পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৬১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কিন্তু হয়ত আমি তাঁহার প্রতি কিঞ্চিৎ অবিচার করিতেছি। গর স্বভাবতঃ মচি বা কুপ্রবত্তিশালী নহেন, আমি তাঁহার শতসহস্র প্রমাণ পাইয়াছি। হয়ত পাব হইতে তাঁহার কোনও দরভিসন্ধি ছিল না। ঘটনাক্ৰমে মহদত্তে'র প্রলোভনে তিনি হয়ত আত্মকিমত হইয়াছিলেন। তাঁহার পরবত্তী ব্যবহার হইতেও ইহাই অনমান করা সংগত। শনিতে পাই তিনি সে আশ্রম ত্যাগ করিয়াছেন। আপনার সন্ন্যাসীবেশকে ভাড়ামি জ্ঞান করিয়া তাহাও দরে নিক্ষেপ করিয়াছেন। এখন নাকি বাহ্যাড়শবরহীন সাধতার জীবন যাপন করিতে প্রবত্ত আছেন। অ্যর একবার তোমাদের নিকট আমাকে মাতজনা ভিক্ষা করিতে হইল । সে ঘটনাও পঙ্খোনুপুঙ্খরুপে আমি বর্ণনা করিতে পারিব না। শধে তাহার পরিণাম মাত্র বলি। একদিন গভীর রাত্রে যে গর দেবের হস্ত ধারণ করিয়া পিতৃগহ হইতে অপসত হইয়াছিলাম, সেই জববলপুরের পাহাড়ে আর একদিন গভীর রাষ্ট্রে—গরদেব তার বলিব না --সেই গরু-দানবকে গবিবত পদাঘাতে ধরাশায়ী করিয়া বীর অমল্য সতীত্ব মৰ্য্যাদা অক্ষম রাখিয়া সবামীগৃহাভিমুখে যাত্রা করিলাম। আমার ভুল ভাগিল। তৃতীয় দিন রাত্রি দুইটার সময় জামালপরে টেশনে পেপছিলাম। তখনও তাযার অঙ্গে সেই পবব্ধত সন্ন্যাসীপারষের বেশ । - রাত্রি আছে দেখিয়া আমি মোসাফিরখানায় বসিয়া রহিলাম । আকাশ পাতাল কত কি চিন্তা করতে লাগিলাম। মনে পড়িল, দুই বৎসর পবে এই জামালপরে স্টেশনে দাদার সঙ্গে গাড়ীতে উঠি । তাহার পর হইতে আর স্বামীর কোনও সংবাদ পাই নাই । তিনিও আমার কোনও সংবাদ লন নাই—যদি গোপনে লইয়া থাকেন তবে আমি জানি না। ভূত দিন কি আর তিনি বিবাহ করেন নাই ? বিবাহ না করলেও আমাকে যে গ্রহণ করিবেন, তাহার কি সমভাবনা আছে ? তিনি কি আমার নিন্দের্ণষিতায় বিশ্ববাস করবেন ? তিনি যদি করেন, তবে আমার বাশুড়ী বিশ্বাস করিবেন কেন ? যদি বাঁশড়াও বিশ্বাস করেন, তবে পাঁচজনে বিশ্বাস করিবে কেন ? এই পাঁচজনের জন্যই ত রামচন্দ্র সতীকুলের আরাধ্যা দেবী সীতাসুন্দরীকে বনবাসে পাঠাইয়াছিলেন। স্বামী যদি বিবাহ করিয়া থাকেন, তবে কি আমি তাঁহার সংসারের দাসী হইয়া থাকিতে পাইব না ? না হয় আত্মপরিচয় দিব না। আর একবার বনে যাইব । বনে গিয়া এ পোড়ামুখ আগমন দিয়া সথানে পথানে পোড়াইয়া দিব। ক্ষত শতক হইলে আমার মুখ বিকৃত হইবে; কেহ তার চিনিতে পারবে না। তখন আসিয়া সবামীর সংসারে দাসী হইব। যদি না iাখেন ?—আমি বলিব, “আমি অর্থ চাহি না, শুধু একবেলা দুইটি খাইতে দিও। আমি ভিখারিণী, আমায় দয়া কর।” ইহাতেও কি দয়া হইবে না ? আমার স্বামীর দয়ার শরীর। আমার শ্বাশুড়ীরও সেইরূপ —আর যদি দেখি বিবাহ করেন নাই ? ছদ্মবেশে থাকিয়া কৌশলে মনের ভাব বুঝিতে চেষ্টা করিব। সংযোগ পাইলেই আত্মপ্রকাশ করিব। তাহার পর কপালে যাহা আছে, তাহাই হইবে। দাদার বাড়ী তার ফিরিব না। বউ পোড়ারমুখী বাঁচিয়া থাকিতে নয়। কোনও উপায় না হয়, মা গঙ্গার কোলে আশ্রয় sহল । সে ত আর কেহ রোধ করিতে পারবে না ! ফসর্ণ হইল। আমি ঈশ্বরের নাম স্মরণ করিয়া স্টেশন ছড়িলাম। বৈদ্যপাড়ায় সদর tাণ্ডার ধারেই আমাদের বাড়ী। চিনিয়া চিনিয়া গেলাম। ধাড়ীর বাহিরেই দুইটা খে৷৬ানিমের গাছ ছিল, বাড়ী চিলিতে কষ্ট হইল না। কাছাকাছি গিয়া দেখিলাম, সদর inঞ্জা খোলা; একটা হিন্দসথানী ছেলে, পিতলের ঘড়া মাথায় করিয়া বাহির হইল। প"oং পশ্চাৎ আমার স্বপ্রদেবী নামাবলী গায়ে জড়াইয়া হরিনামের মালা হাতে করিয়া গা০িয় হইলেন। সে দিন পণিমা, বুঝিলাম মা ভোরের গাড়ীতে মঙ্গেরে গঙ্গানান tttBB BBDD S BBBBS BBB BBB BBBBS BBB BBBB BBBB BBB গরিতে পারিলাম না । & &