পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৯৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৪৫ প্ৰবাসী---জ্যৈষ্ঠ, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড বলিয়া আসিলেন-দেখো দিদি, আমার দুধের ছেলে ধীনে দয়াদেবী তার কথা বলিতে সাহস কৰিলেন না যেন পথে না বসে আমি মরে গেলে তোমাদেরই ত তিনি কাতৰাৱ কত দুঃখী হইয়া স্বামীর কাছে সাধনৰে তাকে দেখা কথা প্ৰাৰ্থনা করিা এই এক বাধি বুলিতেই এত্যাখ্যাত দয় যখন রাত্ৰে খাইতে বসিয়াছেন তখন দয়াদেী হইয়াছেন— তোমরা মেমোনুষ ; দশ হাত কাপড়ে যাদেৰ নিকটে নাইবা বসিয়া একথা সেকথার পর বলিলেন — কাছা নাই, তাদের কিছু বুদ্ধিবার সাধা ও যোগ্যতা অাজকে ধীরেনের মা এসেছিল.... থাকিতেই পারে না ; তাহারা অাদার ব্যাপারী হইয়া গুণময় তাহার খুব মোটা ভুক্তির ওপার হইতে থাটো জাহাজের খবরের জন্য মাথা যেন না ঘামায়। পাচু সহিত হাত দিয়া কষ্টে একগ্ৰাস খাবার সংগ্ৰহ কবিয়া প্ৰকাণ্ড স্বামীর আলাপের বিষয় জানিবার জয় তাহার ঘন ছটফট টা গোপের তলা দিয়া মুখবিবরে চালান করিয়া দিয়া করিলেও তিনি জানিতেন যে তাহা জানিবাৰ অৱ কোনে ভরা গালে জিজ্ঞাসা করিলেন—কেন ? উপায় নাই তার নামে নাকি বাকি খাজনার নালিশ হয়েছে ? (ক্ৰমশ ) গুণময় অহা চকণ করিতে-করিতে বলিলেন চার বন্দ্যোপাধ্যায় । হবে। খাজনা বাকি পড়লেই নালিশ করতে হয় । --নাবালক ছেলেট নিয়ে বিধা হয়েছে এই সেদিন ওর সোয়ামী মাৱা গেছে —ান্তে আমার পাওনা-গণ্ডা ত মারা যেতে পারে না তিৱতরাজ্যে তিন বৎসর সে বলছিল, বড়ঠাকুর গানী মণ একাই কাণ্ডাগুচির মণবৃত্তান্ত গুণময় থাটে-খাটো বিপুল মোটা দুই হাত নাড়িয়া একাদশ অধ্যায়। প্ৰাণ্ড ছাটা গোপ শজাৰু কাটার মতন ফুলাইয়া জোরে বলি উঠিলেন-বঠাকুর । বড় ঠাকুর : তা হলে আমি তিব্বত-সীমান্তে মায় মরণ নিখে এসেছে আমরা মালবা ত্যাগ করিয়া কালীগঙ্গার তীর উত্তর-পশ্চিম-মুখে পাহাড়ে উঠিতে লাগিলাম। বৃষ্টি হওয়াতে ময়ের দুপাটি বাধানো ধাত ক্ৰোধে ঠকঠক শব্দ সেদিন আমাদের বেশীদূর যাওয়া হইল না । সেদিন কেবল ফরিতে লাগিল অাড়াই মাইল পাহাড়ে উঠিলাম । তার পরদিন প্ৰভাত - দয়াদেবী বিপদে পড়িয়া গেলেন তিনি স্বামী দয়া কালে ৭টায় যাত্ৰা করিয়া গ্ৰায় ৫ মাইল পথ করিতে গিয়া তাহার মৰ্ম্মস্থানে যা দিয়া হাকে যে করিলাম। পথটি