পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


DBB BB BBBS BB BB BBB BB BBBBB BBBB BBB BBS BB BBBBDBS তাহা কাযে পরিণত করিলাম। দলিলে লেখাপড়া করিয়া দিলাম। টেলিগ্রাফ করিয়া দাদাকে আনাইলাম। আমার এরাপ আচরণের পর আমার প্রতি আমার স্বামীর মনের ভাব কিরূপ হইল BBB BB SBB BBBB BBB BB BBBB BBBB BBBBB BBB BBS BBBB আমার স্বামী অামায় কত বুঝাইলেন—বলিলেন—“হরি! এখনও মতি পরিবত্তন কর। বড় আমি তখন ভাবে মত্ত। তাঁহার এই অনন্যসুলভ সহদেয় উদারতা আমি হৃদয়ে গ্রহণ করিতে পারিলাম না। যাইবার সময় তিনি বলিয়া দিলেন—“বলে রাখছি, যদি কখনও বিপদে পড়, তবে আমাকে সংবাদ দিতে সঙ্কোচ কোরো না।” দাদার সঙ্গে যাত্রা করিলাম। তাঁহার নিকট. কৃতকাষ্যের জন্য যে পরিমাণ প্রশংসা ও উৎসাহ পাইব আশা করিয়াছিলাম, তাহার কিছুই পাইলাম না। তিনি যেন কিছ অপ্রসন্ন। গাড়ীতে যতক্ষণ দুইজনে ছিলাম, ততক্ষণ তিনি বিমৰ্য হইয়া ভাবিতে লাগিলেন । শেষে বলিলেন—“হরি । কাযটা ভাল করলে না।” শনিয়া আমার কান্না পাইতে লাগিল। দাদার মুখে এই কথা ? কিন্তু কে আমায় এ পথের পথিক করিল ? লক্ষকোটি বঙ্গরমণীর জীবনের স্রোত যে পথে প্রবাহিত, আমার জীবনের স্রোত সে পথে বহিতে দিল না কে ? তিনি আমার জীবনে হস্তক্ষেপ না করিলে, এই ভৎসিনার সুযোগ ত পাইতেন না ! আমার চোখে জল দেখিয়া দাদা আমায় সান্ত্বনা করিতে আরম্ভ করিলেন। যে উৎসাহের কথা আশা করিয়াছিলাম, তাহা দিয়া আমাকে সম্পৰ্থ করিলেন। ভবিষাতে আমরা কোন পথে চলিব, কি করিব, কি পড়িব, এই সমস্ত আলোচনার অবতারণা করিয়া আমার প্রাণে মধ্যবটি করিলেন। বাড়ী আসিয়া রীতিমত পজাচ্চনা ও শাস্ত্রচচ্চা আরম্ভ করিয়া দিলাম। প্রথমটা দাদাও খুব উৎসাহ দেখাইলেন, কিন্তু মাঝে মাঝে সে উৎসাহ ক্ষীণ হইয়া-আসিত। আমি যেমন সমানে ছটিতাম, তিনি তেমন পারিতেন না। তিনি যেন খানিক ছটিতেন, খানিক বসিয়া বিশ্রাম করিতেন। আমার কথা স্বতন্ত্র –আমি এখন সবাধীন জীবন যাপন করিতেছিলাম, আমার স্বামী নাই, কোনও বন্ধন নাই, আমি বনবিহঙ্গীর মত যেমন দ্রুত উড়িতেছিলাম, দাদা তেমন পরিবেন কেন ? তাঁহার সন্ত্রী তাঁহার পঠে আরোহণ করিয়া। একটু ছটিয়াই হফিাইয়া পড়িতেন। আমি একদিন সযোগ দেখিয়া বলিলাম, --"দাদা। তোমার কম নয়, তোমার মন চঞ্চল হয়েছে।” তোমরা বুঝিতে পারলে ত, আমি কেমন মজার প্রতিশোধটি লইলাম : দাদাও একদিন আমাকে ঠিক এই কথা বলিয়াছিলেন। সে দিন আমার সমস্ত রাত্রি কাঁদিয়া কাটিয়াছিল। দাদার মুখে চক্ষে সে ভাবের লেশমাত্র না দেখিয়া আশ্চৰ্য্য হইলাম। যেন ভাবটা, এ আপদ চকিলেই বাঁচ। হায় মহাত্মাগণ ! কেন তোমরা দাদাকে বিবাহ করিতে অনুমতি দিয়াছিলে ? ছোটবউ শধ্যে দাদার বিঘা জন্মাইয়া ক্ষান্ত ছিলেন না, সযোগ পাইলেই আমারও পথরোধ করিবার চেষ্টা করিতেন। দাদার পঠে আরোহণ করিয়া তাঁহার গতির খববতা করিয়াছিলেন, আমাকে নিকটে পাইলেই, যথাসথানে বসিয়া আমার পঠে চাবক হাঁকাইতেন। উপমার খাতিরে কথাটা যেমন লঘুভাবে বলিলাম, তাহা নয়। পরের মুখে অনেক কথা শুনিতে পাইতাম :–একদিন সবকণে শুনিলাম--তাঁহার একটি প্রিয় সখীকে বলিতেছেন—“এমন ত কখন সাতজন্মেও শুনিনি।” ছোটবউয়ের সখী বলিলেন—“আমার ত বিশ্বাস হয় না ভাই যে ও ইচ্ছে করে সবামীত্যাগ করে এসেছে। বোধ করি ওর সবভাব চরিত্র দেখে স্বামী দরে করে তাড়িয়ে দিয়ে & R.