পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/১০০০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় পরিচ্ছেদ ॥ BBBBB DD BBBB BBB BBB DDD BB BBBBB BBBBBB BBBB সঞ্চালন করিতে করিতে বলিলেন, “আসতে ত বললে, কিন্তু সে যদি বিনোদ না হয় ?” - జా గా గా గా- దాణా కాణా శా সন্দেহ নাই। “কিন্তু, অত করে তোমরা বললে, তব শেষ পৰ্য্যন্ত নাম পরিচয় সে স্বীকার কাচে ন্য কেন - “ রতন লিল, “তা ত করবেই না, বাবা। তার মনে একটা বৈরাগ হয়েছিল, তাই মা সে সংসার ছেড়ে পালিয়েছে! ভাবলে, এরা যদি এখন আমায় বিনোদ বলেই চিনতে পারে, জম হলে ধরপাকড় আরম্ভ করবে—আবার কি শেষে সেই সংসার বন্ধনে বাঁধা পড়ে যাব ! তাই মিথ্যে করে বলছে আমি সন্ধীর বোস।” - বন্ধ একটা হাসিয়া বলিলেন, “সাধ পর্ষ –সংসার বন্ধনে বড় ভয়, কিন্তু মিথ্যেটি মশে আটকায় না।”—কিন্তু তাঁহার এ ব্যঙ্গের ভাব অধিকক্ষণ রহিল না ; আবার গভীর ও দক্ষিপ্তগ্রস্ত হইয়া পড়িলেন। গৌরমণি বলিল, “আর একটা কথা ভেবে দেখন বাবা! সত্যিই যদি সে সন্ধীর বোস হত, তা হলে, দিদি যখন তার হাতে গঙ্গাজল দিয়ে বললে-বল আমি সুধীর বোস, আমি বিনোদ নই—তখন সে গঙ্গাজল ফেলে দিয়ে হাত মাছে ফেললে কেন ?” বন্ধ ওষ্ঠস্বয় কুঞ্চিত করিয়া বললেন, "পাগলী! ওতেই কি প্রমাণ হল সে বিনোদ । কাশী হেন স্থান, এখানে গঙ্গাজল হাতে নিয়ে দিব্যি করে, সত্যি কথা বলতেও অনেকের আপত্তি থাকতে পারে। বেশ করে ভেবে চিন্তে দাখ-শেষকালে চৌদ্দ পর্ষকে নরকে ডোবাসনে যেন ।” পিতার এই অবিবাসে রতন একটা চটিয়া, একটু উত্তেজিত স্বরে বলিল, “আমরা এত করে বলছি তব আপনার মনে সন্দেহ যাচ্চে মা বাবা ? আমাদের কি ধমৰ্ণধৰ্ম্ম জ্ঞান নেই একবারে ? আমি একগলা গঙ্গাজলে দাঁড়িয়ে বলতে পারি, সে বিনোদ ।” কন্যাকে কুপিত দেখিয়া হরিকিঙ্কর বলিলেন, “পাঁচ বছর আগে তোমরা তাকে দেখেছিলে—সেই বা ক'দিন ? মাঘ মাসে বিয়ে হল, জটি মাসের ষাটবাটায় এসেছিল—তিনটি দিন ত মোটে ছিল। তার পর, জন্মাষ্টমীর ছটিতে একবার এসেছিল। এক দিন না দুদিন ছিল বুঝি ?” "গৌর বলিল, “এক দিন এক রাত ছিল।” বন্ধ বলিলেন, “তবেই ত বোঝ দিকিন । তিন দিন আর এক দিন-চার দিন, এই স্ত তার সঙ্গে তোমাদের পরিচয় । আমি বরঞ্চ তাকে তোমাদের চেয়ে বেশীবার দেখেছি। যখন ছেলে দেখতে গিয়েছিলাম, তার পর আশীবাদের সময়, তার পর বিয়ের পর নয়নকে সেখান থেকে আনতে গিয়ে। সে যাই হোক, আসবে ত বলেছে—আসুক, দেখি।” রতন বলিল, “আপনিও দেখলেই তাকে চিনতে পারবেন বাবা! তবে আগেকার চেয়ে মাথায় একটা ঢেঙা হয়েছে, রঙটাও যেন একটা ফস হয়েছে—পশ্চিমে রয়েছে কিনা! কিন্তু সেই মুখ, সেই চোখ, সেই গলার স্বর, সেই কথা কবর ভঙ্গি।” পিতাকে সযত্নে আহার করাইয়া, নিজেরা খাইয়া, সংসারের কাষকলম সারিয়া গোঁয় ও নয়ন পাশের ঘরটিতে গিয়া তিন বোনের জন্য তিনখানি মাদর বিছাইয়া শয়নের উদ্যোগ করিল। রতনমণি পিতাকে শোয়াইয়। তাঁহার পদসেবা করিতেছিল, কিছুক্ষণ পরে পাণের ডিবা ও সত্তির কোঁটা হাতে করিয়া সেও অসিয়া প্রবেশ করিল। নিজের মাদরে বসিয়া জুই চারিটি অন্য কথার পর বলিল, “নৈনি, তোর বাক্সে সেই সে সাবান ছিল সে কি আছে ?” নরন বলিল, “আছে। কেন দিদি ?” “বের করে রাখিস। আর এই চাবি নে, বাবার ঘরের আলমারি খালে দটাে টকা বের ve>' -