পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৪০৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পড়িয়া নলিনী অবাক। পাতা উলটাইয়া নাম খুজিল, কোনও নাম নাই। জিজ্ঞাসা করিল, “এ কোথা পেলি ?” “মাণিকদাদা দিয়েছে।” “কে? ম্যানকো ?” “হ্যাঁ।” নলিনী গালে হাত দিয়া বলিল, “গুমা কি হবে। তোকে এ সব লিখেছে কেন ?" কুসম ভীত হইয়া বলিল, “তা কি জানি " * “এ যে ভালবাসার কবিতা! তোদের ভালবাসা,হয়েছে নাকি লো ?” কুসুম বলিল, “ম্যানকা আমায় একদিন বলছিল যে আমি তোকে ভালবাসি।” . নলিনী ঈষৎ হাস্য করিয়া বলিল, “আহা তা বেশ ছেলেটির পছন্দ ভাল”—বলিয়া পড়িতে আরম্ভ করিল— মনের কথা শনে সই। দিবা রজনী তব মুখখানি - - মনে লই।” পড়িয়া নলিনী হাসিয়া কুটিকুটি। বলিল—“দনিয়ার আর মিল খুজে পেলে না, শেষে লিখলে কিনা মনে লই । তার চেয়ে চিড়ে দই লিখলে ঢের বেশী সরস হত। . কি বলিস কুসমি ? শোন দিকিন— মুনের কথা শন সই। দিবা রজনী তব মুখখানি চিাড়ে দই। . অর্থাৎ কিনা চিড়ে দই দেখলে, কার কার যেমন খাবার লোভ হয়, তোমার মুখখানি দেখলে—আমারও সেই রকম—লোভ হয়।”—বলিয়া নলিনী খাব হাসিতে লাগিল। হাসির শব্দে মা আসিয়া প্রবেশ করিলেন। বলিলেন, অত হাসছিস কেন ? হয়েছে কি ?” নলিনী মীর হাতে চিঠি দিয়া বলিল, “এই নাও মা, তোমার ছোট জামাই তোমার মেয়েকে কি লিখেছে দেখ !" মা লেখার পানে চাহিয়া বলিলেন, “কথার ছিরি দেখ না ! কি বলিস তার ঠিক নেই। কি এ ?” নলিনী মার কাছে সরিয়া গিয়া বলিল, “ভালবাসার চিঠি। এত বড় মেয়ে হল, বিয়ে দিচ্চ না-তা মেয়ে নিজের বর নিজেই ঠিক করে নিয়েছে।” - মা ত অবাক। বলিলেন, “কে লিখেছে এ সব ?” “সে পরে বলব। আগে শোনই না।”—বলিয়া মার হাত হইতে কবিতা লইয়া নলিনী মনের কথা শন সই। তব মন্থখানি দিবা রজনী মনে লই। ట్ర )1 لا لاهلا