পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৪০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শয়নে সবপনে কিবা জাগরণে সদা সৰ্ব্ববাদা রপে নিরুপমা ওগো প্রেমদা । ভাবিয়া ভাবিয়া নিদ্রা তেয়াগিয়া ফেলি অশ্রজল। যথা শাক তর হন এবে সর দেহ টলমল ।--” মা বাধা দিলেন। বলিলেন, “কি পাগলামি করছিস, রঙ্গ ভাল লাগে না। কে লিখেছে বল না ?” - “চৌধুরীদের ম্যানকা লিখেছে।” “ম্যানকো ? আরে গেল যা ! কি দস্যি ছেলে গো! এ কি বিদ্যে?”—বলিয়া মা কুসুমকে খুজিতে লাগিলেন, “কুসমি, কুসমি, কুসমি কোথা গেল ?” কুসুম গোলযোগ দেখিয়া পাবেই চম্পট দিয়াছিল। সুতুল বালি লৈ স্থল ছিল। বলিলেন, “এ কি রে শতেকখোয়ারী ?” কুসম গোঁ হইয়া বলিল, “আমি কি জানি" “তুই জানিসনে ত কে জানে আবাগী ?—খেয়ে খেয়ে দিনকের দিন হাতী হচ্চেন— আর এই সব বিদ্যে হচ্চে ! কি হয়েছে বল ।” কুসুম বলিল, “হতভাগা নক্ষিছাড়া ম্যানকো আমায় দিলে ত আমি কি করব?—আমার বঝি দোষ, বা রে! “বলেছে মাকে কি কাউকে দেখাসনে—বাক্সতে নাকিয়ে রাখিস।” মা তখন কুসুমকে অনেক জেরা করিলেন। জেরার শেষে কুসুম বলিল, “একদিন বাগানে ডেকে নিয়ে গিয়ে ম্যানকা আমায় বললে কি, তোকে আমি আম পেড়ে দেবো তুই আমায় বিয়ে করবি ? "দর পোড়ারম্যুখো’ বলে আমি পালিয়ে এলাম।” এই কথা শুনিয়া, রাগের মধ্যেও মার ওষ্ঠের কোণে একট হাসি দেখা দিল। শেষে তিনি বলিলেন—“শোন বলছি। ফের যদি ম্যানকার ত্রি-সীমানায় যাবি কি ওর সঙ্গে কথা কবি, কি খেলা করবি—তা হলে গলায় পা দিয়ে মেরে ফেলব। বুঝেছিস ?” কুসম কাঁদিতে কাঁদিতে বলিতে লাগিল, “বা রে! আমি কি করব? আমায় দিলে কেন ?” মা তখন সে কবিতা কুচি কুচি করিয়া ছিড়িয়া উনানে ফেলিয়া দিলেন। u & u অহো, কবি সত্যই বলিয়াছেন—যথার্থ প্রণয়ের পথ কখনও মসৃণ হয় নাই। যে ভালবাসিয়াছে, সেই কাঁদিয়াছে। প্রেম যে কেবলি যাতনাময়, তাহাতে যে কেবলি চোখের জল এ কথা কে অস্বীকার করিবে ? শুনি নাই নিজ পই কিন্তু মাণিকলালের আদটে আরও দগতি ছল। মাণিকের পিতা নন্দ চৌধুরী গ্রামের ཙནྡྲ་ལོ་མ་ পশার। প্রাতে রোগী দেখিতে