পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৩৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমি তাঁহার সহিত যন্ধে করিয়া, তাঁহাকে পরাজিত করিয়া, তাঁহার দেশ ধংস করিয়া, বলপবেক সে কন্যাকে লইয়া আসিয়া তোমার সহিত বিবাহ দিব। ইহা শনিয়া আমার BB BBBBBS BBBS BBBB BBBBBB BB BBB BB BBBS BB BBBB BB BBBBB অনুচিত। আমি সবয়ং যাইয়া, প্লনের উত্তর দিয়া সে কলারে বিবাহ কবিয়া আনিব । “ফলতঃ, কোনমতেই তাহাকে বিরত করতে না পালিয়। সবশেষে তাহকে বিদায়ের অনুমতি দিলাম। সে রামদেশে পেপছিয়া, প্রশ্নের ৬ত্তর-দানে অক্ষম হইল। তখন প্রতিজ্ঞামত মেহেরণ্ডেগজ তাহার মস্তক কাটিয়া দগাবরে টাঙ্গাইয়া দিল । - “আমি এই নিদারণ বাত্ত শ্রবণ করিয়া শোকে মহামান হইয়া পড়িলাম । কৃষ্ণবর্ণ কন্দ্র পরিয়া চল্লিশ দিন শোকে ও দুঃখে নিমগ্ন রহিলাম। আমার বাজবাটী ক্ৰদন ধর্মনিতে পরিপন্ণ হইয়া উঠিল। তাহার মিত্রবগ অসহ্য শোকে নিজ নিজ বস্ত্র ছিড়িতে লাগিল। তাহার ভ্রাতৃগণ মতকে ধলি মাখিয়া পাগলের মত বেড়াইতে লাগিল । "এইরূপে চল্লিশ দিন কাঢ়িলে আমার দ্বিতীয় পত্র বলিল—“আমি যাই। প্রশ্নের উত্তর দিয়া সে ভ্রাতৃহন্ত্রীকে করতলগত করিয়া প্রতিশোধ লই। আমি অনেক বারণ করলাম, কিছতেই সে শুনিল না। ফলতঃ সেও গিয়া, প্রশ্নের উত্তর না দিতে পারিয়া প্রাণ হারাইল। পুনরায় আমি শোকসাগরে মগন হইলাম। “আমার ন্যায় হতভাগ্য আর কে আছে ? একে একে আমার সাতটি পত্র এইরপে মেহেরণ্ডেগজকে লাভ করিতে গিয়া বিনষ্ট হইল। “আমি সেই অবধি মহাশোকে দগধ হইতেছি। বাদশাহী ছাড়িয়া দিয়; এই অরণ্যে আসিয়া নিজনে বাস করিতেছি এবং ঈশ্বরকে ডাকিতেছি।” এই পর্যন্ত বলিয়া, জাহাঙ্গীর শাহ নীরব হইলেন। তাঁহার চক্ষদ্বয় হইতে অশ্রুবারি বিগলিত হইতে লাগিল । এই কাহিনী শুনিয়া, মেহেরগেজকে দশন ও তাহাকে লাভ করিবার জন্য বাদশাজাদার মনে প্রবল অভিলাষ জন্মিল। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ ইতিমধ্যে বাদশাজাদার সঙ্গের সিপাহী ও বন্ধগণ তাঁহাকে অন্বেষণ করিতে করিতে সেই স্থানে আসিয়া উপসি্থত হইল। তাহারা বাদশাজাদাকে দেখিয়া অত্যন্ত হষাপ্রকাশ করিতে লাগিল এবং বলিল—“আপনি আমাদিগকে এতদরে ছাড়িয়া এই গভীর বনমধ্যে কেন প্রবেশ করিলেন : ঈশ্বরেন্থায় আপনাকে খুজিয়া পাইলাম - সেই মঙ্গল: যদি আমাদের অন্বেষণ ব্যথা হইত তাহা হইলে অদ্য রজনী আপনার কি কটেই না (কাটিত!” বাদশাজাহা তহমাশ তখন তাহাদের সহিত বন হইতে নিম্প্রকৃতি হইলেন এবং অজ্ঞা প্রচার করিলেন, আর আমি অধিক দূরে দেশ ভ্রমণে যাইব না। এইবার রাজধানীতে ফিরিব। } পরদিন প্রভাতে সকলে রাজধানী অভিমুখে যাত্রা করিলেন। বাদশাজাদার বয়স্য ও সখাগণ দেখিল, তাঁহার মনে ভাবান্তর উপস্থিত হইয়াছে। তিনি পবের মত আর হাস্য পরিহাসে রত হন না, আহারে রচি নাই সদাই অন্যমনক থাকেন। বয়স্যগণ তাঁহাকে কারণ জিজ্ঞাসা করিতে লাগিল। অবশেষে বাদশাজাদা তাহাদিগকে সকল কথাই বলিলেন। শনিয়া তাহারা দুঃখে ম্রিয়মাণ হইয়া রহিল। ক্লমে বাদশাহ তহমাশ রাজধানীতে পেশছিলেন। নগরবাসীরা আনন্দ কোলাহল করিয়া তাঁহাকে অভ্যর্থনা করিল। পত্র নিরাপদে ফিরিয়াছে বলিয়া বাদশাহও আনন্দ প্রকাশ করিতে লাগিলেন। কিন্তু কিছুদিন অতীত হইতে না হইতেই বাদশাহ লক্ষ্য করিলেন যে, পরের আর স পন্বভাব নাই। মখে হাসি নাই, মনে আনন্দ নাই, সৰ্ব্বদাই বিষন্ন বদন। ইহা দখিয়া বাদশাহ পত্রকে কারণ জিজ্ঞাসা করিলেন। কিন্তু বাদশাজাদা লজাবশতঃ কিছই ২৩০