গুরুদ্বার।
আজ একটি ঐতিহাসিক কাহিনীর উল্লেখ করিব। আমাদের দেশে ইতিহাসপাঠের দুর্দ্দশা অসাধারণ। অনেকে বলেন, উপযুক্ত ইতিহাসের অভাবই ইহার কারণ; কিন্তু অনেকে এরূপ মতও ব্যক্ত করিয়া থাকেন যে, ইতিহাসপাঠে লোকের তেমন স্পৃহা নাই, তাই এদেশে উৎকৃষ্ট ইতিহাসের অভাব। কোন্ কথাটি সত্য, তাহা সমালোচকগণ আলোচনা দ্বারা অবধারণ করিয়া ভারতের ভবিষ্যৎবংশীয়দিগকে এক একটা “হেরোডোটস্” করিয়া তুলিবার পথ পরিষ্কার করুন। “টেক্স্টবুক কমিটী”র মনোনীত পুস্তকের নির্দ্দিষ্ট পৃষ্ঠার মধ্যে যতটুকু তত্ত্ব সংগ্রহ করিতে পারা যায়, বর্ত্তমানে আমরা শিক্ষক ও নোটের সাহায্যে ততটুকুমাত্র অতি কটু পদার্থের ন্যায় গলাধঃকরণ করি। কিন্তু বলা বাহুল্য, ইহাতে ফলও সেইরূপ হইয়া থাকে; অর্থাৎ “পাশ” বা “ফেলের” সঙ্গে সঙ্গেই সেই সকল বরণীয় কীর্ত্তির স্মৃতি আমাদের হৃদয় হইতে মুছিয়া যায়। ইহার পর কোনও কথা প্রসঙ্গে কোনও ঐতিহাসিক তত্ত্বের কথা উঠিলে, বা কোনও বীরশ্রেষ্ঠের