পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৬৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমাজ’নীয়। কুমারী মহান্তি কি বলেন?" &TT org; of Tom zoos, “Judge not, that ye be not judged," — অথ"াং কাহারও বিচার করিও না, পাছে তোমায় ঈশ্বরের বিচারাধীন হইতে হয়। ) গহিণী বলিলেন, “দেখিলেন, বাইবেলখনি আমার ডোরার একবারে কণ্ঠস্থ।”— তাঁহার মাতৃহাদয় কন্যা-গৌরবে সফীত হইয়া উঠিল। রামনিধি বলিলেন, “উহার উপস্থিত বৃদ্ধি প্রশংসনীয়। বেশ কৌশলে জাল কাটিয়া বাহির হইলেন।" কিয়ৎক্ষণ এইরুপ কথাবাত্তার পর, ডাক্তার কৃষ্ণস্বামী আসিয়া উপস্থিত হইলেন। গহিণী রামনিধিবাবরে সহিত ইহার পরিচয় করিয়া দিলেন। ক্ৰমে অধ্যাপক মহান্তিও আসিয়া সভায় যোগদান করিলেন। মহান্তি মহাশয় বলিলেন, "মিটার দাস—আপনি আমাদের গির্জা দেখিয়াছেন ?” “দেখিয়াছি। কলেজের নিকট বড় বাগানওয়ালা গিজটি ত ?” "না, সেটা য়রোপীয়দিগের গিজর্ণ। আমাদের গিজর্ণ মিশন প্রেসের নিকট। আমাদের গিজটি য়রোপীয় গিজার মত অত সন্দের না হউক, তথাপি মফস্বল টেশনের পক্ষে বেশ ভাল গিড়জ" বলিতে হইবে। রবিবারে আপনাকে লইয়া যাইব ।” কুমারী ডোবা বলিলেন, “বাবা, এবার রবিবারে ত হোলি কমিউনিয়ন সাভিস, তামাদের য়-রোপীয় গিজায় যাইতে হইবে।” অধ্যাপক মহাতি বলিলেন, "হাঁ হাঁ ভুলিয়া গিয়াছিলাম। এ রবিবারে য়রোপীয় ও দেশীয় খাটানগণ একত্র হইয়া হোলি কমিউনিয়নে যোগদান করিবেন।” রামনিধি বলিলেন, "দেশীয় গিজায় হোলি কমিউনিয়ন হয় না কেন ?" “হইবার অবশ্য কোনও বাধা নাই। তবে মানবের ভ্রাতৃত্ব সাঁচত করিবার জন্য, প্রতি বৎসর ঐ দিন য়রোপীয় ও দেশীয় খন্টানগণ বড় গিজায় সমবেত হন।" রামনিধি বলিলেন, "বৎসরে একদিন মাত্র ? অন্য সময় য়রোপীয় গিজায় দেশীয় খাটানগণের কি প্রবেশ নিষিদ্ধ:" কথাটা বড় রাঢ় শোনাইল। মহাতি পরিবারের মখ যেন অন্ধকার হইল। মিসেস মহাতি য়রোপীয় হইলেও. নেটিভ বিবাহ করার গরতর অপরাধে কটকের য়-রোপীয় সমাজে জাতিচাত ছিলেন। মহান্তি মহাশয় তাড়াতাড়ি বলিলেন, না না, প্রবেশ নিষিদ্ধ নয়। ইচ্ছা করিলে দেশীয় খাটনিও সাহেবদের গির্জায় গিয়া উপাসনায় যোগদান করিতে পারে। অবশ্য, পোষাক পরিচ্ছদ একটু সভ্য ভবা হওয়া আবশ্যক।” কুমারী ডোরা বলিলেন, “বাবা, পোষাক পরিচ্ছদের এরপ কড়া নিয়মে, যীশ যে vবাদশ শিষ্যকে প্রচারাথ নানা থানে পাঠাইয়াছিলেন, তাঁহারা আসিলে কেহই এই সাহেবদের গিজর্ণয় প্রবেশ করিতে পাইতেন না; কারণ যাঁশ আদেশ দিয়াছিলেন, তোমাদের . কাহারও একটির বেশী দুইটি কোট থাকিবে না, পায়ে জনতা থাকিবে না।” মহাতি-গহিণী দেখিলেন, কথাবাত্তার স্রোত ক্ৰমে অপ্রীতিকর বিষয়ের দিকে প্রবাহিত হইতেছে। তাই তিনি নিপুণতার সহিত বিষয়ান্তরের অবতারণা করিলেন। ডাক্তার —তাঁহার ভাবটা যেন, “ভায়া হে, এখনও চৌকাঠ পার হও নাই। পার হইলে অনেক আশচয" সংবাদ জানিতে পারবে।" নবম পরিচ্ছেদ ॥ ভ্রাতৃত্বের পরিচয় মহাতি পরিবারের অমায়িক সদর বু্যবহারে রামনিধিবাব বড় প্রীত হইলেন। ইহাদের বিশেষ আগ্রহে, ডাকবাঙ্গলা ছাড়িয়া এখন রামনিধিবাব মহান্তি গহেই অতিথি। রবিবার আসিল। মানবাব ফল ফু মান্ত পলিলে মাহত মানে