পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


এত দিন ধরিয়া এত সাধে দরিদ্র ব্রাহ্মণ আকাশে যে অট্টালিকা নিম্মর্শণ করিয়াছিলেন, মহেত্তের মধ্যেই তাহা ধুলিসাৎ হইয়া গেল। অননয় বিনয় করিয়া, হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলে হয়ত কিছ কমতে পারে। কিন্তু সে আর কত কমিবে ই নিজের সাধ্যের মধ্যে আসিবে না। ভূমিকায় ত রায় মহাশয় বলিয়াই দিয়াছেন যে, গহনার তালিকা হইতে বিশেষ কিছু কমান তাঁহার ক্ষমতার বহিভূত। কিন্তু--"মইজমান জন, শনিয়াছি ধরে তৃণে, যদি আর কিছু না পায় সমখে" --সতরাং শ্যামাচরণ মনে করিলেন, কত্ত ইচ্ছা করিলে কি আর অলঙ্কারের তালিকাকে সংক্ষিপ্ত করিতে পারেন না ঃ সীলোকের কথাই কথা থাকিয়া যাইবে, এও কখন হয় ? নিজের সত্রীর কথা স্মরণ করিলেন। তিনি যদি সীকে বলেন—ইহা করিতে হইবে, তাহাতে সন্ত্রী কি বিরক্তি করবেন ? কখনই না। তাই শ্যামাচরণবাব সহসা হাত । দুইটি যোড় করিয়া, রায় মহাশয়ের প্রতি করণ দটিপাত করিয়া বলিলেন–“মহাশয়, আমি কন্যাদায় হইতে যাহাতে উদ্ধার হই, তাহা আপনাকে করিয়া দিতে হইবে।” রায় মহাশয় অমনি—“হাঁ হী করেন কি ?—আমার সম্মুখে হাত যোড় করিয়া আমাকে অপরাধী করেন কেন ? আপনি মহাশয় ব্যক্তি”—ইত্যাদি প্রকার উক্তি করিয়া সবলে শ্যামাচরণবাবর দুই হাত ছাড়াইয়া দিলেন। শ্যামাচরণবাব বললেন—“আমি মহাশয় ব্যক্তি নহি ৷ মহাশয় ব্যক্তি আপনি। আমি অতি ক্ষুদ্ৰাদপি ক্ষুদ্র লোক। আমাকে কৃপা করিয়া এ যাত্রা রক্ষা করিতে হইবে।” সভার একজন বলিলেন—“তাত টাকা ব্যয় করা যদি আপনার সাধ্যাতীত হয়, তবে কত বায় আপনি করিতে পারেন, তাহাই বলন না।” শ্যামাচরণবাব বলিলেন—“মহাশয়গণ, আমার সমস্ত অবস্থা আমি অকপটে নিবেদন করিতেছি, সমস্ত শুনিয়া আমার প্রতি যাহা বিচার হয় করিবেন —আমি ষাটটি টাকা মাহিনা পাই। একটি ছেলে তিনটি মেয়ে, এই কাচ্ছাবাচ্ছাগলি লইয়া ঘর করি। হাতে কিঞ্চিৎ পিতৃদত্ত অর্থ ছিল, তাহাতেই কন্টেসক্রেট বড় মেয়েটির বিবাহ দিয়াছি। সে টাকার একটি কাণা কড়িও আর অবশিষ্ট নাই। আছে এখন কেবল ব্রাহ্মণীর গায়ের অলঙ্কার কয়খানি। সেইগুলি বিক্রয় করিলে হাজার বারোিশত টাকা হইতে পারে। ঐ টাকার ভিতর যাহাতে আমার জাতি রক্ষা হয়, সব দিক রক্ষা হয়, সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে, —তাহাই আপনারা পাঁচজনে করিয়া দিন।” এ কথা শুনিয়া সভাপথ সকলে শ্যামাচরণের দঃখে আন্তরিক দঃখিত হইলেন। রায় মহাশয়ের মুখে কিন্তু একটা অবিশ্বাসের মদ হাসি দেখা দিল । শামাচরণের মত বোম ভোলানাথ লোক যে পৃথিবীতে আছে, তাহা তাঁহার জ্ঞানের অগোচর ছিল । জমিদারের ঘরে বি-এ পাস করা ছেলে সন্ধানে আসিয়াছেন, হাতে কিছু নাই সে কি হইতে পারে ? সওদাগরি আফিসে চাকরি করেন, বেতন ষাট টাকাতে কি আসে যায় ? --তামন কত ষাট টাকা রোজগার করেন তাহার কি কোনও হিসাব আছে ? তথাপি রায় মূহাশয় বলিলেন,—“আচ্ছা তবে একবার বাড়ীর ভিতর যাই। বলিয়া কহিয়া দেখিগে, মেয়েরা যদি কিছু কমাইতে রাজি হন।”—বলিয়া উঠিষা গেলেন। ফিরিয়া আসিয়া বলিলেন,—“কমাইবার কথা শুনিয়া মেয়েরা অত্যন্ত রন্ট হইয়াBBS BBBBBS BBB BB BB BBB BBS BBBB BB BB BBB B ইহার পর খোসামোদ করা চলে না। সকল জিনিসেরই একটা সীমা আছে ত ? কন্যাদায়গ্রস্ত ব্যক্তিরও আত্মসন্মান একটা সীমার পর আর মাথা নোয়াইতে ঘণা বোধ BBS BBBBBBB BBBB BB SBB BBB BBBB BBBBBBSBBB BBBB BBB BB BBBBBBS BBBBSBB BBB B BBBB BB BBBBB BBB BBB অদস্টে নাই।” રાઝ