পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৫৬৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমার ত না গেলেই নয় f" - - - তুমি এস গিয়ে। ও আমার কিছ নয়! রাত্রে একটা উপেস দেবো না হয়। চল তোমার গোছ-গাছ ক'রে দিষ্টগে।” গোছগাছের বিশেষ কিছু প্রয়োজন ছিল না। দই একদিনের জন্য টরে যাইবার বস্ত্রাদি একটা স্টকেসে গোছানই থাকত। গহভূত্য ও আন্দালিতে মিলিয়া বিছানা বধিয়া ফেলিল। আন্দালি ঠিকাগাড়ী ডাকিয়া আনিল। বিছানা, সন্টকেস ও জলের সোরাই সহ সাব-ডেপুটিবাব টেশন অভিমুখে যাত্রা করিলেন। বলিয়া গেলেন, পরশ দপুরবেলা নাগাইদ ফিরিয়া আসিবেন। - সেইদিন বৈকালে ধোবা আসিল। গতবারে তাড়াতাড়িতে ধোবাকে দেওয়া কাপড়ের তালিকা লিখিয়া রাখা হয় নাই—তবে কোন কোন কাপড় গিয়াছে তাহা মণিকার বেশ মনে ছিল। মণিকা কাপড়গুলি নাড়িয়া চাড়িয়া বলিল, “বাবর একটা এডির কোট গিয়েছিল যে ! সেটা আনিসনি ?” ধোবা বলিল, “না মা, এ ক্ষেপে ত যায়নি।” মণিকা বলিল, “গিয়েছিল বইকি। আমার মনে হচ্চে।” ধোবা সবিনয়ে প্রতিবা করিল। বলিল, উহা গত মাসে গিয়াছিল, এবং যথাসময়ে সে উহা দিয়াও গিয়াছে, মা খুজিয়া দেখিলে নিশ্চয়ই উহা বাড়ীতেই পাইবেন। মণিকা বলিল, “ত্মাছা আমি খ:জে দেখবো। কিন্তু যদি না পাই তা হলে তোমার হিসেব থেকে দাম কাটা যাবে বাপ !” দুই - পরদিন প্রাতে উঠিয়া মণিকা দেখিল, মাথাটা কেমন ভার ভর, চোখ দটাও জৱালা করিতেছে। চা-পান শেষ করিয়া সে স্বামীর এডির কেটের অনুসন্ধানে ব্যাপ্ত হইল। শয়নকক্ষের আলমারি ট্রাংক প্রভৃতি খোঁজা শেষ হইলে, অপর এক কক্ষে একটা কালো রঙের সটকেসের প্রতি মণিকার নজর পড়িল;—তখন তাহার সমরণ হইল, ঐ সটকেস ত কোনও দিন সে খোলে নাই, উহাতে কি অাছে তাহাও সে অবগত নহে। নাড়িয়া দেখিল, উহা ভারি মন্দ নহে, বল্লাদি থাকাই সম্ভব। সেই এড়ির কোট স্বামী যদি উহার ভিতর রাখিয়া থাকেন। কিন্তু উহার চাবি কই ? যে রিঙে অন্যান্য চাবি রহিস্নাছে সে রিঙে উহার চাবি ত নাই! সে রিঙের সব চাবিই ত মণিকার সুপরিচিত। হার একটা রিঙ আছে, উহাতে স্বামীর অফিসের চাবি থাকে। উহা শয়নঘরে শেলফের উপর থাকে, আপিস যুাইবার সময় স্বামী - উহা পাৎলনের পকেটে পরিয়া লইয়া যান। মণিকা শয়নঘরে গিয়া সেই রিঙ লইয়া আসিয়া, দই তিনটা চাবি লাগাইতেই কলটা খুলিয়া গেল। x - সটকেসের ভিতর হইতে কয়েকটা পরাতন কাপড় জামার তলেই বাহির হইল, সিকের রামালে বাঁধা কতকগুলি চিঠি । কোনওখানিরই খাম নাই। সত্ৰীলোকের সন্দের হস্তাক্ষরে লেখা চিঠি, স্বাক্ষর স্থানে “তোমারই মনোরমা।” রােমালখানি সহ চিঠির বাণ্ডিলটি বাহির করিয়া লইয়া, সন্টকেস বন্ধ করিয়া মণিকা শয়নকক্ষে ফিরিয়া আসিয়া বসিল চিঠিগলি কোলের উপর রাখিয়া, পড়িবে কি না, তাহাই ভাবিতে লাগিল। কার চিঠি কে জানে! তবে, স্বামীর সটকেসের মধ্যে আর কার চিঠি থাকিবে ? পরের চিঠি পড়া কি উচিত ?—কিন্তু স্বামী কি পর ? স্বামী যে তার অন্তরের অন্তরতম দেবতা। তারা,দজনে যে এক প্রাণ এক আত্মা, দেহই কেবল ভিন্ন। না না পর তিনি কখনই নহেন মনে মনে এইরুপ তরু করিয়া, অবশেষে মণিকা মাঝখান হইতে একখানি চিঠি টানিয়া লইয়া পড়িতে আরম্ভ করিল। ”ཝར་ཏ༣ ཨ་ཐ་ཝ་ཙཨ་ཤ་ཟ་ཙེ མ་ཤ་ཝ་ཧྲུབ་ཆ་ཤག་ এ কি, এ যে রীতিমত ७२९ " -