পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


BB BBBB BBB BBBBS BBBBBSSSBBBB BBBS BB GttStttSttB KBBBS যখন একবার আপনার পত্রকে দান করেছি, তখন আর তার একর৩ি মInং গিয়ে মেশ ল। তবে কিছুদিন আপনাকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে, আপাততঃ আপনাকে দিতে পারছিনে ৷” শুনিয়া মখায্যে মহাশয়ের মুখ শুকাইয়া গেল। ভাবিলেন, বুঝি বেহাই অলঙ্কায়গলি কোথাও বন্ধক দিয়াছে। তাহা হইলে ত সববনাশ ! বলিলেন--"কেন, এখম দিতে বাধা কি ?” হষেীকেশ দীঘ নিঃশ্বাস ত্যাগ করিয়া বলিলেন—“এই সদ্য শোকটা পাওয়া গিয়েছে, এখনও ছ মাস হয়নি। আর কিছ দিন যেতে দিন। বাক্স থেকে সে অসৎকার এখন বের করে কে বলন ? মেয়েদের কোথায় কি থাকে কোথায় কি না থাকে, আমি ও কিছুই জানিলে। গিন্নী সে কালরাত্রির পর থেকে সে ঘরেই আর ঢোকেন নি। তাঁর বড় আদরের শেষ মেয়েটি, কিছুতেই তাঁকে বোঝাতে পারিনে। তার ঘরে পদাপণ করেন না, তার কোন জিনিষটি ছতে হলে কে’দে আকুল হন। এমন অবস্থায় কি করে তাঁকে বলি, তোমার মেয়ের বাক্স খুলে গহনাগলি বের করে দাও। শোকটা এখন বড় নতুন, কিছ দিন আর যেতে দিন।” গহনা দেওয়ার বাধাস্বরূপ হৃষীকেশ কারণ যাহা দেখাইলেন, তাহা নিতান্তই সত্য; —তবে সকলের কাছে এ কারণ যথেষ্ট বলিয়া মনে না হইতে পারে । সীতানাথেরও মনে হইল না। একট রাগ হইল। বলিলেন— “ভাই, শোক আমারই কি লাগেনি ? তবে কি করব ? সংসার করতে গেলে শোক তাপ ত অাছেই । এ থেকে কেউ নিস্তার পেলে এমন ত দেখলাম না-তা সে রাজাই বল, বাদসাই বল, আর পথের ভিখারীই বল। তব সংসারী লোককে দদিনে তা ভুলে গিয়ে খেতে হয়, শাতে হয়, হাসতে হয়, সংসার ধমের সবই করতে হয়। তা তাঁর যদি অত শোকই হয়ে থাকে, তবে তুমিই না হয় চাবিটা চেয়ে খালে আনগে না।” হষীকেশ আবার কিছুক্ষণ মৌনভাবে তামাক টানিতে লাগিলেন। বিলম্ব দেখিয়া সীতানাথ একবার তাগাদ করিলেন । তখনও হষীকেশ গহনাগলি রাখিবার আশা ত্যাগ করতে পারেন নাই। একট কাতর ভাবে বলিলেন—“বেয়াই মশায়, একটা বৎসর যেতে দিন। তখন এসে গহনাগুলি নিয়ে যাবেন। যদি আজ্ঞা করেন ত আমিই মাথায় করে সেগুলি আপনার বাড়ী পৌছে দেব।” সীতানাথ রক্ষসবরে উত্তর করিলেন—“মানুষের শরীর—পদ্মপত্রের জল। আজ আছে কাল নেই। এক দণ্ডের কথা বলা যায় না, এক বৎসর যদি আমি না বাঁচি ?” হষীকেশ মনে মনে বলিলেন—“না বাঁচ ত ঐ গহনাতে তোমার শ্রান্ধের যোগাড় করা যাবে।” প্রকাশ্যে বলিলেন—“তা হলে আপনার গহনা আমাদেরই কাছে থাকবে। ঐ গহনা দিয়ে আপনার পৌত্রীর বিবাহ দেব।” সীতানাথ শেলষের সবরে বলিলেন—“তুমি কি মনে করেছ আমার নাতনী চিরদিনই তোমার ঘরে থাকবে ? একটু বড় হলেই ওকে আমি নিয়ে যাব। বড় বউমা মেয়েটিকে দেখবার জন্যে পাগল । আসবার সময় আমাকে বললেন— বাবা আমিও তোমার সঙ্গে যাব ? খকিকে দেখে আসব ? বিবাহের কথা বলছ, তা ভাই আমাদের এমন কপাল কি হবে ? ঐ মেয়ে কি বাঁচবে ? ওর যে রকম চেহারা দেখলাম তাতে কোন মতেই ত সে আশা করা যায় না।” হষীকেশ ব্যবসায়বন্ধি-সম্পন্ন লোক –স্তোকবাক্যে ভুলিবার পাত্র নহেন। বলিয়া ফেলিলেন—“তা গহনা এখন থাকুক না। যখন মেয়ে নিয়ে যাবেন তখনই গহনা নিয়ে যাবেন ৷” ుడి