নিবেদন।
ঘটনাচক্রের পরিবর্ত্তনে আমার জীবনের কিয়দংশ হিমালয়ে অতিবাহিত হইয়াছিল। আমার সেই লক্ষ্যহীন ভ্রমণের কাহিনী লিপিবদ্ধ করিবার সঙ্কল্প ছিল না। সাহিত্য-সংসারে সুপ্রতিষ্ঠিত শ্রীযুক্ত দীনেন্দ্রকুমার রায় ও মহিষাদলের দীনবান্ধব ডাক্তার শ্রীযুক্ত ললিতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, এই বান্ধবদ্বয়ের নির্ব্বন্ধাতিশয়ে আমার হিমালয়ভ্রমণকাহিনী লিপিবদ্ধ করি। ভারতীর ভূতপূর্ব্ব সম্পাদিকা শ্রদ্ধেয়া শ্রীমতী সরলা ঘোষালের, এবং সাহিত্য-সম্পাদক স্নেহাস্পদ শ্রীমান সুরেশচন্দ্র সমাজপতির উৎসাহে এই ভ্রমণকাহিনীগুলি ভারতী ও সাহিত্যে স্থান প্রাপ্ত হয়। শেষ প্রস্তাবটি জন্মভূমিতে প্রকাশিত হইয়াছিল।
এক্ষণে, সেই ভ্রমণ-বৃত্তান্তের কতিপয় চিত্র সঙ্কলিত করিয়া এই প্রবাস-চিত্র, প্রকাশিত হইল। যদি পাঠকগণের প্রীতিপ্রদ হয়, ভবিষ্যতে আমার অবশিষ্ট ভ্রমণকাহিনী প্রকাশিত করিবার ইচ্ছা রহিল।
সোদরোপম স্নেহভাজন শ্রীমান্ রুড়মল গোয়েনকা, ও শ্রীমান্ সুরেশচন্দ্র ও যতীশচন্দ্র সমাজপতি ভ্রাতৃদ্বয়ের অত্যধিক আগ্রহ না হইলে, এই প্রবন্ধগুলি সাময়িক পত্রের পৃষ্ঠাতেই হয় ত চিরদিন থাকিয়া যাইত। ইতি
১৫ই বৈশাখ, ১৩০৬ সাল। |
শ্রীজলধর সেন। |