পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/১৬০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ষড়যন্ত্রটা বাহির হইল মিস্টার সাবাটিনি, তোমার বাহাদরী নয় ? তারপর ‘পাপা কি বলিলেন ?” সাহেব বলিল, “রাজি—on the spot ' বিবাহ সিথর।” রায় বলিল, “সাবাটিনি তোমার বেয়ারাকে ডাক ত, একখানা টেলিগ্রামের ফম দিক । সেই রাসেকল যোশীকে আনন্দ সংবাদটা তার করিয়া দিই।” রায়ের মোটর গাড়ী রাস্তায় দাঁড়াইয়া ছিল। টেলিগ্রাম লিখিয়া, নিজ শোফেয়ারকে ডাকাইয়া রায় উহা বড় তারঘরমে 'লাগাইয়া আসিতে আদেশ দিল । সাবাটিনি বলিল, “আজিকার আনন্দ উৎসবটা শ্যাক্ষেপনে সম্পন্ন করা যাক --অবশ্য মিসেস রায় যদি অনুমতি করেন।” মিসেস রায় অনুমতি দিলেন। শ্যাম্পেন আসিল। বয়, তিনজনের সম্মুখে তিনটি শ্যাম্পেন গলাস রাখিল। স্কুমারী এক গলাসের বেশী গ্রহণ করিল না। ইহারা দই মত্তি দেখিতে দেখিতে শ্যাম্পেনের বোতল শেষ করিয়া, হইস্কির ও সোডার আনুগত্য স্বীকার করিলেন। হাস্য পরিহাসের মধ্যে গল্প খুব জমিয়া উঠিল। গল্পের মধ্যে ষে তথ্যগুলি প্রকাশ পাইল তাহা দফাওয়ারি এই ঃ– (১) যোশী, বসন্ত ও সাবাটিনি তিনজনে একই সময়ে লন্ডনে প্রবাস-যাপন করিয়াছিল—তখন হইতেই ইহাদের বন্ধত্ব। (২) সাবাটিনি যথার্থই হিপনটিজম ও মাজিক বিদ্যা শিক্ষা করিয়া, প্রাচ্য দেশে অথোঁপাতজনের চেষ্টায় আসিয়াছিল : সে প্রথমে সিমলায় গিয়া যোশীর আতিথ্য গ্রহণ করে। এবং সেইখনেই বন্ধর প্রণয়-সঙ্কটের বিষয় অবগত হয়। (৩) যোশী ও প্রমীলার মধ্যে বসন্ত ও সঙ্কুমারী মারফৎ রীতিমত প্রেমপত্র-বিনিময় চলিত। প্রমীলার পীড়ার সময়, স্কুমারী প্রত্যহ যোশীকে টেলিগ্রাম করিত প্রমীলা কেমন আছে । (৪) বাকশক্তি হারাইবার ভাণ করার মৎলব সব্বপ্রথমে সাবাটিনির মস্তিকেই উদিত হয়। পরে পল্লযোগে বসন্ত ও সঙ্কুমারীর সহিত এ ষড়যন্ত্র পাকা করা হইয়াछुिळ । কিন্তু পিতামাতার সহিত এরপে প্রতারণা করা প্রমীলার অত্যন্ত অন্যায় হইয়াছিল সন্দেহ নাই—অন্ততঃ, আমাদের মতে। কিন্তু পাশ্চাত্য মত এই যে, Everything is lair in love and war-teza a Trg îşEŘ tāīrsą Rz এক মাসের মধ্যেই বিবাহ হইয়া গেল। সাবাটিনি তখনও কলিকাতায় ছিল, তাহারও নিমন্ত্রণ হইয়াছিল। যৌতুকরাশির মধ্যে দেখা গেল, নবগোপালবাবর প্রদত্ত চেক দুখানি, বরকন্যাকে সাবাটিনির উপহার। সাধার বিবাহ 卤夺 বহদায়তন সন্দর সসজিত কক্ষ। কত্তা সাটিনমোড়া সোফায় হেলান দিয়া, রপার গড়গড়ি হইতে সোণার মাখনলে ধম আকর্ষণ করিতেছিলেন। গহিণী অদরে এক গাঁদমোড়া চেয়ারে বসিয়া ছিলেন। কত্তা-গিন্নীতে কথাবাত্তর্ণ হইতেছিল। গিন্নী বললেন, “আর তুমি দোমনা করছ কেন ? অতুলের সঙ্গেই খকেীর বিয়েটি দিয়ে ফেল। দেখতে দেখতে মেয়ে ডাগর হয়ে উঠল, যেঠের কোলে চৌদ্দ বছরে পা দিয়েছে, আর দেরী হলে সমাজে মাখ দেখাব কেমন করে?” কত্তা বলিলেন, “দেখ, তুমি ও-সব মতটতগলো ছাড়। মেয়ে চৌদ্দ বছরের হয়েছে ত ভারি একেবারে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে গেছে কিনা হ্যাঁ!” গিন্নী বলিলেন, “আবার কি ? হিন্দরে ঘরের আইবড়ো মেয়ে চৌদ্দ বছরের হলে १९