পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৬১৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


“কোন ডাক্তার ?” e - “হরগোবিন্দ—হরগোবিন্দ। গভর্ণমেন্টের নিমক খেয়ে যে নিমকহারাম" করে।” "না-তা ত জানি না।” “শীঘ্ৰ সন্ধান করে আসন।” “हुरुन् ?” “তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে। সাহেব,মারা মোকদ্দমায় তারাও ছিল প্রমাণ পেয়েছি।” “যে অজ্ঞে।"—বলিয়া জমাদার প্রস্থান করিল। তখন দারোগাবাব; ক্ষধিত ব্যায়ের মত থানার বারান্দায় ছাটাছুটি করিয়া বেড়াইতে লাগিলেন। এত অপমান। চাকরে কাণ ধরিয়া উঠাইয়া দিবে? দারোগাকে তুষ্ট-তোকারি। কেন, হরগোবিন্দ মনে করিয়াছে কি ? দারোগাবাব ভাবিতে লাগিলেন—“ছেলে দটোকে ত এখনি ধরে আনছি। কিন্তু ডাক্তারকে আরও জব্দ করতে হবে। ওর নামে একটা মোকদ্দমা খাড়া করতে হচ্চে । চোরাই মাল রাখে—ডাক্তার চোরেদের কাছ থেকে অলপ মল্যে চোরাই মাল কেনে। খানাতল্লাসী করে বাড়ী থেকে রাশি রাশি চোরাই মাল বের করে ফেলব এখন-তার কৌশল আছে। হাকিমের বিশ্বাস হবে ত? হবে না আবার? দারোগারা হল ডেপুটিবাবদের গরপত্র ! ছেড়ে দেবেন ? সাধ্য কি। পলিস-সাহেবকে দিয়ে এমন লবা রিপোর্ট করাব-অমনি ডেপুটি বাছাধনের তিনটি বছর প্রোমোশন টপ। দারোগার এত খাতির ডেপটিরা করে কি জনো ? এই জন্যেই ত। কিন্তু জজ সাহেব যদি আপলে খালাস দেয় ? যদি বলে এত বড় একটা ডাক্তার, এত টাকা রোজগার করে, সে চোরাই মাল রাখে এও কি সম্ভব হয় ? তার চেয়ে ইয়ে করা যাক-বরং একটা ঘষের মামলা দাঁড় করাই। এই যে সে দিন হাংগামার মোকদ্দমায় কয়েকটা জখমী পাঠিয়েছিলাম পরীক্ষা করতে, ডাক্তারবাব সামান্য জখম বলে সার্টিফিকেট দিয়েছেন। তারই একটাকে দিয়ে নালিশ করাই যে তার জখম গরতর ছিল, ডাক্তার আসামীদের কাছে তিনশো টাকা ঘষে নিয়ে সামান্য জখম বলে সার্টিফিকেট দিয়েছে। তা হলে আর যাবেন কোথা ? আমার হলফুমে বেটা লালিশ করবে না ? সাধ্য কি —ধরে ১১০ ধারার চালান করে দেব সে ভয় রাখে মা ?” এই সময় জমাদার ফিরিয়া আসিয়া বলিল, “ডাস্তারের বড় ছেলের নাম অজয়চন্দ্র, ছোট ছেলের নাম সশীলচন্দ্ৰ।" দারোগাবাব, তখন কাগজ কলম লইয়া কোটবাবর নিকট ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবের নামে একটি কনফিডেনশিয়াল রিপোর্ট' লিখিয়া, পাঠাইলেন। আমরা নিম্নে তাহার অবিকল প্রতিলিপি প্রকাশ করিলাম। শ্ৰীল শ্ৰীজত ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব বাহাদর * সমীপেষবিচারপতী ! হাজারের হরকুম মোতাবেক সাহেব মারা মোকদ্দমার তদন্ত করিতে করিতে আর দই আসামীর নাম প্রাপ্ত হওয়া গিয়াছে অজয়চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও শসীলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ইহাদের পীতা সরকারী ভাণ্ডার হরগোবন্দি চট্টোপাধ্যায় হয় অজয়চন্দ্ৰ তাত দাদাত বেত্তী কলিকাতায় শীরেন্দ্রবাবর কলেজে অধ্যায়ন করে প্রকাশ তাহারই হুকুমসত্রে অন্য । অন্য আসামীগন শাহেবকে মাইরপীট করিয়াছে দইজনকে ৫৪ ধারা অনুসারে অদ্য ধত করিবার বন্দোবস্ত করিয়াছী। ২। বিসেস তদন্তে আরও জানিয়াছ উক্ত অজয়চন্দ্র কলিকাতা বাঁডনস্কোয়ার হাঙ্গামাতে লীপ্ত ছিল সে এখানে আসিয়া একটা লাঠী খেলা সমিত" স্থাপন করিয়াছে তাহাতে পথানীয় অনেক লোক চাঁদা দেয় ডাক্তারের ছোট পরে শসেীলচন্দ্র অপবয়স্ক হইলেও অত্যন্ত দন্ট সে এখানে অনেক বালক লইয়া একটী চাঁল ছোড়া সমিত স্থাপন - . Xb" -