পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৭১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কাবলিওয়ালার দোকানে গিয়ে, আলোয়ান বিক্ৰী করলাম। ভাবলাম, এইবার স্ত আমরা না খেতে পেয়ে মরে যাব।—ষাই শেষবার একবার মদ খেয়ে নিই। ভেবে জগন্নাথ শার দোকানে ঢাকলাম। এতদিনে ঠিক হয়েছে--নয় হিম? যে মদ খায়, কমে তার সঙ্গলব স্বায়-তাকে পথের ভিখারী হতে হয়—না খেতে পেয়ে তার স্ত্রী, তার ছেলে মেয়ে মরে ষায়, নয় হিম ? একথা খাব ঠিক-খব ঠিক।” নলিনীর চক্ষ দিয়া প্রবল বেগে প্রশ্ন বাঁহতে লাগিল। হেমাঙ্গিনী তাহার চক্ষ মছাইতে মছাইতে অশ্লগদগদ কণ্ঠে বলিল-“ছি-আমন কথা তুমি কেন বলছ ? সব্বস্ব গেছে—গেছেই। তুমি ভাল হও—সৎপথে থাক—আবার কত হবে । ওঠ বিছানায় চল । জামাটা ছেড়ে ফেল, ভিজে গেছে।" BBBBB BBBB BBBB BB BBB BBBB BBBBBB BDD S BB BBBBB পর শয্যায় শয়ন করিয়া বলিল—”এবাড়ী ছেড়ে দেবার জনোও নোটিস দেবে। এ বাড়ীও তার হয়ে গেছে। তার পর, গাছতলায় পড়ে, অনাহারে আমাদের মৃত্যু।” হেমাঙ্গিনী বলিল—“না না তুমি ভেব না। বাড়ী থেকে উঠে যেতে হয় যাব, তার আর কি ? দেশে গিয়ে থাকব ।” “দেশে না হয় একখানা ভাণ্ডা ফটো বাড়ীই আছে--বিষয়সম্পত্তি ত নেই । খাব কি ?” “সে জন্যে তুমি ভেব না। ভগবানের রাজ্যে কেউ কি না খেয়ে ধরে : গাছের পাখীলে, বনের পশকে, জলের মাছকে যিনি আহার যোগাচ্ছেন—তিনি কি আমাদের না পেয়ে মরতে দেবেন ? কখনই না।” নলিনী নয়ন মাদিত করিয়া কিয়ৎক্ষণ চিন্তা করিল। শেষে ধীরে ধীরে বলিল, “গাছের পাখী, বনের পশু কি মদ খাবার জন্যে স্ত্রীর গায়ের গহনা কেড়ে নেয় ?” “তা নেয় মা সত্যি। তুমি আর মদ খেও না--তুমি ভাল হও—আবার কত হবে। আমি আজ পাঁচ বছর সকালে সন্ধ্যে হরির তলায় কত মাথা খড়েছি—কত ঠাকুর দেবতাকে মানত করেছি—যাতে তোমার সবন্ধি হয়—আমার সে সব প্রার্থনা কি নিষ্ফল হবে ? এত কন্টের পরও কি দেবতারা আমার পানে মখে তুলে চাইবেন না? তুমিও ভগবানকে ডাক--অবশ্য তাঁর দয়া হবে। আবার সব হবে ; তোমার পায়ে পড়ি তুমি মন খারাপ কোরো না, একটু ঘুমাও দেখি। ঝি বুঝি এতক্ষণে এল-নীচে তার সাড়া পাচ্ছি। তুমি স্বামলে তবে আমি রান্না কৰত্নে যাব। ঘমোও।” নলিনী কতরকণ্ঠে বলিল—“আমার মাথার ভিতরে আগন জলছে—তামার কি ঘন্ম হবে ?” “খব হবে। তুমি স্থির থাক। খকেী খাবার খেয়ে এসে তোমার পায়ে হাত বলবে এখন—আমি এক হাতে তোমার মাথায় হাত বলিয়ে দিই—এক হাতে পাখার লাতাস করি।” —বলিয়া হেমাঙ্গিনী সেইরাপ করিতে লাগিল। কিয়ৎক্ষণ পরে নলিনী আবার চক্ষ খলিল। সত্রীর মাখের পানে কিয়ৎক্ষণ চাহিয়া থাকিয়া বলিল—“হিম!” “कि ?” - আমার সেবা করছ ?” অলপ হাসিয়া হেমাঙ্গিনী বলিল—“কেন সেবা করছি ? বেশ করছি—যাও, আমার খসী”—বলিয়া অবনত হইয়া স্বামীর মুখচন্বন করিল। - তাহার পর নলিনী ঘামাইয়া পড়িল। कृङौन्न श्रृङ्गट्झक् লৈ এটাপ আসি হইতে নলিনীর নামে প আসিল যে তার বসবাসখনি "לצל