পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/১৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কত্তব্য নয়, ডোরা ?” “ভালই থাকবেন, নিরঞ্জনবাব –আচ্ছা, না হয় কালই আমি যাব। কি বলেন ?” “আমার বলার আর মুল্য কি, বল ।” ডোর হাসিয়া নিরঞ্জনের হাত ধবিয়া বলিল, “আপনি ভারি ছেলেমানষে !” নিরঞ্জন বলিল, আমি ছেলেমানুষ যদি, তবে আমাকে তুমি, আপনি, মশাই, নিরঞ্জনবাব-–এসব বল কেন " ডোরা বলিল, “বয়সে কি ছেলেমানষে ? বন্ধিতে ছেলেমানষে।” নিরঞ্জন বলিল, কাল থেকে, রোজ বিকেলে ট্যাক্সিতে গঙ্গার ধারের রাস্তায়, ময়দানে, ডাক্তার আমায় বেড়াতে বলেছেন, শঙ্কনেছ ত ?” “শনেছি ייו “তবে ?—সে সময় তুমি যদি আমার সঙ্গে না থাক, আমার হঠাৎ যদি কিছ হয় ?” “আমি বুঝি রোজ রেজ তোমাকে সঙ্গে করে হাওয়া খেতে নিয়ে যাব ? এটাও কি নাসাঁদের একটা ডিউটির মধ্যে গণ্য নাকি ?”—বলিয়া ডোরা হাসিতে লাগিল । নিরঞ্জন বলিল, নাস আর রোগী—মানুষের সঙ্গে মানুষের এ ছাড়া কি আর অন্য কোনও সম্মবন্ধ হ’তে পারে না ?” এই সময়ে রামকৃষ্ণ খানসামা আসিয়া বলিল, “দিদিমণি, তোমার ভাত দিয়েছে, খাবে এস ” ডোরা উঠিল। নিরঞ্জন খপ করিয়া ডোরার একটা হাত ধরিয়া ফেলিয়া বলিল, “আমার কথার জবাব দিয়ে যাও ।” ডোরা রামকৃষ্ণের দিকে ফিরিয়া বলিল, “দেখছ রামদা, আমি ক্ষিধেয় মরছি, আমায় যেতে দিচ্ছেন না !” নিরঞ্জন ডোরার হাত ছাড়িয়া দিল। ডোরা হাসিতে হাসিতে বাহির হইয়া গেল। ডোরা আসনের উপর বসিয়া খাইতে আরম্ভ করিল। আদরে রামকৃষ্ণ বসিয়া তাহার সহিত কথাবাৰ্ত্তণ কহিতে লাগিল। এ কথা, সে কথার পর বলিল "দিদিমণি, দাদাবাবদ ত আরাম হয়ে উঠলেন, এইবার তুমি—” বন্ধের কথা আটকাইয়া গেল। ডোরা মুখ তুলিয়া বলিল, “এইবার আমি—কি রামদা ? আমায় বিদায় করতে চাচ্ছ ?” রাম বলিল, “না না-বিদায় কেন ? বিদায় কেন ? সে কথা কি আমি মখে আনতে ੋਂ DDBS BB BBBBB BBBS BBB BB BBSBBS BB BBBB থাকলে—” ডোরা পাতে : নিকটা মাছের ঝোল ঢালিয়া বলিল, “কেন, তুমি ত আমায় রোজ দশটি করে টাকা কী যুগিয়ে যাচ্ছ। ভাবছ বোধ হয়, এখন আর আমার মানবের টাকাগলো মিছে কেন লোকসান হয় তোমার মানবের ত গাদা গাদা টাকা রামদা— পাঁচশো গাধায় বইতে পারে না। আমি না হয় রোজ দশটা ক’রে টাকা নিলামই বা!” রামকৃষ্ণ বলিল না না, সে কথা কি বলছি দিদিমণি ? তা নয়। তবে কিনা—” ডোরা করিম কোপ সহকারে বলিল, “যাও যাও রামদা, বড়ো হয়ে তোমার ভীমরতি ধরেছে—আমি কোথাও যাব না, আমি এইখানে থাকব। আমি খন্টান বলে যদি তোমাদের আপত্তি থাকে-এ কি সব বলে আজকাল, শান্ধি-টধি করিয়ে আমায় হিন্দ ক’রে নাও না! দুদিন না হয় খন্টানই হয়েছি-হাজার হোক হিদের মেয়ে ত বাঁট!” রামকৃষ্ণের মখে বিষাদের ছায়া পড়িল । সে নতনেত্রে বসিয়া রহিল। অবশেষে বলিল, “আমার কথা তুমি বুঝতে পারছ না দিদিমণি।" ডোরা বলিল, “আমি খুব বুঝেছি। যাও, তুমি এখন খেতে বসগে—১১টা বেজে গেছে। আমি তোমার দাদাবাবরে জাত মেরে দেবে না, কিছল ভয় নেই। হ্যাঁ, জাত సిని