পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৩১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আতর সমস্তটা লাটিয়া লইয়া গেল। আকবর বাদশাহ বীরবলকে সঙ্গে লইয়া এই আতরলট দেখিতেছিলেন, শেষ হইলে বললেন, “রাজা, কেমন আনন্দ হইল বল দেখি ?" বীরবল উত্তর করিলেন, "জাঁহাপনা, হাউজ দিয়া কি বিন্দ ঢাকা যায়?” শনিয়া বাদশাহের মনে বড়ই ক্ৰোধের উদয় হইল। তিনি রাগে কাঁপতে কপিতে বললেন, “বীরবল, এত বড় পদ্ধ তোমার! তোমার মাখ আমি আর দেখিতে চাহি না। তুমি দর হও । তোমার ধনসম্পত্তি রাজসরকারে বাজেয়াপ্ত হইল। ২৪ ঘণ্টা মধ্যে তুমি রাজধানী পরিত্যাগ করবে,—ইহাই তোমার দণ্ড।” “ষো হুকুম জাঁহাপনা"—বলিয়া কুনিশ বীরবল প্রস্থান করিলেন। দহে ॥ বীরবল নিৰ্বাসিত। তাঁহার রাজ্য, ধনসম্পত্তি, সমস্তই বাদশাহের আদেশে বাজেয়াপ্ত। দিনের পর দিন কাটিতে লাগিল। ক্ৰমে বাদশাহের রাগ পড়িয়া আসিল। তখন তাঁহার মনে অনুশোচনা উপস্থিত হইল। -“আহা, কেন তাহাকে তাড়াইলাম ? বড় ভাল লোক ছিল, -যেমন রসিক, তেমনি বধিমান। বড় আনন্দেই তাহার সহিত কাল কাটাইতাম। কেন তাহাকে তাড়াইলাম?” . বাদশাহ প্রতিদিনই বীরবলের অভাব অনুভব করিতে লাগিলেন। তাঁহাকে খুজিয়া বাহির করিবার জন্য দেশে দেশে গুপ্তচর পাঠাইলেন--সন্ধান পাইলে নিজে গিয়া তাঁহার মান ভাঙ্গাইয়া তাঁহাকে ফিরাইয়া আনিবেন। দই মাস গেল, চারি মাস গেল, ছয় মাস গেল, কিন্তু বীরবলের কোন সন্ধানই নাই। অবশেষে বাদশাহ স্থির করিলেন, একটা কৌশল করিয়া দেখিবেন। হুকুম দিলেন, “আমার অধীনে যত বড় বড় সামন্তরাজ আছে, তাহদের একটা তালিকা প্রস্তুত কর।” —তালিকা প্রস্তুত হইল, ৫০ জন সামন্তরাজের নাম লিখিত হইয়াছে। অতঃপর বাদশাহ হুকুম দিলেন, “৫০টা মেড়া খরিদ করিয়া আন।” মেড়া খরিদ হইল। তখন নিম্নলিখিত পরোয়ানা সহিত, ঐ ৫o জন সামন্তরাজের প্রত্যেকের নিকট এক একটা মেড়া পঠাইয়া দেওয়া হইল। পরোয়ানা - “আকবর বাদশাহ এতদ্বারা তোমার প্রতি হুকুম করিতেছেন, রাজকর্মচারীর সহিত প্রেরিত মেড়াটি এক মাসকাল তুমি প্রতিপালন করবে। ইহাকে প্রত্যহ চারি সের পরিমাণ উৎকৃষ্ট দানা খাইতে দিবে। যে রাজকর্মচারী ইহা লইয়া যাইতেছে, সে নিজ তত্ত্বাবধানে মেড়াকে দানা খাওয়াইবে। একমাস পরে মেড়টি রাজধানীতে ফেরৎ পাঠাইবে, কিন্তু সাবধান, বৰ্ত্তমানে ইহার দেহের ওজন যাহা আছে, ঠিক সেইরূপ থাকা চাই। যদি এক তোলা পরিমাণও ওজন ইহার বধি পায়, তবে তোমার লক্ষ টাকা জরিমানা হইবে। প্রকাশ্য দরবারে এই মেড়ার ওজন করা হইল ...মণ ...সের ...পোয়া ...ছটাক ...কচ্চিা !” --অর্থাৎ, যে মেড়া ষে রাজাকে পাঠানো হইতেছে,—সেটার কত ওজন, তাহা সেই রাজার এই মেড়া ও পরোয়ানা পাইয়া, রাজ্যে রাজ্যে মহা আতঙ্ক উপস্থিত হইল। সকলে বলিতে লাগিল, প্রত্যহ চারি সের উৎকৃষ্ট দানা খাইয়াও মেড়ার ওজন বাড়িবে না, ইহা ত’ অসম্ভব কথা ! কেহ কেহ বলিল, “ইহা কেবল টাকা আদায়ের ফন্দি, আর কিছ নয়। তার চেয়ে খোলাখুলি পরোয়ানা দিলেই হইত, এক লক্ষ টাকা আমায় পাঠাইয়া দাও।” u ङिन u বীরবল রাজধানী হইতে নির্বাসিত হইয়া, যে সামন্ত রাজার সীমানার মধ্যে ছদ্মবেশে পরোয়ানা গিয়া পেশছিল। সে রাজা কিছ: অমিতব্যয়ী ছিলেন, ঋণগ্রস্ত হইয়া পড়িয়া వ్రైస్గో “তই ত —এক মাস পরে গেল, ছি ನ್ಗಗೆ ణ व्ञश्वक ન কোথা ? কি ফেসাদেই পড়া