ধারাল গুড়ি ও প্ৰস্তুৱে পূৰ্ণ চলিতে বিমুখ কৰি তুলিলেন ইহার জন্ত লক্ষিত ও কুত ইয়া বড়ই কষ্ট হইতে লাগিল যা হোক ৫ মাইল চলিয়া মনে করিলেন সময়ান্তরে কথাটা আবার বিশ্ৰাম ও জলযোগ করিাম । আমরা আবার পাহাwে পাড়িতে হইবে, এখন আর নয় । উঠিতে লাগিাম এবার পাহাড় বড়ই খাড়া, পা গুণময় গানসামাকে বলিলেন—ওরে চতুর, পাচুদাকে কঠিন ব্যাপার হইয়া উঠিল ক্ৰমে বাতাস এ বলে জায়, অামার সঙ্গে যেন একবার দেখা করে যায় । বোধ করিতে লাগিলাম যে শ্বাসগ্ৰহণ কষ্টকর বোধ হইতে দয়াদেবী প্ৰমাদ গণিলেন তিনি চোক গিলিয়া লাগিল ৬ মাইল গিয়া আর চলিতে অক্ষম হইলাম হয়ে দিলেন—এত রাত্ৰে পাচুকে কেন ? এবং বৈকালে প্ৰায় ৩টােৱ সময় মানকর নামক গুণময় গম্ভীয় হইয়া বলিলেন- একটু দরকার আছে। পীতে আসিয়া উপস্থিত হইলাম । দেহ এতই জবস তোমাদের মেমোহাদর সে সযশোজে সাজ কি ? হইয়াছিল, যে, তার পরদিন আর চলিতে পারিলাম না , ২য় সংখ্যা] তিববত রাজ্যে তিন বৎসর লারাদিন বিশ্ৰাম করিলাম । ১৫ই তারিখে সোজা আমার চৈতন্তু লুপ্তপ্ৰায় হইল, হাতের বেদনায় শী দিকে যাত্ৰা করিয়া ৫ মাইল উঠিয়া এক বরফের অবশ হইয়া পড়িতে লাগিল স্বীয় তীৱে আসিয়া উপস্থিত হইলাম । তাহাও পার আমি ত আর এক পা চলিতে পারি না ৪ মাইল খাড়াই উঠিলাম। অবশেষে এক চওড়া উপর গুইয়া পড়িয়া একটু মাইতে চাহিলাম। আমা জায়গায় আসিয়া পৌছিলাম। বেলা প্ৰায় ১১টার সময় সঙ্গীটি কিছুতেই আমার বিশ্ৰাম করিতে দিবে না।--লে ম্ৰিাম কৱিৰার জন্য বসিলাম চারিদিকে চাহিয়া বার বা বলিতে লাগিল এখন যদি ইয়া পড় নিশ্চিত দেখিলােম এক ফোটা জল কোথাও নাই। পাতলা বরফের মৃত্যু, একবার বসিলে আৱে উঠিতে পালিবে না। আজি করে নীচে একপ্ৰকার ছোট ছোট গাছ হইয়াছে আর কিছুতেই পারি না । সে অামায় নানকথা বলিয়া তুলিয়া মুখে দিয়া দেখি তাহার আম্বাদ অন্ত ইয়া চলি অবশেষে যখন আমি আর চলিতেৰা হোক সেই গাছের শিকড় চিৰাইয়া তৃষ্ণা দূৰ করিলাম, পারিয়া বসিয়া পড়িলা, সঙ্গীটি নীচে গিহা অামার আর কিছু বিট খাইলাম সেদিন তাহাই আমার একটু জল লইয়া আসিল, আমি জল পান কৱিা বাঢ়িলা । মাত্ৰ আৰাৱে সংস্থান হইল। বৈকালে কেবল একটু বিশ্ৰাম কবিয়া কিঞ্চিৎ সুস্থ হইলাম। কৰ্ম্ময়ে উঠা একমাত্ৰ কাজ হুইল । সে কি কষ্টে আৱক বাহির করিয়া আমার রক্তাত হাতে পায়ে মালি তৃণগুহ্মপুত্ৰ পাৰ্ব্বতে