পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৪৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সপকে বহন করিবার জন্য খাটলী প্রস্তুত হইল। ভট্টাচাৰ্য্য মহাশয় বলিলেন, “তোমরা কোন চিন্তা কোরো না ! সপযোনিতে কট পাচ্ছিলেন, মুক্ত হয়ে গেলেন। BBBB BB BB BB BBB BBS BBB BBBBBBB DBB BBBB BBBBB আর একটা প্রায়শ্চিত্ত করে ফেলো, তা হলেই সবপাপ থেকে মুক্ত হবে। বাস্তুসাপ হচ্ছেন কুলদেবতা কিনা। শাসে প্রমাণ রয়েছে— সবে বাস্তুময়া দেবাঃ সবং বাস্তুময়ং জগৎ পাথনীধরস্তু বিজ্ঞেয়োবাস্তুদেব নমোসতুতে।” এদিকে খাটলি তৈয়ারী হইল। সপোর মথে তাম্রখণ্ড দিয়া খাটালীতে তুলিয়া রাখা হইল। কিন্তু কোনও বয়স্ক লোক তাহা বহন করিতে ব্রাজি হইল না। সকলেই বলিল সাপকে, বিশ্বাস নেই, মরে আবার বেচে ওঠে শুনেছি। ছেলেরা বলিল, “কুছ পরোয়া নেই, আমরা যাব।” ক্ষুদ্র খাটলিখানি দইদিকে দইজনে ধরিয়া লইয়া চলিল। পরিবারস্থ পর্ষগণ সকলেই পশ্চাৎ পশ্চাৎ চলিলেন । পথে ক্ৰমশঃ লোক বধি হইতে লাগিল। যখন শ্মশানঘাটে পৌছিল, তখন এত লোক জমিয়াছে যে গ্রামের জমিদার মরিলেও তত লোক জমিত কিনা সন্দেহ। যথারীতি শবদাহ হইল। চিতাভস্ম গঙ্গাজলে ভাসাইয়া দিয়া সকলে গহে প্রত্যাবৰ্ত্তন করিলেন ; 嶺 むM এই অস্বাভাবিক শোকের মধ্যে সারাদিন কাটিল । সন্ধ্যাবেলায় বড়ঘরের বান্নান্দায় বসিয়া কত্তা ধামপান করিতেছেন। দেওয়ালে একটি বাতি জলিতেছে। সদর দরজা খোলা ছিল। আস্তে আস্তে ভোজয়ো আসিয়া উঠানে দাঁড়াইল। তাহার হাতে একটা বহৎ হাঁড়ি, মুখে ময়দা দিয়া সরা অাঁটা। ক্ৰমে সে আসিয়া বারান্দার নিশেন দাঁড়াইল। দিদিমা দরে হইতে বাঁললেন, "কেরে, ভোজয়া নাকি ?’ সে প্রথমতঃ চারিদিকে চাহিয়া দেখিল। নিকটে কেহ কোথাও নাই। দেখিয়া বলিল—“বাব হাম তুমহারা একঠো সাঁপ মার ডালা—উসকে বদলা দোঠো BB BBS BB BBBB SBBB BBBB BBB BBB BBB BBBB BB BBBBBB দিয়াই উদ্ধৰ বাসে ছটিয়া পলাইল। হাঁড়ি ভাঙ্গার সঙ্গে সঙ্গে দুইটা সাপ বাহির হইয়া পড়িল । কত্তা মহাভীত হইয়া ওরে যাপ রে বলিয়া লাফাইয়া পলাইতে গেলেন, কিন্তু সাপ দুইটা তাঁহার পায়ে দই তিন ছোবল বসাইয়া দিয়া, দ্রুতবেগে কোথায় অদৃশ্য হইল । কত্তার চীৎকারে বাড়ীশুদ্ধ লোক আসিয়া জড় হইল। আসিয়া দেখিল তিনি মাটিতে পড়িয়া চক্ষ অন্ধমুদ্রিত অবস্থায় কেবল বলিতেছেন—হরে নারায়ণ ব্ৰহ্ম হরে নারায়ণ ব্ৰহ্ম ।’ দিদিমা আকুল হইয়া তাঁহার মন্তক ক্লোড়ে তুলিয়া লইলেন। মহত্তের মধ্যে যে ঘটনা ঘটিয়া গিয়াছে, দর হইতে তিনি তাহা সকলই প্রত্যক্ষ করিয়াছিলেন। মনে কারলেন বাস্তুহত্যার প্রতিফল হাতে হাতেই আরম্ভ হইল। সারবালা ও সরবালার মা উচ্চৈঃস্বরে কুন্দন করিতে লাগিলেন। কেহ কেহ বলিল, পরোহিত ঠাকুরের সবসভ্যয়নেঃ কোন ক্রটি হইয়া থাকিবে, নয়ত বাস্তুবাব তুষ্ট হইলেন না কেন ? উপস্থিত ব্যক্তিগণের মধ্যে যে সব্বাপেক্ষা বলবান ছিল, সকলের কথা অনুসারে সে রোঝা ডাকিতে ছটিল। গ্রামের ভাগে একজন বেদিয়া বাস করে, সে চারিপাশের বহু গ্রামের সপ-বৈদ্য। বেদিয়া আসিলে তাহার কথায় প্রকাশ হুইল, জাহারই নিকট হইতে একটা পেট্রো পাঁচ টাকা দিয়া একযোড়া সাপ কিনিথ ছিল। লেদিয়া বলিল, “সেই খোট্টা শালারই এই কাষ? এমন জানলে কি আমি তাকে সাপ - - ১৯২