পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৬৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মানুষের মত রক্তপাত হয়, তাঁর ফোটোগ্রাফ পৰ্যন্ত তোলা হয়েছে ; ফোটোগ্রাফ থেকে তৈরি ছবি আমার বইয়ে আছে—আসবেন, দেখাব।” সুরেন্দ্রবাব মদ মদ হাসা করিয়া বলিলেন—“আপনারাও যেমন ভালমানষে ; ঐ সব বিশ্ববাস করেন? ভূতবাদীদের কত জোচ্চার ধরা পড়েছে তার সংখ্যা নেই। কেটি কিং-এর দেহে ছুরি ফটিয়ে রক্তপাত হয়েছে ঐটে আপনি বিশ্বাসযোগ্যতার প্রমাণ বলে BB BBBBBS BBB B BB BBB BB BBBS BBB BBB BB B BBBBSBBB শরীরী মানুষ একটা দাঁড়িয়ে রয়েছে দেখছি—তা হলে বরং বিশ্বাস হত এটা বাসতবিক মানুষ নয়। এ ক্ষেত্রে দেখন, ভূত, তিনি বাড়ীর সামনেই বটগাছে থাকেন। চিঠি যখন লিখতে পারেন, তখন অনায়াসেই মাত্তিগ্রহণ করে নিজের বক্তব্য বলে যেতে পারতেন। কিন্তু তা না করে থাম, কাগজ, কালি, কলম সংগ্রহ করবার কার্ট স্বীকার করলেন। এইটকু থেকে এইটুকু—চিঠিখানি টেবিলের উপর রেখে গেলেই হত, তা না করে এক মাইল দরে পোস্ট আপিসে গেলেন তাকে পোর্ট করতে ; আবার দটো পয়সা খরচ করে টিকিট কিনতে হল। মশায়, ভৌতিক জগতে পয়সা ঘদি বসতবিকই এত সস্তা হয়, তা হলে না হয় সেইখানে গিয়েই প্রাকটিস সরে কার ।” মনোহরবাব একট, বিরক্তির সহিত বলিলেন—“মশায়, জনিষটা হাসি তামাসার নয়। এসব গভীর বিষয় । অনেক চচ্চা, অনেক আলোচনা না করে এ বিষয়ে মতামত প্রকাশ করা উচিত নয়। ভৌতিক জগৎ থেকে ডাকে চিঠি আসা এই প্রথম নয়। হিমালয় থেকে মহাত্মারাও মাঝে মাঝে ডাকে চিঠিপত্র লিখে থাকেন। কুটবিলাল নামক এক মহাত্মা এ রকম অনেক চিঠি আমাদের মাদাম ব্রাভার্টসিককে লিখেছিলেন। তাঁরাও মনে, করলে সাক্ষাৎ আবিভাব হয়ে বক্তব্য বলে যেতে পারতেন কিবা চিঠি উড়িয়ে টেবিলের উপর ফেলে যেতে পারতেন—কিন্তু ডাকেই তাঁরা চিঠিপত্র পাঠাতেন।” - ইহা শুনিয়া শিক্ষিত মোক্তারবাব মদ মদ হাস্য করিতে লাগিলেন। বলিলেন - "কুটখিলালের চিঠি ত কোন কালে জাল বলে সাব্যস্ত হয়ে গেছে। ডাক্তার হজসন বলে একজন বৈজ্ঞানিক নিজে ভারতবর্ষে এসে এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে প্রমাণ করে দিয়েBBB BB BBB BBBB BB BBBBB Bu KB BBBS BB BB BB BBBBBB S BBB BBBB BBBBBBBBB BBBBB BBB BBBB BB BBBDDSAgB BB ঈষ্যাপরায়ণ লেখকের বই পড়বেন না। আমার কাছে আসবেন, ভাল ভাল বই সব আপনাকে পড়তে দেব। তা পড়লে আপনার সমস্ত অবিশ্ববাস দরে হয়ে যাবে। মাদাম ব্লাভাটসিক যে ধাতবড় লোক তা তাঁর আইসিস অন ভেলভ’ বইটে পড়লেই বুঝতে পারবেন।” সরেন্দ্রবাব মচোকয়া হাসিয়া বললেন– সে বইটে পড়িনি বটে, তবে এডমন্ড গ্যারেট প্রণীত আইসিস ভেরি মচ আনভেলন্ড—অর দি স্টোরি অব কি গ্রেট মাহাৎমা tহাক্স বইটে পড়েছি। লাইব্রেরিতে আছে। দেখতে চান ত এনে দিতে পারি।" এ কথায় মনোহরবাব রাগিয়া আগন হইয়া উঠিলেন। বলিলেন—“ঐ আপনারা এক কথা শিখে রেখেছেন : গাল দেওয়া যায় না এমন ভাল জিনিষই নেই। যত সব ফুচক্ৰী বদমায়েস লোক মিছামিছি মাদামের অপরাধ রটন করেছে।” এমন সময় বাহিরে শব্দ উত্থিত হইল—“বাব-চিঠি আছে।" পরমহমত্তে ডাকপিয়ন প্রবেশ করিয়া ক্ষেত্রবাবরে হাতে একখানি পত্র দিল। পত্ৰখানি হাতে লইয়াই ক্ষেত্রমোহনবাবর চক্ষুস্থির হইয়া গেল। ম—“মশাই—আবার সেই ।” পত্র থলিয়া পাঠ করিয়া সেখানি সকলের সম্মুখে ফেলিয়া দিলেন। থিয়জফিস্টবাবটি অতি আগ্রহের সহিত সেখানি কুড়াইয়া লইয়া পাঠ করিলেন। শেষে নবীন মোজারবাবরে হাতে সেখানি দিলেন। পাখানি এইরপ— শ্ৰীশ্ৰী দলগ বেহায় প্ৰণাম পবেক নীবেদনঞ্জ বিসে,