পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৪৬৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শ্ৰান্তি দূরে হইলে প্রভা ও রজনী ধীরে ধীরে প্রত্যাবত্তন করিল। যেখান দিয়া নামিয়াছিল, সেইখান দিয়া উঠিয়া নিজান আমবাগানের মধ্য দিয়া চলিতে লাগিল। অনেকগলি গাছে আম্রমুকুল ধরিয়াছে, তাহার মদিরগন্ধে বাতাস পরিপ্লাবিত। আমবাগানের পরেই শস্যক্ষেত্র। একদিকে কড়াইসটির ক্ষেত, অপরদিকে সরিষা। সর, আল-পথ দিয়া দইজনে চলিয়াছে; দাঁড়াইয়া কড়াইসটির ক্ষেতের পানে দস্টিপাত করিয়া রজনী বলিল, "দেখ, ফুলগুলি কেমন সন্দের দেখাচ্ছে।" প্রভা বলিল, “চমৎকার।” ...། པཀཏིཡཱ ཨནཝ, ཨཡཾ ཝདཏི, ཕལཀཾ ཨཱལ༹ཝཱ ཙཏྟཱནཾ ཨཡཨཝཱ ཙོག ཙོག ཙང་ཡ༠ ཐམ་འ য়নি।” প্রভা বলিল, “ইংরাজি কাব্যে ত দেখা যায়, সাইট পীজ। আমাদের কাব্যে যে সকল ফুলের আদর বেশী, সবই গন্ধযক্ত ফল। গন্ধ নেই বলে এ ফল আমাদের কাব্যে অনাদত ” . . রজনী বলিল, “আবার দেখা যায়, রাপের কোনও ভাণ নেই, শধ গন্ধের জেরে ফল কাব্যে পথান পেয়েছে-যেমন বকুল।” - - এইরূপ গভীর বিষয়ের আলোচনা করিতে করিতে প্রণয়িবয় চলিল। পথের কাছে একথোলো মটরসটি ফলিয়াছিল, প্রভা কয়েকটি তুলিয়া নিজে খাইল এবং রজনীকেও খাওয়াইয়া দিল। -- - গেল । রাখাল-বালক পথের ধারে বসিয়া কাঁদিতেছে। তাহার নাসিকা দিয়া রক্তস্রাব হইতেছে। প্রভার বাইসিক্লখানি শধ্যে আছে, রজনীর খানি নাই। - রাখাল বলিল—একটা পল্টনের গোরা রাস্তা দিয়া যাইতেছিল, একখানা বাইক্লি কাড়িয়া লইয়া গিয়াছে। সে বাধা দিতে গিয়াছিল বলিয়া তাহার নাসিকার উপর মস্ট্রোঘাত করিয়া গিয়াছে। - - . রজনী উত্তেজিতস্বরে জিজ্ঞাসা করিল, “কোন দিকে গেল ?” - - রাখাল অঙ্গলিনির্দেশ করিয়া হুগলির দিকে পথ দেখাইয়া দিল। আরও বলিল, সে অধিকক্ষণ যায় নাই, এইমাত্র গিয়াছে। . - . " -- রজনী প্রভাকে বলিল, “তুমি একটা অপেক্ষা কর আমি দেখি ”—বলিয়া সে মহত্ত, মধ্যে প্রভার বাইসিক্লে আরোহণ করিয়া তীরবৎ বেগে সেইদিকে ছটিল। - ? একমিনিট—দইমিনিট—তিনমিনিট, বায়বেগে ছটিয়া গিয়া, শেষে দরে বাইসিক্লচোরকে দেখিতে পাইল। লাল কোত্ত পরা মত্তি, বাইসিক্ল ছটাইয়া চলিয়াছে। তাহাকে দেখিতে পাইয়া, দ্বিগণ বেগে রজনী তাহার পশ্চাদ্ধাবন করিল। ক্ৰমে নিকটে, আরও নিকটে আসিয়া পড়িল। গোরাটা বোধ হয় নিজেকে পশ্চাদ্ধাবন হইতে নিরাপদ মনে করিয়া, সানন্দচিত্তে চলিয়াছে। রজনী ইংরাঞ্জিতে চীৎকার করিয়া বলিয়া উঠিল, “থাম বদমায়েস ” এই অপ্রত্যাশিত শব্দে গোরাটা তৎক্ষণাৎ পশ্চাৎ ফিরিয়া চাহিল। চালনাকাষ্যে অপটতাবশতই হউক, অথবা পথে ইস্টকাদির বাধাপ্রাপ্ত হইয়াই হউক, সে তৎক্ষণাৎ বাইসিক্লসন্ধ মহাশব্দে পথে পড়িয়া গেল। গোরাটার কাছে আসিয়া পড়িল। সেই রাকার বটিশ বন্যজন্তুটি সেইমাত্র পায়ে ভর দিয়া উঠিয়া দাঁড়াইয়াছে। রজনী বিনা বাক্যব্যয়ে তাহার উপর পড়িয়া অবিশ্রান্ত ঘসি ও লাথির চোটে তাহাকে পনশচ ভুমিশায়ী করিয়া ফেলিল । २२७ 。之。”