পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/২১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ক্লমে বধিত হইয়া উঠিল। তার পর কিছু দিন আর সে সাহেবের দশন পাওয়া গেল না। একদিন কলেজে যাইবার পথে বীণা বলিল, “দেখ বেয়ারা, তুমি ১১টার সময় খেতে বাড়ী যাও ?” কানাই বলিল, ‘জী হজের।” “তুমি আমার একটি কাজ করিতে পারবে ? আমি তোমায় বখশিস দেবো।” "কেন পারবো না হজের " “তোমার বাসা কালীঘাটে ত? টাউনসেন্ড রোড জান ?” “জনি হাজর, তানসেন রোট আমার পথেই পড়ে।” “এই চিঠিখানি নাও । এই নম্বরে গিয়ে চিঠিখানি দেবে। যা জবাব পাও তা নিয়ে আসবে। কিন্তু, আমার এ চিঠি কিংবা সে জবাবের চিঠি, কেউ যেন দেখতে না পায়। জবাব এনে চাপি চপি তুমি আমায় দিলে, আমি তোমায় বখশিস দেবো।" “বহৎখ হজের”—বলিয়া কানাই সেলাম করিষা, পত্ৰখানি লইয়া, নিজ পকেটের মধ্যে লুকাইল। -- ~~ খাইতে ছটি পাইয়া বাড়ী যাইবার সময় কানাই পদ্মপকূরের বাগানে প্রবেশ করিল। খামের মাখ জলে ভিজাইয়া, চিঠিখানি বাহির করিয়া পড়িল । যা ভাবিয়ছিল, তাই । প্রেমপত্র। কয়েক দিন হইতে প্রণয়ী যবেক জররোগে আক্রান্ত হইয়া শয্যাশায়ী—তাই BB BBBB BBBBBB BBBB BBBS Bu BBBS BBBBBS BBB BB BBB বলিল, “ওরে ছড়ি! ডবে ডুবে জল খাস তুই ।” আবার উহা খামে বন্ধ করিল। জলে ভেজা অংশটুকু যাহাতে ভাল করিয়৷ শকাইয়া যায়, সেই উদ্দেশ্যে উহাতে রৌদ্র লাগাইতে লাগাইতে টাউনসেন্ড রোডে পেপছিয়া যথাস্থানে উহা দিল। সাহেবের বেয়ারা আসিয়া বলুিল, “কাল এই সময় এসে জবাব নিয়ে যেও।” পরদিন বিপ্রহরে নিজ বাসায় যাইবার পথে, জবাব লইয়া, কানাই পত্ৰখানি বাসায় গিয়া উহা খলিয়া পাঠ করিল। আরও কয়েকদিন কানাইকে এইরপ ভাবে পত্র বহন করিতে হইল। বলা বাহুল্য । পর্বের্ণক্ত প্রক্লিয়ায় প্রত্যেক পত্র খলিয়া সে পড়িল । উভয়ের পত্রগুলি হইতে ইহা সে জানিতে পারিল যে, এই সাহেব মিস বীণার পাণিপ্রাথী হইয়া ব্যানাজি সাহেবের সহিত সাক্ষাৎ করিয়াছিলেন। কিন্তু পাত্রের পিতা খন্টধৰ্ম্ম গ্রহণ করিবার পর্বে ধোপা ছিলেন বলিয়া, ব্যানজি সাহেব আপত্তি করেন। মৌখিক অবশ্য কন্যার অলপ বয়সের জন্য আপত্তি জানাইয়াছিলেন। পরপরের দেখা সাক্ষাৎ পয্যন্ত নিষেধ করিয়াছিলেন। সযোগ মত পলাইয়া, চন্দননগরের গিজায় উভয়ে বিবাহিত হইবার পরামর্শ এখন ইহাদের চলিতেছে। কানাইয়ের বেশ বকশিষ লাভ হইতে লাগিল । প্রণয়ী সাহেব সুপথ হইয়া পনরায় কলেজের পথে বীণার সহিত সাক্ষাৎ ও পত্র বিনিময় করিতে লাগিলেন। ক্ৰমে পজার বন্ধ আসিল। ছটির মধ্যে একদিন বীণা গোপনে কানাইয়ের হাতে একখানা ডাকের চিঠি দিয়া বলিল, “বাড়ী যাবার সময় এই চিঠিখানি তুমি ডাকে ফেলে দেবে।” কানাই চিঠিখানির ঠিকানা দেখিল, সেই প্রণয়ী সাহেবেরই নাম, তবে ঠিকানা চন্দননগর। খলিয়া উহা সে পাঠ করিল। বীণা লিখিয়াছে, তাহার পিতা বায় পরিবত্তনের জন্য শীঘ্রই দেরাদন যাইবেন স্থির করিয়াছেন। তাঁহার অনুপস্থিতির সুযোগে সে পলাইয়া চন্দননগরে যাইবে, বিবাহের সমস্ত যেন ঠিকঠাক করিয়া রাখা হয়।--চিঠি ফল মই জ্ঞা মেট্রে मृिळन ॥ २e