পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৭০৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


যাবে। তব আরো দটাে বছর হাতে রাখলাম। নাং-এবার আমার খব শিক্ষা হয়েছে। শিক্ষা যার নাম—ঠেকে শিখলাম দাদা—ঠেকে, শিখলাম। মদ আমার কাছে আজ থেকে গোরক্ত ব্ৰহ্মরক্ত। নাক-খং কানমলা—যদি আমি আর মদের রিসীমানায় যাই। যে রাসায় মদের দোকান সে রাস্তা দিয়েই নলিনী শম্মী আর হাঁটবেন না। আর এক পেয়ালা চা হলুম কর।” সপ্তাহ মধ্যেই সমস্ত ঠিকঠাক হইয়া গেল। দলিলাদিও রেজেক্ট্ৰী হইল। छिउछौन्न भन्नटझण বৎসর অতীত হইয়া গিয়াছে । to একখানি বিতল অট্টালিকা, ইহা নলিনীর পৈত্রিক বাসভবন। পৌষ মাস, বেলা নয়টা বাজিয়াছে। উপরতলার একটি কক্ষে তত্ত্বপোষের উপর মলিন ছিন্নশয্যায় নলিনীর সত্ৰী হেমাঙ্গিনী তাহার পীড়িত শিশুপত্রকে কোলে করিয়া বসিয়া আছে। গ্রায়ে ছিটের দোলাই বাঁধিয়া একটি নয় বৎসরের বালিকা কক্ষখানির সবর চঞ্চলভাবে ঘুরিয়া বেড়াইতেছে, এবং মাঝে মাঝে মার কাছে.আসিয়া-বলিতেছে, “কি খাব ?" কক্ষখানিতে দৈন্যদশা যেন মাত্তিমতী। নামে হেমাঙ্গিনী হইলেণ্ড, যাবতীর গায়ে কোথাও একতোলা সোণা নাই। কিন্তু পাবে ছিল। গহনার কালি এখনও গায়ে আছে, এবং কেমন করিয়া গহনাগুলি একে একে গিয়াছে, তাহারও ইতিহাস অভাগিনীর বক্ষে ཨཱ་ཨཱཿ གཅ་ཅ་ཅ་ཏ་ཙ་ཨ་ཅ། এমন কি শেষ আঘাতের ক্ষতও এখনও ভাল করিয়া শুকায় দাহ । বালিকা ক্ৰমে কান্নার সরে পরিল। মা তখন অঞ্চল দিয়া তাহার মুখখানি মছাইতে মছাইতে বলিল, “ছি মা, কাঁদে কি ? একটখানি ধৈয্য ধরে থাক-তিনি এলেন বলে।" বালিকা আরও কিয়ৎক্ষণ ঘরিয়া ফিরিয়া বেড়াইল। মাঝে মাঝে জানালার কাছে দাঁড়াইয়া, রাস্তার যতদরে দেখা যায়, দেখিতে লাগিল পিতা আসিতেছেন কি না। কই তাহার ত কোন চিহ্নও নাই ! ক্ৰমে দশটা বাজিল। বালিকা আসিয়া বলিল, “আর যে থাকতে পারছিনে মা— বাবা কোথা গেছেন ?" “তিনি বাড়ীভাড়ার টাকা আদায় করতে গেছেন মা-এখনই আসবেন। টাকা ভাগিয়ে বাজার করে নিয়ে আসবেন; তোমার জন্যে খাবার নিয়ে আসবেন, খোকার জন্যে লেদানা নিয়ে আসবেন—এই এলেন বলে।” గా বলিল, “একটা পয়সা দাও না মা—দোকান থেকে মড়েকি কিনে এনে ততক্ষণ “খাই ।” _Y.A. - “পয়সা ঘরে থাকলে কি এতক্ষণ দিতাম মা মা ?”—বলিতে বলিতে যাবতীর চক্ষয,গল জলসিক্ত হইয়া উঠিল। হায়—এমন অবস্থাই হইয়াছে। ঘরে আজ এমন একটি পয়সা নাই যে মেষে মড়েকি কিনিয়া আনিয়া খায়। অথচ দুই বৎসর পাবেও এই বালিকা তাহার টমি কুকুরকে কত রসগোল্লা খাওয়াইয়াছে। মাকে কাঁদিতে দেখিয়া বালিকা বড় অপ্রতিভ হইল। তাড়াতাড়ি বলিল, “না মা, থাক। বাসি মড়ক খেলে আমার অবল হয়। বাবা আসন—তখন খাবার খাব।” গত পাঁচ বৎসরের ইতিহাস এই। নলিনী তাহার বন্ধ বিপিনবাবরে কাছে টাকা লইয়া ঋণশোধ করিল এবং দালালী ব্যবসাও আরম্ভ করিল বটে—কিন্তু মাসখানেক যাইতে না যাইতে বিয়ার ধরিল। তাহার “বন্ধ"গণ তাহাকে বঝাইয়া দিল, বিয়ার সাহেবলোকে জলের পরিবত্তেই శా శా-ప్యాశా মদ্য নহে-বিয়ার পান করিলে