পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/২৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


& * あエー তার কি ৷” মাঝে রধিতাম, পালা ছিল। হাতে-কলমে শেখা +---= ದfಳಗಾನ ziT7 ইন্দবাব হাসিতে লাগিলেন। মনোরম বিস্মর ও শ্রদ্ধামশ্ৰত দাতে বামন ਡਾ਼ ਅੱਜ চাহিতে লাগিল। ইন্দবাব, বললেন, “তোমার খালসের বাঝ আর এক বছর বাকী আছে ?" aবও বলিল, “দশ মাস ৷” r- - “দশ মাস ? হয় ত শেষে গড়কডাষ্ট্রের (সচ্চরিত্রতার) জন্যে এক মাস তুমি রেহাই পাবে। তবে তুমি স্বদেশী কয়েদী, বলা যায় না, এ অনুগ্রহ গভর্ণমেণ্ট তোমায়- ః করতে পারেন। আপাততঃ আমি ব্যবস্থা করেছি, आर्वान झीश আমার বাসা থাকবে, ও-বেলা তখন খাবার-টাবারগুলো করে দিয়ে পাচটার সময় জেলে ঢকবে সারাদিন বসে তুমি কি করবে ? তুমি তোমার আত্ম-জীবন-চরিত লেখ, খালাস হয়ে সে বই তুমি ছাপাবে। সবদেশীর যে রকম হিড়িক, তোমার বই হয়-হন করেই বিকুণী হবে। যত দিন আবার কাজ-কম একটা না জোটাতে পার সেই বইয়ের অীয়ে তোমার চলে যাবে।” পরামশ ভাল ৷” শরৎ বলিল, “যে আজ্ঞে, আপনার এ পর \وع > পরদিন বড়খোকা (নগেন্দ্র) ইস্কুল হইতে ফিরিয়া একখানা বাধানো এক্সারসাইজ বকে (খাতা) বামন-ঠাকুরকে দিল। , মা তাকে পয়সা দিয়াছিলেন। छ्झ তিন মাস অতীত হইল, কিন্তু ইন্দবাবর বামন-ঠাকুর ফিরিয়া আসিল না। মনোরমা বলিল, “ওরা ত ঐ রকমই করে। একবার ছটী নিয়ে দেশে গেলে আর সহজে আসতে চায় না।” ইন্দবাব বলিলেন “×বশরের বিষয়-সম্পত্তি পেয়ে তার বোধ হয় অবস্থা ফিরে গেছে, আর চাকরী করবার দরকার নেই। কাজ ত চলে যাচ্ছে। কিন্তু শরৎও বোধ হয় আর বেশী দিন এখানে থাকবে না।’ “বদলির হুকুম এসেছে নাকি?” “না, আসেনি এখনও। কিন্তু আসতে কতক্ষণ স্বদেশী কয়েদীকে গভর্ণমেণ্ট বেশী দিন ত এক জেলে রাখে না।” "এখানে কত দিন হ’ল ওর ?” “মাস-ছয়েক হ’ল বুঝি।” "ওর মেয়াদের ত আর ছ'মাস মাত্র বাকী আছে । বেশ কাজ-কলম করছিল, অতি ঠান্ডা স্বভাব, সচ্চরিত্র—বাকী ছটা মাস এখানে ও থাকলেই বেশ হত !" এই তিন মাসে শরৎ সকলেরই প্রীতভাজন হইয়া উঠিয়াছে। অন্যান্য কয়েদী যাহারা জেলরবাবর বাড়ীতে আসিয়া গহকাৰ্য্য করিবার হকুম পায়, একটা দলভ সযোগ তাঁহারা লাভ করে-লুকাইয়া তামাক খাইতে পায়। বাড়ীর চাকর-বাকরের সঙ্গে ভাব করিয়া, এই সুবিধাটুকু ভোগ করিয়া লয়। কিন্তু জেলে ত তামাক খাবার কোনই উপায় নাই। শরৎ তামাক, সিগারেট, বিড়ি কিছুই খায় না। এমন কি, আহারান্তে পাণ পৰ্য্যন্ত নয়। প্রথম দিন শরতের আহার হইয়া গেলে মনোরমা ভূতা-হস্তে দলটি পাণ তাহাকে পাঠাইয়া দিয়াছিল, কিন্তু শরৎ বলিয়াছিল, ”মাকে বল, পাণ ত আমি খাইনে। দয়া করে দলটো সপরি-লবঙ্গ যদি দেন ত খাই ।” বড়খোকা, ছোটখোকা, এমন কি, মোক্ষদার ছেলেটির সঙ্গে পৰ্য্যন্ত শরতের অত্যন্ত ভাব। বড়খোকাকে শরৎ কত দেশ-বিদেশের গল্প বলে, বিশেষ নেপোলিয়নের যুদ্ধের গলপ এমন সন্দের করিয়া বলিতে পারে যে, শধ্যে বড়খোকা নহে, মনোরমা, মোক্ষদাও শনিয়া মগধ হইয়া যায়। মনোরমা ত এখন শরৎকে দেখিয়া মাথায় কাপড় পৰ্যন্ত দেয় না। মনোরমা বলে, ”ও ১৬৬ - -