পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আপনাকে আপনি লুকাইবার জন্য ব্যস্ত। শেষের খানিতে যুগলমত্তি। হিমানী ও মণিভূষণ পরম্পরের মুখের পানে সপ্রেম দটিতে চাহিয়া। সে দটিতে অতৃপ্তি, মোহ ও চঞ্চল্য মাখান একটা ভাব নিপুণতার সহিত চিত্রিত। যদি কেহ মনে করিয়া থাকেন যে, হিমানীর সঙ্গে মণিভূষণের বিবাহ হইয়া গিয়াছে, তপে তিনি ভ্ৰম করিয়াছেন। কলিকাতা পরিত্যাগের পর হইতেই মণিভূষণ হিমানী অথবা তাহার মাতাপিতার কোন সংবাদ পায় নাই এবং লয়ও নাই। হিমানী বাঁচিয়া আছে কি মরিয়া গিয়াছে তাহাও সে অবগত ছিল না। বলিতে ভুলিয়াছি যে, মণিভূষণ এখন একটা বিষম চিত্তব্যাধিতে আক্রান্ত। ডাক্তারেরা ইহাতে মনোমেনিয়া বলেন। এক প্রকার পাগল আর কি—সম্পণে পাগল নহে। এ BBB BBB BB BBBB BBB BB BBBB BBBB BBBB BBBBB BB SBB আর সমস্ত বিষয়ে তাহার মন সমপণ অবিকৃত থাকে। কিন্তু একটা পর্বের ইতিহাস বলার প্রয়োজন। বাড়ী আসিয়া মণিভূষণ অনেক চেষ্টা করিয়াছিল যাহাতে সে হিমানীকে ভুলিয়া iয় পরিণতি ধৰ্ম্মপত্নী নবদগণকে ভালবাসিতে পারে। জলমগ্ন মতপ্রায় ব্যপ্তিকে হইলে তাহার মুখপথে ফৎকারবায়; প্রেরণ করির কৃত্রিম নিঃশবাস প্রশ্বাস হয়, তাহার পর স্বাভাবিক নিঃশবাস প্রশ্বাস পুনরাগমন করে। মণিভূষণ প্রথমে "াকে এইরুপ কৃত্রিম মৌখিক ভালবাসা জানাইতে লাগিল, কিন্তু তাহাতে কিছর ফল দৃশিল না। সে নিজের সঙ্গে যে প্রাণান্তকর যন্ধে প্রবত্ত হইয়াছিল, সেই যুদ্ধে যদি নবদ্যগরি সহায়তা ও সহানুভূতি লাভ করিতে পারে, এই দরাশায় একদিন তাহাকে সমুদয়, আত্মবত্তান্ত অকপটে জ্ঞাত করিল। কিন্তু তাহাতে হিত না হইয়া বিপরীত হুইল । স্বামীর মুখে যাহা শুনিল, তাহা ত নবদগণ বিশ্ববাস করিলই, তাহা ছাড়া BBB BB Bu DB BBBB BBBS BB BBBBB BBBBBS BBBBS BBBBB যলিল অকথ্য ভাষায় হিমানীর প্রতিও আক্রমণ করিল। তাহার পব একটা বীভৎস শপথ ক্রয়া বানীকে বলিল, “তুমি আর আমায় সপশ করিও না।” ইহার পর স্বামী সন্ত্রীতে বিচ্ছেদ হইল। মণিভূষণ জনরে পড়িল; কয়েকদিনকাল খুব সরে রহিল; মস্তিকবিকারের সত্রপাত তখন হইতেই। নবদগণ যদি আত্মীয় সবজনেয় একান্ত অনুরোধে মণিভূষণকে শুশ্ৰুষা করিবার জন্য তাহার কাছে যাইত, তাহা হইলে সে রাগিয়া চে'চাইয়া অনথপাত করিয়া তুলিত। তাহার নিকট নবদগণ নাম পৰ্য্যন্ত করিবার যো ছিল না। জম্বর নরম পড়িল, কিন্তু একেবারে ছাড়ে না। ডাক্তার বৈদ্যেরা পরামর্শ করিয়া নবদগণকে পিয়ালয়ে পাঠাইয়া দিলেন। কারণ নবদগর্ণর প্রতি বিদ্বেষই এখন মণিভূষণের ব্যাধির প্রধান লক্ষণ হইয়া দাঁড়াইল। জবর ক্ৰমে ছাড়িল বটে, কিন্তু মস্তিক সম্বন্ধে একটা গোলযোগ রহিয়া গেল। নবদগর্ণর প্রসংগ উত্থাপিত হইলেই সে কেমন একরকম হইয়া যাইত। নবদগণকে এই কারণে পিত্রালয় হইতে আনা হইল না, এবং পরিবার-মণ্ডলীতে তাহার সব্বপ্রকার প্রসংগ বজিত হইল। ইহার পর গ্রামের চতুন্দিকে মণিভূষণ মত্তিকা পরীক্ষা করিতে আরম্ভ করিল। গ্রাম হইতে এক ক্লোশ দরে সরস্বতী তীরে তাহার আফিসগহ পাঠক দেখিয়াছেন। নিজনেই সে ভাল থাকিত; কেহই তাহার নিজনিবাস সম্বন্ধে আপত্তি করিল না। যে দিন খেয়াল হইত, সেই দিন বাড়ী আসিত। দুই তিন দিন থাকিয়া তাবার চলিয়া যাইত। সুতরাং নবদগণ পিত্রালয়েই রহিয়া গেল। অতঃপর মণি আর হিমানীকে ভুলিতে চেন্টা করিল না। মধ্যাহ্নে বিজন আফিসগহে বসিয়া হিমানীর কথা ভাবিত। বাড়ী আসিবার সময় স্বেচ্ছায় হিমানীর ফোটোখ্রীফখানি তাহার পিতাকে ফিরাইয়া দিয়া আসিয়াছিল, এখন সেজন্য অনুশোচনা উপস্থিত \: Ե