পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৬৯৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সপ্তাহের কাপড়ের সঙ্গে সেখানি যাইবে। আশা করি প্রাট মাতজনা করিকেল। আপনার বিপ্লবসতভাবে মিসেস পি, সি, চৌধুরী উইলিয়ম হোয়াইটলি লিমিটেড। ১২৬ অ্যাডলেড রোড, হ্যাম্পটেড । পত্ৰখানি দুইবার পড়িয়া.গহিণী বলিলেন—“এ কোন পি. সি. চৌধুরী ? এ চিঠি তুমি কোথায় পেলে ?” “আমার ভাই প্রকাশের চেম্বাস থেকে আমার পড়বার জন্যে একখানা উপন্যাস চেয়ে এনেছিল। সেই বইয়ের মধ্যে এ চিঠি পেয়েছি।” শুনিয়া মিসেস রায় নিস্তবধ ভাবে বসিয়া রহিলেন। সরয বলিতে লাগিলেন— “কাল বিকেলে বইখানা এনে দিয়েছিল। কাল আর দেখবার অবসর পাইনি। আজ দপারবেলা বই খুলে দেখি, এই চিঠি তার মধ্যে। শিরোনামা পড়েই চমকে গেলাম । ভাবলাম, কি ভয়ানক —বিলাতে একজন মিসেস পি, সি, চৌধুরী ছিল : প্রথম মনে হল, শিরোনামায় হয় ত ভুলে মিসেস লিখেছে—চিঠি খালে পড়লেই সন্দেহ ভঞ্জন হয়ে যাবে। আবার ভাবলাম ভুলই হোক যাই হোক, পরের চিঠি পড়বার আমার অধিকার কি ? BBB BB DBB BBB BB BB BB BBBS BBBB BB BBBB BBBB BBBB কথা হয়েছে, তখন এ বিষয়ে অনুসন্ধান করবার অধিকার তোমার আছে।" -ভেবে দেখলাম কথাটা ঠিক। যদি বাসতবিকই প্রকাশ বিলাতে বিয়ে করে এসে থাকে, তবে সপ্রভার সঙ্গে D BB BB BBBB BB BBB BBB BBS BBB BB BBB BBBBB BB BBBB BBBS তা হলেও নয় ; কারণ ব্রাহ্মসমাজে দ্বৈতবিবাহের পাপ প্রবেশ করবে, এ ত কোন মতেই হতে দেওয়া উচিত নয়। সতরাং এ চিঠি দেখা সাধ আমার অধিকাব ময়—কন্তব্য কর্ম। সমাজের কাছে, ধমের কাছে এর জন্যে আমি দায়ী। এই রকম সাত পাঁচ ভেবে চিঠিখানা খুলে পড়লাম। সন্দেহ ঘুচে গেল। লিখতে ভুল একবার হতে পারে—তন তিন বার ভুল হয় না। ভিতরেও রয়েছে মিসেস—আবার প্রিয় মহাশয়া।" গহিণী কন্টে কথা কহিয়া বলিলেন—“আচ্ছা, তুমি যা বলছ, যদি তাই হত, তাহলে সে সত্ৰীলোকের যেটা নিজের নাম, যেমন নেলি কি জেসি, তাই থাকত। মিসেস পি, সি লিখলে কেন ?” } “সধবা স্ত্রীলোককে স্বামীর নামের আদ্যক্ষর দিয়ে লেখাই নিয়ম। মিসেস নেলি চৌধুরী লিখলে বোঝাত যে সে বিধবা স্ত্রীলোক।” "কেন আমাদের দেশে মিসেস সরোক্রিনী গুপ্ত, মিসেস প্রভাবতী ঘোষ এ রকম ত লেখে । তারা ত সধবা ।” সরয বিজ্ঞভাবে বললেন—“ও রকম লেখা ভুল। আমি বাবার কাছে শুনেছি ”— সরযর পিতা একজন বিলাত প্রত্যাগত ডাক্তার—সতরাং-আর কথা চলিল না। গহিণী একটি গভীর দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া বলিলেন—“পথিবীতে কাউকে বিশ্বাস করনার যো নেই। মেয়ের জন্যে মনের মতন পাত্র পাওয়া আমাদের সমাজে কত শত্ন তা ত দেখছ। আশা করেছিলাম, সপ্রভার একটা ব্যবস্থা হল—কিন্তু সবই পণ্ড হয়ে গেল।” --বলিতে বলিতে তাঁহার চক্ষ দইটি জলে পণ হইয়া আসিল। ইহা দেখিয়া সরয়া উঠিয়া বলিলেন—“আমি এখন আসি। চিঠিখানা রেখে যাব কি ?” “রাখ ” সরয চিঠিখনি টেবিলের উপর রাখলেন। গহিণী দাঁড়াইয়া উঠিয়া বলিলেন— "এ কথা আর কাউকে বলেছ কি ?” - "না, এখনও বলিনি।” সত্ৰ হাত ঘট ধরিয়া গাঁহী বালক-সুকু এল আর কার কাছে এ কথা