পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৪৬১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


একদিন সন্ধ্যার পর খড়মহাশয় পাকরিণীর তীর হইতে মুখ ধুইয়া, জলভরা গাড়টি হাতে করিয়া, আমবাগানের ভিতর দিয়া ফিরিতেছিলেন। সহসা এক শেবতবসয়- “ পরিহিত মাত্তি তাঁহার সম্মখে আসিয়া দাঁড়াইল। তাহার মুখটি ছাড়া সমস্ত গাত্র বসে আবত ছিল। আত্মপ্রকাশ করিবামাত্র সে বলিল, “খড়োমশায়—সে দশ হাজার টাকা—” শব্দ করিতে করিতে উদ্ধৰ বাসে দৌড়িয়া পলাইলেন । পরদিন অমাবস্যা-সন্ধ্যার পর খড়ামহাশয় আর বাটীর বাহির হইলেন না। রাত্রি নয়টার সময় আহার করিয়া শয়ন করলেন। যখন তিনি গভীর নিদ্রায় মগ্ন—রাত্রি আন্দাজ বারোটার সময়, গাত্রে কাহার অতি শীতল হস্তম্পশে খড়ামহাশয়ের নিদ্রাভঙ্গ হইল। খড়ামহাশয় চমকিয়া ঘমের ঘোরে বলিলেন, “কে—ও ?” অন্ধকারের মধ্য হইতে শব্দ হইল, “আমি নবকুমার।” শনিবামাত্র খড়মহাশয়ের ঘামের ঘোর চট করিয়া ছাড়িয়া গেল। ভূত বলিল, “সে দশ হাজার টাকা আমার বউকে যতদিন না দিচি, ততদিন রেজি BBBB BBBB BBBS BB BBBB SBBB BBBS BBB BBB DD DDD BBBB চাপ করিল। খড়ামহাশয়ের নিশ্বাস তখন ঘনঘন বহিতে লাগিল। ক্লমে তাঁহার দাঁত ঠকঠক রয়া মচ্ছা উপস্থিত হইল। নবকুমার তখন মেঝের উপর হইতে বরফ বাঁধা পটলিটি তুলিয়া লইয়া, খোলা জানালার কাছে গিয়া একটি গরাদে সরাইয়া, বাহির হইল। বাহিরে কিয়ন্দরে সত্যচরণ অপেক্ষা করিতেছিল। পরদিন সন্ধ্যাবেল সত্যচরণ অপিস হইতে ফিরিয়া আসিয়া তাহারই গহে লক্কোইত নবকুমারকে সংবাদ দিল—খড়ামহাশয় তাহার সহিত এক ট্রেণেই কলিকাতায় গিয়াছিলেন —সাবিত্রীর নামে দশহাজার টাকার কোম্পানির কাগজ কিনিয়া আনিয়াছেন। সত্যচরণ জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, এ টাকা কোথা থেকে এল ?’ গগনচন্দ্র বলিয়াছিলেন, “টাকাটা ছিল আমার দাদার। সকলে যে বলত, তাঁর দশ হাজার টাকা আছে—তা দেখছি মিথ্যে নয়। কিন্তু তাঁর লোহার সিন্দক থেকে বেরোয়নি। কালকে রাত্রে হঠাৎ তাঁর পরাণো টিনের বাক্স খলে দেখি, এক টুকরো লাল-চেলীতে মোড়া দশ হাজার টাকার নোট। দেখে আমার হরিষে বিষাদ উপস্থিত হল আর কি। আহা, আজ যদি নব বেচে থাকত! পিতৃধন —যা হোক, বিধবাটার উপায় হল ।” ইহার পর নবকুমার কলিকাতায় গিয়া, খড়ামহাশয়কে এক চিঠি লিখিল। লিখিল, সে শনিয়া দুঃখিত হইয়াছে যে, তাহার মৃত্যুর একটা গজব উঠিয়াছে এবং শ্রাদ্ধশান্তিও হইয়া গিয়াছে—কিন্তু বাসতবিক সে বাঁচিয়া আছে এবং একট কাৰ্য্য উপলক্ষ্যে পথানান্তরে গিয়াছিল। অমুক তারিখে সে বাড়ীতে আসিবে এবং একদিন থাকিয়া সত্রীকে লইয়া পশ্চিম যাত্রা করবে। নবকুমায় বাটী আসিয়া শুনিল, খড়ামহাশয় কি একটা জরুরি কার্য উপলক্ষ্যে গ্রামান্তরে গিয়াছেন। সন্ত্রীকে লইয়া সে পশ্চিম চলিয়া গেল। আবিন, ఫిలిపి ఎ ] আধনিক সন্ন্যাসী প্রথম পরিচ্ছেদ বাঁকীপরে কলেজে পড়িতাম, হিন্দুয়ানির দিকে ঝোঁকটা অত্যন্ত প্রবল ছিল। মস্তকে প্রকাণ্ড একটি শিখা ছিল। প্রত্যহ প্রাতে উঠিয়া গঙ্গাস্নান করিয়া আসিতাম । মাছটা খাইতাম, কিন্তু মাংস খাইতাম না। আমাদের মেসের বাসায় সপ্তাহে একদিন ২১৮