁদলে চলবে কেন ? ওঁ দেবীকে বিবাহ কয়িং হরেজকে যে অপমান কবিশনি হয়েছে ঐ চোট । সে থাকতে উনি কারো কথা এখন হৱে তাহার নিরিত পানীকে বিবাহ শুনবেন না। তবু আমি যতদূর পালি চেষ্ট করে দেখব । রিয়া সেই অপমানের শোধ দিলেন । গুণময় অপমানে বঁীবেশের মা অাশা ছাড়িাও অাশা ছাড়িতে পাতিতে কোৰে ক্ষিপ্ত হইয়া উঠিলেন নে না দয়াদেীকে অনেক কবিয়া পায়ে ধৰি এখন নে না