পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/১৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Q*NS سوي" జ్ఞా ಧ್ಧಿ কোনও আশংকা নেই এ কথা ডাণ্ডার আজ সকলে বলে গেলেন। ডাক্তার চলে যাওয়ার পর, সরোজ আমায় বললে আপনাদিকে তার অসখের খবর ಕ್ಲಿಕ! তাই আমি আপনাদের নিতে এসেছি। মিস সানাল—দয়া করে—পাচ মিনিটের মধ্যে। লীলা ছটিয়া উপরে চলিয়া গেল। পিতা ત્રઃ উভয়ে যখন গিয়া সরোজের বাসায় পৌছিলেন, তখন সরোজ আবার ঘমাইয়া পড়িয়াছে। ডাক্তারকে ইসারায় ডাকিয়া হরিনাথ জিজ্ঞাসা করিলেন, “কেমন বঝেছেন ?” হাসিয়া বলিলেন, “আর কোনও ভয় নেই। ২১ দিন সম্পর্ণে বিশ্রাম, আর কিছুই দরকার হবে না। কাল না হোক—পরশ নিশ্চয়ই উনি আবার তাজা হয়ে উঠবেন।” লীলা সারাদিন সরোজের পাশে বসিয়া কাটাইল। সরোজ মাঝে মাঝে জাগে, বেশ কথাবত্তি । কহে, আবার ঘমাইয়া পড়ে। জাগিলে, লীলা তাহাকে একটা একটা গরম দুধ খাওয়ায় । - tধ এদিন এইভাবে কাটিল। পরদিন, বেশ উন্নতি দেখা গেল। আজ, নিদ্রাকাল তপে —ঞ্জাগরণ-সময় অধিক । - এক সময় লীলা ছাড়া ঘরে আর কেহ নাই দেখিয়া সরোজ জিজ্ঞাসা করিল, “বাবাকে সে কথা বলেছিলে লীলা ?” “বলেছিলাম।” “তিনি রাজি হয়েছেন ?" “হয়েছিলেন।” লীলা যে হয়েছেন না বলিয়া হয়েছিলেন বলিল, রোগীর মসিককে তাহার প্রভেদ বঝিতে পারিল না। "ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।”—বলিয়া সরোজ আবার ঘামাইয়া পড়িল। তার প্রফুল্ল মুখখানি দেখিয়া, লীলার প্রাণের ভিতরটা হাহাকার করিয়া উঠিল; কারণ ইহারই মধ্যে মনে মনে সিথর সুস করিয়াছে—এ বিবাহ হইতে পারে না। এখন নয়— স্বারোজ বেশ ভাল হইয়া উঠক, তখন মুিনতি করিয়া, নিজবাক্য ফিরাইয়া লইতে হইবে। ডাক্তারের কথাই সত্য হইল। পরদিন সরোজ বেশ চাৎগা হইয়া উঠিল । তারষোগে iষ সংবাদ আসিয়াছিল, জামমণি লটারির বোম্বাই এজেণ্ট পত্রযোগেও সে সংবাদ জানাইয়াছেন। তিন সপ্তাহ পরে জামাণি হইতে চেক আসিবে, ইহাও তিনি লিখিয়াছেন । সরোজ তাহার কমে ইস্তফা দিতেই প্রস্তত হইয়াছিল, কিন্তু হরিনাথবাবর পরামশে সে তাহা করে নাই—মেডিক্যাল সার্টিফিকেট দিয়া একমাসের ছটি লইয়াছে। এক সপ্তাহ কাটিয়াছে। জামর্শণীর ডাক আসিয়া পৌছিতে এখনও বিলম্ব আছে। জাম্মীণী হইতে চেকখানা আসিয়া পেশছিলেই মল্য দিবার কড়ারে ইতিমধ্যে বাইশ হাজার টাকা মল্যের একখানি রোলস রয়েস মোটরকার সে কিনিয়াছে। সে গাড়ী এখন দোকানের আস্তাবলেই আছে—বাড়ী কেনা হইলেই গাড়ীখানা অানা হইবে। প্রতিদিন প্রাতে ও বৈকালে গাড়ী আসিয়া সরোজের মেসের বোরে দাঁড়ায় । সরোজ তাহাতে আরোহণ করিয়া যেখানে ইচ্ছা যায়। একখানি ভাল বাড়ীর সন্ধানেও সে আছে। বেলা ১টার সময় নবক্ৰীত মোটরে চড়িয়া সানাল ভবনে আসিয়া সরোজ দেখিল, নিনে খানা-কামরায় লীলা রহিয়াছে—তাহার পিতা ছোট হাজরী সারিয়া উপরে চলিয়া গিয়াছেন। সরোজ বলিল, “লোয়ার সাকুলার রোডে একখানি ভাল বাড়ীর খবর পেয়েছি লীলা। বৰ্তমান মালিক বছর আগে দেড় লাখ টাকায় সেখান নিছিলেন। এখন