বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:প্রবাস-চিত্র - জলধর সেন (১৯০৫).pdf/৪৫

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
নালাপানি
৩৯

পাহাড়। দেরাদুনের মধ্য দিয়া দুইটি ‘নহর’ (পয়ঃপ্রণালী) বহিয়া যাইতেছে। মসুরী পাহাড়ের পাদদেশে রাজপুর নামে একটি স্থান আছে। রাজপুরের একটা প্রকাণ্ড ঝরণাকে বাঁধিয়া রাজপুর হইতে দেরাদুনের রাস্তার পাশ দিয়া একেবারে নগরের মধ্যে আনিয়া ফেলা হইয়াছে। নগরের বাহির হইতেই তাহাকে দুই ভাগে বিভক্ত করিয়া, এক ভাগ কর্ণপুর নামক স্থান দিয়া ও অন্য ভাগ বাজারের পাশ দিয়া, প্রবাহিত করা হইয়াছে। এই দুইটি নহরের জলেই সহরের সমস্ত কাজ চলে, এতদ্ভিন্ন এই নহরের সঙ্গে প্রত্যেক বাড়ীর যোগ আছে। কিছু পয়সা খরচ করিলে, পয়সার অনুপাতে একঘণ্টা বা অধ ঘণ্টার জন্য, যাহার যতখানি দরকার, বাগানে কি অন্য কোথাও ব্যবহারের জন্য ততখানি জল পাইতে পারে। এই জন্য যথারীতি যোগাইবার জন্য লোক নিযুক্ত আছে, এবং তাহাদের আফিসও আছে, পূর্ব্বে লোকে এই নহরের জলই পান করিত, কিন্তু এ জলের একটি মহৎ দোষ আছে। এই জল পান করিলে লোকের গলা ফুলিয়া যায়, এই জন্য যাহাদের অর্থ আছে, তাহারা লোক জনের দ্বারা দূরস্থ অন্য কোনও ভাল ঝরণা হইতে জল আনাইয়া পান করে। নালাপানির এই জল আবিষ্কৃত হইলে কিছু দিন পর্য্যন্ত নগরের লোক ইহা আনাইয়া লইত, কিন্তু তাহা অপেক্ষাকৃত ব্যয়সাধ্য হওয়াতে সকলে আনাইতে পারিত না; পরে মিউনিসিপালিটী নাটীর নীচে পাইপ বসাইয়া নগরের মধ্যে জল আনিয়াছেন, এবং দেরাদুনের প্রশস্ত Parade groundএর দুই প্রান্তে