পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৩৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সল্লী তখনও নামেন নাই। সারদা আসিয়া প্রথমেই আমাকে ভক্তিভরে প্রণাম করি তাহার পর বলিল, “কাল সারা রাত আমার নিদ্রা হয়নি। আমার প্রতি আপনার অহেতুক স্নেহ দেখে আমি অবাক হয়ে আছি। আমি কোথাকার কে তার ঠিকানা BBB BBBBB BB BB BBB DDS K DBB BD DuBB DBB S BB টাকা কয়টি টেবিলে রাখিয়া দিল। সারদার এই প্রকার আচরণ দেখিয়া তাহার প্রতি আমার একটা শ্রদ্ধার উদ্রেক হইল বলিলাম, “না না, ও টাকা আর ফিরে দিতে হবে না; , তোমার চিকিৎসা ব্যয়ের জনে দিয়েছি।” সারদা বারকতক কাসিয়া বলিল, “দেখন, দৈবশক্তিতেই আমার বেশী বিশ্বাস। ডাক্তার কবিরাজিতে আমার বিশ্ববাস নেই। এ অবস্থায় ওতে অথব্যয় কি মিছে হবে না ?” আমি কিঞ্চিৎ ভাবিয়া বলিলাম, “একেবারে বিশ্ববাস না থাকলে ফল হওয়া শক্ত বটে।” সে বলিল, “আমার আন্তরিক বিশ্বাস, দঢ় বিশ্বাস, যদি মা ঠাকরণের (উদ্দেশে করপটে প্রণাম করিল) পাদোকজল দবেলা খেতে পাই, আর তাঁকে দবেলা প্রণাম কল্পতে পাই, তা হলে আমি একেবারে আরাম হয়ে যাই। নইলে এ যাত্রা আমার নিম্প্রকৃতি নেই।” বলিতে তাহার চক্ষু ছল ছল করিতে লাগিল। আমি কিয়ৎক্ষণ চিন্তা করিলাম। দইবেলা পাদোদক দিতে এবং প্রণাম লইতে আমার সল্লী রাজি হইবেন কি ?" এই সময় লোকটা অত্যন্ত কাসিতে লাগিল। তাহার বিশীণ পান্ডরে মুখমণ্ডল দেখিয়া আমার মনে ভারি দয়া হইল। ভাবিলাম—আহা রাজি হওয়া উচিত। আমার স্ত্রীকে রাজি করাইব। কত রকমে লোকে পরের উপকার করে। এই সামান্য উপায়ে যদি ইহার উপকার হয়, যদি ইহার প্রাণটা বাঁচে, তাহা হইলে করা উচিত। সারদাকে বলিলাম, “তুমি নীচে গিয়ে কর্মচারীদের ঘরে অপেক্ষা কর। আমি তোমায় ডেকে পাঠাব।” সন্ত্রীর সন্ধানে গেলাম। শুনিলাম তিনি সনানের ঘরে। অন্ধ ঘণ্টা পরে তাঁহার দর্শন ੇ একখানা চৌকি টানিয়া লইয়া তিনি চলে শকাইতে বসিলেন। আমি বলিলাম, “সারদা আবার এসেছে।” “সেই স্টীমারের সারদা ? আবার কেন এসেছে ?” বাং—আমার সীর কি মরণশক্তি! আমি কিন্তু লেটে সারদার নাম দেখিয়া প্রথমতঃ উহাকে চিনি নাই। “আর আমি পাদোকজল দিতে পারব না কিন্তু। একবার দিয়ে বিশ্বাস-বিরধি কাৰ্য করেছি। আমি পীর না পয়গম্বর যে আমার পাদোকজল খেয়ে ওর ব্যারাম ভাল ps, శౌ হাসিয়া বললাম, “আমার মত সকলে ত উচ্চশিক্ষি, নব্য আলোকপ্রাপ্ত নয়; -ওর যদি তাই বিশ্বাস হয় । সেবার ত ভাল হয়ে গিয়েছিলু বললে।” আমি দেখিলাম, এবার একটা বেগ পাইতে হইবে। পষ্টতঃ ইনি মনে করিয়াছেন, সেবারকার মত এক পেয়ালা প্রাদোদক দিলেই চকিয়া যাইবে। যদি শানেন, তা নয়, এখন কিছুদিন ধরিয়া ক্ৰমাগত দইবেলা উক্ত মহাঘ দ্রব্যটি বিতরণ করিতে হইবে, তাহা হইলে একেবারে ধৈর্য্যহারা হইয়া পড়িবেন। তথাপি বলিয়া ফেলিলাম। কিন্তু যতটা বিদ্রোহের আশংকা করিয়াছিলাম—ততটা হইল না। আশ্চৰ্য্য হইয়া বলিলেন, “ডাক্তারি কবিরাজি কোন ওষধে ওর কিছমাত্র বিশ্বাস নেই ? দুবেলা আমার পাদোকজল খাকে ? তাতেই ও ভাল হবে ?” “ও ত তাই বলছে। বলছে নইলে এ যাত্রা ও বাঁচবে না। আহা ওর প্রার্থনা পণ কর।” ཨ་ཡ༢ ཟན་ཀ ཨla ཕ"བ་ཀ ཝཱ་ཡཱ་རཱ་ཝཱ་ལཱ་བ། སྨ་ཨ་བ། ༧་༡༩དང་། কিয়ৎক্ষণ পরে আমরা &