উঠ একবার পদ করিতে লাগিলাম । দেখিতে দেখিতে সন্ধ্যা হইয়া আসিল । ন হইলে আর রক্ষা নাই পাৰ্ব্বতা বাঠির সাহাবো তখন পুনরায় যাত্ৰাৱ জন্য উঠিলাম-বরফের উপর নজরে কি সাবধানে ধীরে ধীরে উঠিতে লাগিলাম । ক্ৰমে এত আলোকে পথ দেখিয়া চলিলাম। এবার ক্ৰনশ নামা— মাইল যে, নীচে চাহিয়া দেখি প্ৰায় হাজার ফুট নামিয়া সাদা নামক দশখানি কুটারবিশিষ্ট পীৱে উঠিয়াছি—ীচের দিকে চাহিয় মাথা ঘুরিতে পাছিয়া রাত্ৰিবাস করিলাম। তুষারাচ্ছ হিমাচল-শিখয়ে একবার বরফে পা পিছলাইলে হাজার ফুট সান্দা একখানি ক্ষুদ্ৰ গ্ৰাম । গ্ৰীষ্মের তিন মাস ছাড়া সেখান দায় পড়িয়া মৃত্যু —এই চুই পথে আমাৰ পাৰ্ব্বতা বইতে নিগমের কোন উপায় নাই । জগতের সঙ্গে তা যেন একমাত্ৰ আশ্ৰয় মাকে মাকে বালুকাৱ নীচে পা কোন সংগ্ৰাব নাই। আমরা যে পথে আসিলাম সেই ছ দয়া বাইতেছে। অামার সঙ্গীটির পকতারোহণে আশ্চৰ্য্য . পথেই গ্ৰীয়ের সময় লোকে গমনাগমন করে। এখানে দ্বিতা দেখিলাম—সে লাস্কাইয়া লাফাইয়া উঠিয়া যাইতে মানুষ কি করিয়া বাস করে ? এখানে দোহা’ নামক সাধিল । তার হাতে লাঠিটি উপযুক্ত স্থানে বড়শির মত সামানা একপ্ৰকার শস্য ছাড়া জীবন ধায়ণের কোন সে অবলীলাক্ৰমে উঠিতে ল ল, তবু তার উপায় নাই । চারিদিক এখানে কিছুই জন্মায় না, গুৰু প্ৰায় একমণ বোঝা ; আমি কিন্তু পদে পদে বিপঃ তুষারে ঢাকা, তবু দশ ঘর মানুষ বাস করে। কিন্তু ইতে লাগিলাম। কখনও পা বসিয়া বাইতেছে, কখনও কার দৃশ্য কি মহান, তুষারা পৰ্ব্বতমালা দিগ পাসিয়া যাইতেছে, কখনও বা পা সকাইয়া গড়াইবার বিত, চারিদিকে ও ত বরফ রাশি, স্তরে স্তরে শিখরের উপর ক্ৰমে য়ে নৃত্যা করিতেছি—তখন আমার পথের সঙ্গী সোধৱে শিখৰ উঠিয়াছে, দেখিলে প্ৰাণ শুদ্ধ হইয়া শাস্তু ধা আসিয়া আসার করিতে লাগিল। মম হয় কষ্ট উপর আরো কষ্ট, যত উঠিতে লাগিলাম নিশ্বাসের আমি এতই ক্লান্ত হইয়া পড়িয়াছিলাম যে ১৮ই তারিখে বাড়িতে লাগিল । বাতাস এ পাতলা, বুক ভরিয়া পুকে আর যাত্ৰা করিতে পারিলাম না। এইবার আমাদে দীন দয়া চলে না, মন্বিকের ভিতর জালা করিতে লাগিল, এই দুই পথে অবতরশেৱ পালা আর হইল শুনিলাম ঘিলােৱ প্ৰাণ ভাগও হইল, টুকরা টুকরা বরফ মুখে এই পথে প্ৰতিবৎসর দুই-একজন পথিক প্ৰাণ ছায়াৰ বে লাগিলাম, তাহাতে পিপাসা মিলি না কতবার আধা উত্তর-পশ্চিম খাই কবিয়া ক্ৰমে এক উপতাকা প্ৰাণ ।