পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৪১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


একবারে জরটা না ছাড়ে, ঐ ফিবার মিকশচারটা দ ঘণ্টা অন্তর খাইয়ে দেবেন।”— বলিয়া তিনি বিদায় লইলেন। ডাক্তার গেলে সকুমারীর শাশুড়ী আসিলেন। কপালে হাত দিয়া বলিলেন, “অনেকটা কম বইকি। গায়ে একরারে হাত রাখা যাচ্ছিল না। এখন কেমন আছ মা ?” সকুমারী চপি চপি বলিল, “ভাল আছি।” তিনি বললেন, “বিকেলের গাড়ীতে অবিনাশ এসেছে। মন্না, যা দাঁকন, তোর দাদাকে ডেকে দে।”—তারপর স্বামীকে বলিলেন, “তোমার জলখাবার সাক্তিয়ে রেখেছে-- যাও, দেরী কোরোনা।” ঘরে শুধ সতকুমারীর শাশুড়ী রহিলেন। আর সকলে চলিয়া গেল। কিছুক্ষণ পরে অবিনাশ আসিল। তাহার মা তখন কষ্যোপলক্ষে সৰ্থানান্তরে গেলেন। অবিনাশ বিছানার উপর বসিয়া, স্কুমারীর কপালের উপর হাত রাখিল। জিজ্ঞাসা সকুমারী বলিল—“ভাল আছি " “আজ সকলে আমার চিঠি পেয়েছ ?” “পেয়েছি –সত্যি ?” অবিনাশ বলিল, “সত্যি বইকি।” “আমায় মনে পড়লো না ?” অবিনাশ চাপ করিয়া রহিল। সকুমারী বলিল, “সে কি বড় সন্দেরী ?” অবিনাশ আশ্চৰ্য্য হইয়া বলল, “কে ?” “সে ” "কে সে ? কার কথা জিজ্ঞাসা করছ ?” অবিনাশ মহত্তের মধ্যে বুঝিতে পারিল সকুমারী কি ভ্ৰমে পৃতিত হইয়াছে। ভবিল -Fi বলিল, “না—না—সুকু। তুমি কি ভৈবেছ? তা নয়।” “ীক তবে ?” - “যা জীবনে কখন সপশ করতে বারণ করেছিলে, তোমার ভারি ঘণা জানিয়েছিলে, তাই খেয়েছি। মদ খেয়েছি। বেশী নয়, উপরোধে পড়ে এক চমকে মাত্র খেয়েছি।” দই ঘণ্টা পরে সুকুমারীর আবার ঔষধ খাইবার কথা ছিল, কিন্তু প্রয়োজন হইল না। একদাগ ঔষধেই তাহার জদর সম্পণেরপে, আরোগ্য হইয়া গেল। বাসতবিক, ডাক্তারবাবর ঔষধগুলি বড়ই তেজস্কর বলিতে হইবে। পৌষ, ১৩০৮ ] ছদ্মনাম ll S ü প্রেসের সঙ্গে অনেক যন্ধ করিয়া ছটির পর্বেই পজার বঙ্গপ্রভা বাহির করিয়া ফেলিলাম। ডেসপ্যাচ সম্বন্ধে কাৰ্য্যাধক্ষকে উপদেশ দিতেছি, হ্যাটকোট পরিয়া সিগারেট মখে করিয়া সতীশ আসিয়া উপস্থিত। বলিল, “দাজিলিঙ চল।” সতীশ আমার বাল্যবন্ধ। আমরা এক ক্লাসে পড়িতাম, একত্র বসতাম, একত্র বেড়াইতাম—পণ্ডিত মহাশয় আমাদিগকে বলিতেন কানাই বলাই। এট্রিান্স পাস করিয়া দুইজনে কলিকাতায় কলেজে আসিলাম—তখন হইতে আমাদের দুইজনের জীবনের আদশ বিভিন্নতা প্রাপ্ত হইতে লাগিল। সতীশ স্বর্ণবষয়ে সাহেব হইয়া উঠিতে লাগিল;-আমি আমার भारुडाशुछूड অনরোগশালী হইলাম। আমি বাঙ্গালা