পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৫৯১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


AAAAS SSSS DDS gggg ggg BBB BBBBBB BB BB BBB BBBB BBB BBB জেলে চড়িয়ে দিগে যা, বিছানা-টিছানা আমিই সব ঠিক ক’রে রাখছি।” w কিশোরীর-মা চলিয়া গেল। তোষক প্রভৃতি লইয়া সশোভনা শয্যা প্রস্তুত করিয়া, আবার ছাদে গিয়া উঠিল। যন্ত্রে চক্ষলগ্ন করিয়া দেখিল, পাকী ফিরিতেছে—তাহার পিতা ও অপর ভদ্রলোকটি পদব্রজে অসিতেছেন। পালকী দ্রুত আসিতেছে। তাই ত, রোগী আসিয়া পড়িবে, পিতা পশ্চাতে রহিলেন যে! সশোভনা আবার নামিয়া গেল। সরকারবাবকে ডাকিয়া তাঁহাকে সব কথা বঝোইয়া বলিল। সরকারবাব ফটকের নিকট গিয়া বারবান ও মালীকে ডাকিয়া, রোগীকে নামাইয়া বিছানায় লইয়া যাওয়া সম্বন্ধে যথোপযন্ত উপদেশ দিতে লাগিলেন। বামনঠাকুর ও রামকিষণ ভৃত্যও সাহায্য করবে। সুশোভনা বারান্দ্যয় উঠিয়া পথপানে চাহিয়া দাঁড়াইয়া রহিল। দেখুিতে দেখিতে পালকী আসিয়া পৌছিল। পালকী বারান্দার, উপরে উঠানো হইল। রোগী যন্ত্রণায় কাংরাইতে কাংরাইতে, একবার চক্ষ খালিয়া সশোভনার প্রতি চাহিল। বলিল, “টেলিগ্রাম করে কলকাতা থেকে ডাক্তার অ্যানান—বড় যন্ত্রণা।” সুশোভনা বলিল, “তাই অনাচ্ছি। বাবা আসন । আপনার কোনখানে বেশী লগেছে, বলন দেখি !" রোগী কাৎরাইতে কাৎরাইতে বাম পদে হটির নিম্নস্থান দেখাইয়া ব্ললিল, “বোধ হয়, ফ্ল্যাকচার হয়েছে।” অলপক্ষণ মধ্যেই হরিশতকরবাব রোগীর বন্ধ সংকুমারের সঙ্গে আসিয়া পেপছিলেন। চণে-হলুদ প্রস্তুত জানিয়া তিনি জখমের পথানে উহ। লাগাইয়া ফ্ল্যানেল জড়াইয়া বেশ করিয়া বুধিয়া দিলেন। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই রোগীর যন্ত্রণার লাঘব হইল, তাহার কাংরানি বন্ধ হইল, নিদ্রার আবেশ দেখা দিল। হরিশংকরবাব বলিলেন, “সন্ধ্যার আগে কলকাতার যাবার ট্রেণ ত নেই—তাতে অনেক সময় নষ্ট হবে যে ! বরঞ্চ অমরবাবর ফামের ম্যানেজার-কি নাম বললেন যে—তাঁকে টেলিগ্রাম করে দিন, তিনি মেডিকেল কলেজের কোন ভাল সাতজনকে সঙ্গে নিয়ে আসনে । এখন বেলা দেড়টা-সন্ধ্যা নাগাদ তিনি ডাক্তার নিয়ে এসে পড়তে পারবেন।” তদনুসারে রোগীর অবস্থার সব কথা খলিয়া একখানি দীঘ টেলিগ্রাম প্রেরিত হইল । - রোগী জাগিলে, মাঝে মাঝে তাহাকে গরম দধে পান করানো হইল। বেলা পাঁচটার সময় তার আসিয়া পৌছিল, ম্যানেজারবাব সাহেব ডাক্তারসহ সন্ধ্যা আটটার ট্রেণে আসিয়া পেপছিবেন, অমরেন্দ্রনাথের সী ও ভগিনী ঐ সঙ্গে আসিত্তেছেন; টেশনে যান-বাহনের যেন ব্যবস্থা থাকে। * হরিশঙ্করবাব যথোপযুক্ত ব্যবস্থা করিবার জন্য তাঁহার সরকারকে স্টেশনে পাঠাইয়া দিলেন। স্কুমার বলল, “সরকার-মশাই, অমরেন্দ্রবাবর একজন বাবচ্চি এসেছিল আমাদের সঙ্গে, ওয়েটিং-রমে বারান্দায় তাকে দেখতে পাবেন, তাকে একখানা টিকিট কিনে দিয়ে কলকাতায় ফিরে যেতে বলবেন, এই টাকা নিন।" | - রাত্রি নয়টার মধ্যেই সকলে আসিয়া পেপছিলেন। ডাক্তার সাহেব অমরেন্দ্রনাথের ভাঙ্গা হাড় সেটা করিয়া মক্ষমরপে ব্যান্ডেজ বধিয়া, এক্সটেন্সন প্রোসেসে লোহার শিকের ফমীয় উহা আটকাইয়া, সেই ফক্ষমা পালকের ছত্রীতে দড়ি বধিয়া বলাইয়া দিলেন। ভাঙ্গা পা বিছানা হইতে চার-পাঁচ ইঞ্চি উদ্ধে, বদ্ধ অবস্থায় দোদুল্যমান। বলিলেন, পরে তিন সপ্তাহকাল, যত দিন ভাঙ্গা হাড় না যোড়া লাগবে, ততদিন রোগীকে এই অবস্থাতেই থাকিতে হইবে। সে শ্যইয়া থাকিবে, যদি যন্ত্রণাবোধ না হয়, অব এক উটু সিতেও পারে। কিন্তু শয্যাত্যাগ করিতে - ෆ'8 > -