পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/২৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তুইও সেই রকম বলবি। আর এই নে, দটি টাকা, কাল যাবার সময় পথে জলটল খাবি।”—বলিয়া তাহার হাতে দুটি টাকা দিলাম। গোবন্ধন হাত ষোড় করিয়া বলিল, “আজ্ঞে কত্তা যখন লিষেদ করলেন, তখন এ সব কথা আমি চেপে যাব বইকি। ছিছি, এ সব কি পেরকাশ করবার কথা ?” টাকা দুটি টেকে গজিতে গজিতে বলিল, “কিন্তু মাঠাকরণ ঐ যে বললেন ছেলের আবার বিয়ে দেবেন সেটা বাবঠাকুর ?”—বলিলাম, “না রে না। ওটা রাগের মাথায় বলেছেন বইত নয়। ওকি একটা কথা হল ? ও-সব কথা কিছু তুই প্রকাশ করিসনে ৷” গোবদ্ধন স্বীকৃত হইল। বলিলাম, “দেখিস বাবা । ব্রাহ্মণের কাছে কথা দিয়ে যেন কথার খেলাপ করিসনে ৷” ... " ཝ་ག ༣.རྫ༢ ཐལ”a ༦༢༢་༠ হবে না।”—বলিয়া সে আমার পদধলি লইয়া প্রস্থান রল ৷ কয়েক দিনই লক্ষ্য করিলাম, ছেলেটার মনে সুখ নাই, মুখখানি বিষন্ন করিয়া বেড়ায়। তার গভর্ধারিণীর আচরণে মনে সে ব্যথা পাইয়াছে। তাহাও বটে,—এবং সেই জামাইষষ্ঠীর সময় গিয়াছিল, পূজোর ছটীতেও শবশরে-বাড়ী যাইবে আশা করিয়াছিল, তাহার স আশা ভঙ্গ হওয়াতেও বোধ হয় সে মনঃক্ষম । এখনই না হয় বড়া হইয়াছি, কিন্তু যে বয়সের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা, যে সাধ-আহমাদ, তাহাও ত জানি! ফালগন মাসে উহার পরীক্ষা। মাঘ মাস গেলেই বিবাহের এক বৎসর পণ্যে হইয়া যাইবে, ছেলে বাড়ী আসিবার পর্বেই বোমাকে আনাইয়া রাখিব। দেখিতে দেখিতে মহাপজা আসিয়া পড়িল। উৎসবের হাওয়ায়, বন্ধবোধবের সাহচর্যে ছেলের মুখখানিও আবার প্রফুল্ল হইয়া উঠিল। দুই ছুটি ফরাইলে বাক্স-বিছানা বধিয়া প্রফুল্ল বদ্ধমানে ফিরিবার জন্য প্রস্তুত হইল। বলিল, এবার বড়-দিনের ছয়টিতে আর বাড়ী আসিবে না, কারণ, তখন পরীক্ষা অত্যন্ত সন্নিকট-পড়াশনা লইয়া তাহাকে অত্যন্ত ব্যস্ত থাকিতে হইবে। পরীক্ষা শেষ হইলে, একেবারে ফালগন মাসে আসিবে । গহিণী বললেন, "চা-র মা—স। চার মাস বাদে বাড়ী আসবি ? মাঝে একটা ছাটি-ছাটাতে দু’তিন দিনের জন্যেও এসে দেখা দিয়ে যেতে পারবি নে ?” প্রফুল্ল বলিল, “ছাটি-ছটা তেমন আর কই ?” “কেন জগন্ধাত্রী পজোর ছটি, তবে গিয়ে সরস্বতী পজোর ছটি?” “জগন্ধাত্রী পজোর দুদিন ছটি আছে বটে, সঙ্গে একটা রবিবারও পড়েছে। কিন্তু তিন দিনের জন্যে আসতে গেলে সাতটি দিন পড়াশুনোর ক্ষতি। আগে দুদিন কতক্ষণে বাড়ী যাব কতক্ষণে বাড়ী যাব এই করে করে পড়ায় মন বসবে না। ফিরে গিয়েও, পড়ায় মন বসাতে দুদিন লেগে যাবে।” গহিণী বলিলেন, “সারা বছরই ত মেহনত করলি বাবা, এক হস্তায় আর কি এসে যাবে? তাতে কি আর পাস হওয়া আটকাবে?” ছেলে বলিল, “পাস হওয়া না আটকাতে পারে। কিন্তু শধ্যে পাস হলেই ত চলবে না মা ! গতবারে যেমন জলপানিটি পেয়েছিলাম, এবারও যাতে সেই রকম পেতে পারি সেই ੱਖੋ করছি কিনা।” পড়াশনায় প্রফুল্লর বরাবরই খাব আঠা —অন্য ছেলেদের যেমন "ওরে পড় রে ওরে পড় রে" বলিয়া তাগাদ করিতে হয়, প্রফুল্লকে কোনও দিন সেরাপ করিতে হয় নাই। ছাত্রাণাং অধ্যয়নং তপঃ—ছেলে আমার সে তপস্যায় কোনও দিন অবহেলা করে নাই। তাই আমি বলিলাম, "প্রফুল্ল মা বলছে তা ঠিক কথাই। আচ্ছা বাবা, পরীক্ষা হয়ে গেলেই তুমি এস। ཨ”༢ ༡༧༣ །གལ། ཧྥུ། ཐ་མ་ཅ se Tr $8)