পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৭১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নলিনী উত্তেজিত স্বরে আধা বাঙ্গালা আধা হিন্দীতে বলিল—“আমি শধ্যে শুধ মারিয়াছি ? অপরাধের মধ্যে উহার কাছে পেন্সিলটা একবার চাহিয়াছিলাম। বেটা আমায় বলে কি না হট যাও ইউ ড্যাম নিগার! আমি নিগার উনি কি ? রঙ ত আমার উপরেও এক পোঁচ।” সাজেন্ট সাহেব তখন কনেষ্টবলের সাহায্যে ধুইজনকেই থানায় লইয়া চলিল। সেখনে BBBBB BBBS BB BBBBBBS BBBBBBB BB BBBBB BBBBB BBBS নলিনীর বিরুদ্ধে রাজধানীর পথে শান্তিভঙ্গ করিবার এক মোকদ্দমা কায়েম করলেন। নলিনীর নাম ঠিকানা প্রভৃতি লিখিয়া লইয়া বলিলেন--"আজ শনিবার। পরশ সোমবার লালবাজার পরলিস কেটে তোমার মোকদ্দমা হইবে। তোমার যদি কেহ জামিনদার থাকে তবে ২oo, টাকার জামিনে তোমায় ছড়িয়া দিতে পারি।” নলিনী বলিল, “আমার কেহ জামিনদার নাই।” তখন তাহাকে হাজতে বন্ধ করা হইল । শনিবার বাকী দিন ও রহি রঞ্চিবার দিন ও রাত্ৰি নলিনীর কি ভাবে যে কাঢ়িল, তাহা সেই জানে, আর যিনি সকলের অন্তৰ্য্যামী তিনিই জানেন । হঠাৎ তাহার নিরদেশে, হেমাঙ্গিনীর কি অবস্থা হইয়াছে সে নিশ্চয় ভাবিতেছে, মনের দুঃখে নলিনী হয়ত বিবাগী হইয়া কোথায় চলিয়া গিয়ছে, নয় আত্মহত্যা করিয়াছে। হয়, সে অভাগিনী হয়ত অমঙ্গল পরিত্যাগ করিয়াছে। কে তাহাকে সংবাদ দিবে, কে দুইটা ভরসার কথা বলিবে ? ছেলেটির মেয়েটির বা কি অবস্থা হইয়াছে ? ঘরে তিনটি টাকা ছিল, এখনও তাহারা অনশনে পড়ে নাই। কিন্তু আদালতের বিচারে নলিনীর যদি জেল হয়, তবে তাহারা কি খাইবে, কোথায় যাইলে ? হয়ত তাহার স্ত্রীকে ছেলেটি কোলে করিয়া মেয়েটির হাত ধরিয়া ভিক্ষা করিতে বাহির হইতে হইবে। লৌহকারার মধ্যে বসিয়া বসিয়া নলিনী এইরাপ আকাশ পাতাল চিন্তা করে, আর তাহার চক্ষ হইতে দরদর ধারায় অঙ্গ প্রবাহিত হইয়া, সেই প্রস্তরময় কক্ষতল আদ্র হয়। রক্ষী তাহকে নিয়মিত সময়ে খাদ্য দিয়া যায়, সে খাদ্য পর্শ করে মাত্র। রাত্রেও সে ঘুমাইতে পারে না একাকী জাগিয়া বসিয়া থাকে। সোমবার দিন বেলা দশটার সময় তাহাকে বিচারাথ হাজির করা হইল। ঘণ্টা লই অপেক্ষা করিবার পর তাহার ডাক পড়িল । ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবের প্রশেন, যথার্থ যাহা যাহা ঘটিয়াছিল সমস্তই নলিনী বলিল । ইউরেশিয়ান সাহেব সাক্ষ্য দিল, সে একটা বিজ্ঞাপন দেখিতেছিল, এমন সময়ে আসামী বিজ্ঞাপনটি আড়াল করিয়া দাঁড়ায়। সাহেব তাই বিনীতভাবে আসামীকে একটু সরিতে অনুরোধ করে। ইহাতেই আসামী ক্ৰোধান্ধ হইয়া তাহাকে ভয়ানক রকম মারিতে আরম্ভ করল! প্রহারের চোটে তাহার নাক দিয়া কর ঝর করিয়া রক্ত বহিয়াছিল, কনেস্টবল ও সাজেণ্ট সাহেব দেখিয়াছে। সাহেবের জবানবন্দি শেষ হইলে ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব নলিনীকে বলিলেন—“তোমার উকিল আছে ?” - “কেহ না ।” “জেরা করিবে?” “কি জেরা করিব ?" ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব তখন স্বয়ং নলিনীর উকুমত পেন্সিল চাওয়া প্রভৃতি ঘটনা ঘটিয়াছিল কি না ইউরেশিয়ান সাহেবকে জিজ্ঞাসা করিলেন। উত্তরে সে বলিল, ও সকল কথা সবৈবাব মিথ্যা । তারপর কনণ্টেবল ও সাজেণ্ট সাহেব যেমন যেমন দেখিয়াছিল, তাহা সাক্ষ্য দিল । দিতে চাং3 ?” འདི་ཁ་ གྲྭ་ཤགས་པ་ཕྱག་ཚྭ ཁ་མིག གྲྭ་ཤུ་ ལྷག་ཙེ ཨ"ས་ལྟ་ཐབས་ཤ༢་༣ ལ་ཨ་ལ་ ཨ་ཁis ཝ་ལ། (t -