পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৫৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


য়ে কিছুই যোগাড় হয়নি। ঝি কোথায়, উন্ন ধরিয়ে দিক না।” বালিকা বলিল, “ঝি ত আমাদের নেই। মাসখানেক হল ঝি পালিয়েছে, মা বলেছেন ঝি আর রাখবেন না। আমিই সব করি। আমি উন্ন ধরিয়ে দিচ্চি।” দেখিলাম ঘরের এক কোণে একগাদা কয়লা রহিয়াছে। আমি বলিলাম, “ঝি নেই ? আচ্ছা তবে আমিই ধরাচ্চি। তোমায় কষ্ট করতে হবে না।”—বলিয়া কয়লার গাদার নিকট গিয়া, একটি ডালায় করিয়া কয়লা ভরিয়া আনিলাম। উনান জনালিবার চেটা করিতে লাগিলাম। এ কার্য্য যে এত কঠিন তাহা পাবে জানিতাম না। প্রিয় দাঁড়াইয়া দাঁড়াইয়া দেখিতে লাগিল, আর মচকি মচকি হাসিতে লাগিল। শেষে বলিল, “ঐ রকম করে বঝি কয়লা ধরায় ?” আমি হতাশ হইয়া জিজ্ঞাসা করিলাম, “কি রকম করে ধরায় বল দেখি ?” “সর আমি ধরাই। তুমি বরং এই মাছের ঝোলের জন্যে আল পটোলগলো কুটে ফেল।” এই ময়লা পরিশ্রমসাধ্য কাব্যে বালিকাকে নিযুক্ত হইতে দিতে আমার দুঃখ হইতে লাগিল। কিন্তু কি করি, উপায় নাই। দশটায় ভাত না পাইলে বাবা মহাশয় হৈচে কাণ্ড বাধাইয়া দিবেন। সুতরাং কয়লার চলা বালিকাকে ছাড়িয়া দিয়া, হাত ধুইয়া আমি তরকারী কুটিতে বসিলাম। দেখিলাম, বটিতে তরকারী কোটা মস্কিল। ছরেী দিয়া এক রকম পারা যায়। སྨད་ལ་ཨུཏྤལ་ཤ མང་༢ རྩ་བྲལ ལྟད་ཅེན་ ཨང་། ཨ་ལ༧ ཨར་ལ༢ ལཱི་ལ ཙམ་ b༧ ཕལྡཐ་མ་ মাঢ়তাম । যাহা হউক, কোনমতে সাবধানে কুটিতে লাগিলাম। পাছে হাত কাটিয়া যায়, এ আশংকাও ছিল। উনান ধরাইয়া প্রিয় আমার কাছে আসিয়া দাঁড়াইল; গালে হাত দিয়া বলিল, “ও হরিবোল!” আমি সভয়ে জিজ্ঞাসা করিলাম “কি ?” "এই কি মাছের ঝোলের আল কোটা নাকি ?” “কেন ?” “মাছের ঝোলের আল কি চাকা চাকা করে কোটে ? ও ত ভাজার আল হচ্চে। মাছের ঝোলের আল চোঁচির করতে হয়।” আমি অপ্রতিভ হইয়া বলিলাম, “ওহ ।” প্রিয় বলিল, “সর দেখি। আমি কুটি।” আমি সরিলাম। কয়লার চলায় পাখা দিয়া বাতাস করিতে লাগিলাম। বালিকা একট হাসিয়া বলিল, “রাঁধতে জান ? না সেও এই রকম?” আমি মনে মনে অত্যন্ত কৌতুক অনুভব করিয়া বলিলাম, “এই রকমই।” “এই রকমই ? আর কখনো এ কাষ করনি ববি ? এই প্রথম নাকি ?” “এই প্রথম।” “তবে চাকরি নিলে কেন ?” আমি চাকরি কেন নিলাম, তাহার উত্তর এখন দিলে সমস্তই পন্ড হইয়া যাইবে। ཨྰཿ ཨཱཿ “༢ ཝ་རྩེ་ལ། ། সময়, আর কাহাকেও না বলি, এই বালিকাকে বলিয়া যাইব স্থির - | আমাকে নীরব দেখিয়া, বালিকা আমার মনোভাব অন্যরাপ বঝিল। কর্ণায় তাহার মুখখানি ভরিয়া গেল। প্রশন করিবার জন্য যেন অন্যতপ্ত হইয়া বলিল, “তুমি বড় গরীব বঝি ?” - আমি চক্ষ নত করিয়া ধীরে ধীরে মাথাটি নাড়িলাম। তাহার সহানুভূতি গভীরতর ૨s8