পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/১১৮৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


একখানি অন্ত্যেষ্টি-ব্যয় জন্য, অপরখানি বাথার নামে। ধীরেনের মৃত্যুর পরদিন বাথার চেকখানি আমি ডাক্তার সাহেবের হাতে দিয়া যথাকত্তব্য তাঁহাকেই করিতে বলিয়াছিলাম। পরদিন বাথার সঙ্গে গিয়া আমি দেখা করিলাম। বাথর্ণ জিজ্ঞাসা করিল, “আপনি কবে লন্ডনে ফিরিবেন ?” বলিলাম, “তোমাকে আরোগ্যের পথে দেখিয়া, তারপর আমি যাইব ।” বাথা একটা মদ হাসিল। বলিল, “ধীরেনের কফিন ভাল জায়গায় আছে ত?” “আছে।” “দেখন, আমি মরিলে, আমাকেও যেন কবর দেয় না। আমিও দাহ হইব। এবং আমি বলিলাম, “বঝিয়াছি। ঈশ্বর করন, তাহা যেন আমায় না করিতে হয়। আপনি ভাল হইয়া উঠন।” বাথা বলিল, “ঈশ্বরের অভিপ্রায় কি, দেখা যাউক। দেখন, ধীরেনের সেই চেকের কথা। যদি আমি বাঁচি, ও চেক আমি লইব; যদি না বাঁচি, তবে ঐ টাকা এই হাসপাতালে, ধীরেনের সমতিরক্ষাথে দিয়া যাইব। ডাক্তার সাহেবকে আমি সে কথা श्रृलिशाछ् ।” - প্রতিদিন আমি গিয়া বাথার সংবাদ লইতাম । সপ্তম দিনে বাথর্ণর আত্মা তার প্রিয়তমের আত্মার অনুসরণে অনন্তের পথে ছটিল। - পরদিন রাত্রের ট্রেণে, একযোড়া কফিন বকে করিয়া, একই ভ্যানে, পাশাপাশি রাখাইয়া লন্ডনে লইয়া গেলাম। ক্লিমেটেরিয়মের অধ্যক্ষকে যাত্রার পবেই টেলিগ্রাম করিয়াছিলাম। অপরাহ্ল কালে লন্ডনে পৌছিলাম। টেশনে তাহদের শববাহী গাড়ী আসিয়া অপেক্ষা করিতেছিল। সেই গাড়ীতে উভয় কফিন লইয়া, দাহগহের একটি লৌহময় চেবারের মধ্যে দটিকে পাশাপাশি সস্থাপন করাইয়া, ফলে কিনিতে গেলাম। ফিরিতে সন্ধ্যা হইল। শখানেক টাকার ফল ও মালা কিনিয়া আনিয়াছিলাম, কফিন দুইটির উপর সেগুলি সাজাইয়া দিলাম। তার পর, চেম্বারের লৌহবার রন্ধ হইল। অধ্যক্ষ, বিদ্যুৎগহে প্রবেশ করিয়া, সুইচ টিপিয়া দিলেন। “এইবার তোদের ফলশয্যা হোক”—বলিয়া, চোখে রমাল দিয়া মাতালের মত চলিতে টলিতে সে সস্থান পরিত্যাগ করিলাম। দত্ত সাহেবের কাহিনী শেষ হইল, তখন রাত্রি প্রায় ১টা। “বাই জোভ! হয়েছে ?”—বলিয়া শ্রোতৃগণ উঠিলেন । নীচে নামিয়া, নিজ নিজ মোটরে অৰ্বে পরিত্যাগ করলেন । রেলে কালসন প্রথম পরিচ্ছেদ ॥ বগবাস কলেজে বি এ পড়িতেছিলা এমন সময় বঙ্গভঙ্গের ঘোর-আলোক্স উপস্থিত হইল। পড়াশনা পরিত্যাগ করিয়া সভা-সমিতিতে ছটাছটি, ফেডারেসন হলের জন্য চাঁদা সংগ্রহ, এবং সবদেশী বস্ত্রের মোট কাঁধে করিয়া বাড়ী বাড়ী বিক্ৰয় করিতে লাগিলাম। দই একটা সভায় বক্ততা করিবার পর, সবক্তা বলিয়া কিছু খ্যাতি অর্জন করা গেল। মনে আছে বীডন উদ্যানে এক সভা অন্তে স্বয়ং সরেন বড়িয্যে আমার পিঠ থাবড়াইয়া বলিয়াছিলেন, “জিতা রও বাবা ” এই সময় কলিকাতা ইউনিভারসিটির নাম ইেয়া গেল—“গোলামখানা”। কে একজন, একধুনা কাগজে বড় বড় অক্ষরে "গোলাম - ーニ - Tল ২৫৩ م - بعين - عه