পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৬৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দবারা এ কাজ হবে না।” . “কি ? নিলভে কেবে না ? লাভ নেবে সে কড়ারে ত তোমায় টাকা দেওয়া হয়নি।” আমি বলিনি। তাঁত-সূত আমি খলব না। আমি ও টাকা ভটচযিাকে ফিগুrg"দয়ে আসব।” যুবক ব:মল—“তাঁ! ফিরিয়ে দেব ?" ৩্যাক্স হ্যাঁ। “সব টাকা : , SBB BB MeggG BB KKKBkJB BBB B BBBB BBB BB BB BBS রাইচরণ হাসিয়া বলিল—”খাবার ভাবনা কি বাব : জীব দিয়েছেন যিনি আহার দেবেন তিনি! গাছের পাতা খেয়ে থাকব সেও ভাল, তব আপমের কড়ি •፲፱ ! দেখন, আর-জন্মে কত পাপ করেছিলাম, তাই এ জন্মে এভ কট পাচ্ছি। আবার এ জন্ম যদি ব্রাহ্মণের ব্রহ্মসব হরণ করি, তা হলে আর-জন্মে কুকুর শেয়াল হয়ে জন্মতে হবে যে !" ক্ৰোধকম্পিত সবরে, দন্তে দন্ত ঘষণ করিয়া চীৎকার করিয়া যবেক বলিল—“ফিরে দৈবে ?” “হ্যাঁ বব-কাল সকালবেলাই গিয়ে সমস্ত টাকা ভট্টাচাষির্ণকে ফিরে দিয়ে আসব।" “মখে-নরাধম—দেশদ্রোহী”—বলিয়া সকটে পদাঘাতে রাইচরণকে ধরাশায়ী করিয়া, যােবা রজনীর অন্ধকারের মধ্যে মিলাইয়া গেল। এই নগণ্য নিরক্ষর তাঁতিকেই নিজ প্রিয় সন্তান জ্ঞানে ভারতমাতা ক্ষে ধারণ করিলেন ; আশিবন, ১৩১৮ ] সতীদাহ ( अङा घछेना ) হিন্দুধৰ্ম্মম-বিহিত বিভিন্ন প্রকার অনুষ্ঠানগুলির মধ্যে, মত স্বামীর চিতায় বিধবার স্বেচ্ছাকৃত আত্মজীবন-বিসৰ্জনই সব্বাপেক্ষা শোচনীয় ব্যাপার। এই ভয়ঙ্কর প্রথাটি যে অতি প্রাচীন, তাহা ডাইওডোরস লিখিত গ্রন্থেই জানা যায়। তিনি লিখিয়াছেন— "অ্যান্টিগেনস ও ইউমিনিস যখন পরম্পরের সহিত যন্ধে প্রবত্ত তখন একদিন ইউমিনিস, অ্যান্টিগোনসের নিকট নিজ সৈন্যের মৃতদেহগুলি সংব র কারবার জন্য অনুমতি গ্রহণ করেন। এই সময়ে একটি অদ্ভূত কলহ উপস্থিত হইয়াছিল। মতের মধ্যে একজন ভারতীয় সৈনিক ছিল, তাহার দই সী—উভয়েই স্বামীর সহিত আসিয়াছিল। কনিষ্ঠা সন্ত্রীকে সে অলপদিন পবেই বিবাহ করিয়াছিল। বিধবার বাঁচিয়া থাকা ভারতীয় | শাস্ত্রানমোদিত নহে। স্বামীর চিতায় পড়িয়া মরিতে অসম্মত হইলে আমরণ তাহাকে নিন্দিত ও অপমানিত জীবন যাপন করিতে হয়। সে পনরায় বিবাহ করিতে পারে না, কোনও প্রকার ধক্ষেমাৎসবে. যোগদানও তাহার পক্ষে নিষিদ্ধ। শাস্ত্রে এক সন্ত্রী পড়িয়া মরিবার কথাই আছে, এ ক্ষেত্রে দলই পল্লী বৰ্ত্তমান। ேே করিতে লাগিল। এই উপলক্ষে উভয়ের মধ্যে তুমলে কলহ বুধিয়া গেল। একজন বলিল— ‘আমি জ্যেষ্ঠা, আমিই এ গৌরবের ন্যায্য অধিকারিণী। কনিষ্ঠা কহিল—“তুমি অন্তঃসত্ত্ব, শাম্মানসারে তোমার পড়িয়া মরা নিষিদ্ধ। অবশেষে কনিষ্ঠারই জয় হইল। জ্যেষ্ঠা তখন নিজ পরিধেয় বসন ও মস্তকের কেশ ছিড়িতে ছিড়িতে, বিলাপ করিতে করিতে সে পথ পরিত্যাগ করিয়া গেল—যেন তাহার কতই না দভাগ্য উপস্থিত হইয়াছে। কনিষ্ঠা স। না বিবাহোচিত বসন ভূষণে সজিত হইয়া, হাসিতে হাসিতে সগবে দাহন্থানে উপনীত হইল। নিজ বসনভূষণ সখিগণকে বিতরণ করিয়া, সকলের নিকট শেষ বিদায় লইয়া, অবিচলিত পদক্ষেপে, জ্যেষ্ঠভ্রাতার সাহায্যে স্বামীর চিতায় আরোহণ করিল। সমবেত দশকমণ্ডলী হষাসচক চীৎকার ও হরিধর্মনিতে অাঁকাশ বিদীণ করিতে লাগিল । যে পরিবারে কেহ “সতী” হয়, সমাজ মধ্যে সে পরিবারের যশের সীমা থাকে না।