এখন যেরূপ ভাবে তাহা হইতেছে, সেরূপ প্রার্থনীয় নহে।
প্রায় সন্ধ্যা হইয়া আসিল দেখিয়া আমরা সন্ন্যাসীর নিকট বিদায় লইয়া উঠিলাম। সন্ন্যাসী আমাকে দুই তিনটা অপক্ক রুদ্রাক্ষ আনিয়া দিলেন, এবং বন্ধুকে একটি সুপক্ক বৃহৎ “পেঁপে” উপহার দান করিলেন। আমরা তাঁহাকে প্রণাম করিয়া, সেই পুণ্য তপোবন পরিত্যাগ পূর্ব্বক লোকালয়ের দিকে অগ্রসর হইলাম।
পথে আসিতে আসিতে সঙ্গী বন্ধুকে বলিলাম, দেরাদুনের চতুষ্পার্শ্বে যাহা দেখিবার, তাহা সমস্তই দেখা শেষ হইল, বোধ হয়, আর কিছু দেখিতে বাকি থাকিল না; বন্ধু আমার গর্ব্ব চূর্ণ করিবার নিমিত্ত অল্প হাসিয়া বলিলেন, তিনি আমাদের বাসস্থানের অতি নিকটেই এমন কিছু দর্শনযোগ্য বস্তু দেখাইতে পারেন, যাহা আমি সে প্রদেশে দেখিবার আশা করি নাই। আমি আকাশ পাতাল ভাবিয়া সেরূপ কোনও বস্তুর আবির্ভাব কল্পনা করিতে পারিলাম না, তখন তিনি সেই দিনই সেই আকাঙ্ক্ষিত বস্তু দেখাইবার জন্য প্রস্তুত হইলেন।
আর অধিক বেলা নাই দেখিয়া আমরা তাড়াতাড়ি চলিতে লাগিলাম। শীঘ্রই পূর্ব্বকথিত শ্মশানের নিকট উপস্থিত হইলাম। সেখান হইতে সম্মুখ দিকে আসিলেই আমরা বাসায় যাইতে পারি; কিন্তু সে দিকে না আসিয়া বন্ধুটি আমাকে দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গলময় পথে লইয়া চলিলেন। কিছু