পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কোমল কণ্ঠস্বর কি এই ? এ যে ভাঙ্গা জডান, সংকুচিত বাধাপ্রাপ্ত স্বর, কিন্তু নিরতিশয় মধর।—এইরুপ ভাবিতে ভাবিতে রজনীশেষে তাহার নিদ্রাকৰ্ষণ হইত। সবগুন SGSBBS B BBBB BB BBBBB BBBBBBB BBBBBS BB BBBB BBBB চন্দ্র পথিবীর উপর বেশী করিয়া উন্মাদন বর্ষণ করিত, সে ররিতে হয় ত কল্পনা করিত যেন এক সমদ্রবেষ্টিত জনহীন বীপের প্রান্তরে বেড়াইতে বেড়াইতে সহসা শৈলবালার সাক্ষাৎ পাইল। তখন নতন নতন বিবাহ হইয়াছে। শৈল, তুমি এখানে কেমন করিয়া আসিলে ?—কেমন করিয়া আসিয়াছে, তা ত শৈল জানে না।. বাড়ীতে বিছানায় মা’র কাছে শইয়া ঘুমাইতেছিল, জাগিয়া দেখিল এই বনে আসিয়া পড়িয়াছে। বোধ হয়, আরবোপন্যাসের জিনি-দৈত্য অথবা পরীদের রাজা উড়াইয়া আনিয়া থাকিবে । সমুদগজনি শুনিয়া ভয় পাইয়া শৈলবালা কাঁদিতেছিল। এখন তার ভয় করিতেছে ন i মোহিনী যেন বলিল, তোমার ক্ষুধা পাইয়াছে, তোমার জন্য ফল সংগ্ৰহ করিয়া আনি ? শৈল বলিল, না আমি একলা থাকিতে পারিব না, আমার ভয় করিবে যে। তরে চল দুইজনেই যাই। কিন্তু শৈল কি সেই কঙকরাকীর্ণ পথে চলিতে পারে ? চল তোমায় কোলে করিয়া লইয়া যাইব।—ফল যদি না পাওয়া যায় ? ফল যদি থাকে, তার জল যদি না থাকে ? কি হইবে ?—বিধাতা যেন মত্তিমান হইয়া বলিয়া গেলেন—তোমাদের পরম্পরের জন্য পরস্পরের মুখে চম্ভবনের অমত সঞ্চিত রাখিয়াছি, ফুল ও জলের প্রয়োজন হইবে না।—আর কত সমস্ত অসম্ভব কলপনা। সে আর বলিয়া কায নাই । শুনিলে বিজ্ঞ লোকে বিদ্রপের হাসি হাসিবেন। নাটক নভেল মোহিনীর বস্তর পড়া ছিল। সে যে ভালবাসার পথে পদাপণ করিল, তাহা বেশ জানিয়া শুনিয়াই করিল। সে পথ বড় পিচ্ছিল। প্রণয়ের সে বাপীতে নামিতে নামিতেই জল একগলা হইল । দেখিতে দেখিতে অগাধ জলে গিয়া পড়িল। কি সিমন্ধতা তাহার সবত্বশরীরকে আলিংগন করিল। চারিদিকে পদ্মবিকাশ। ডবিয়া মরিতেও সুখ আছে। এখন অবধি অশ ডাকিলে মোহিনী আর সহজে তাহাদের বাড়ীতে যাইতে চাহিত না। মনে ষোল আনা ইচ্ছা যাইবার ;–কিন্তু বোধ হইত, যেন সকলে তাহার এ ভাবপরিণত্তন ধরিয়া ফেলিয়াছে। যেন কত অপ্রতিভ হইয়া থাকিত ; একদিন শাঁনাচরণবাব মোহিনীকে দেখিয়া বলিলেন, “বাপ আমার অনেক দিনের সাধ, শৈলর সঙ্গে তোমার বিবাহ দিই। তাহাকে তুমি ত দেখিরাছ ? তোমার যদি সম্মতি থাকে ত বল, তোমার পিতাঠাকুরের নিকট আমি বিবাহের প্রস্তাব করি।” মোহিনী প্রথমটা চপ করিয়া বহিল। মাটির পানে চাহিয়া কোটের বোতাম ঘরাইতে ঘরাইতে অলপ অলপ হাসিতে লাগিল। শ্যামবাব ভাব বুঝিরা তালার জিজ্ঞাসা করিলেন —“কি বল ?” মোহিনী হাসিতে হাসিতে বলিল—“তা বেশ ত ।” ছি ভূণ্য পরিচ্ছেদ ॥ সদবন্ধ গহিণী মাঝে মাঝে ভাগাদা করেন-"মোহিনীর বাপকে যে চিঠি লিখিবে বলিয়াছিলে তাহার কি হইল ?”—শ্যামাচরণবাবর আঠারো মাসে বৎসর;—তিনি বলেন, এই লিখিব এবার। গহিণী বলেন—মেয়ে যে এ দিকে বলতে নেই বড় সড় হয়ে উঠল। আর আইবড় রাখা কি ভাল হয় । এর পরে পাঁচ জনে পাঁচ কথা বলবে যে ! শ্যামাচরণবাব বলেন—এখন পড়াশনার বাঘাত হন্তে-পরীক্ষাটা হয়ে যাক তার পরে প্রস্তাব করব ৷ "এখন পড়াশনার ধ্যাঘাত হবে”—কথা শুনিয়া হাসি পায়। যেন দিবাহের জন্য তার কিছরই প্রয়োজন নাই; প্রয়োজন শুধ, শ্যামাচরণবাবর প্রস্তাব করাটা। সাধে লোকে তাঁহাকে বলিত “বোম ভোলানাথ !” পরীক্ষা শেষ হইল! মোহিনী বাড়ী গেল। আরও দুই তিন মাস কাটিল। তাজ 之g