পাতা:প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের গল্পসমগ্র.djvu/৭২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ল্লিশ টাকা হবে-তার মধ্যে দশটি টাকা আপনার মাইনে—কুড়িটি টাকা ঋণ। আপনি মাসকাবারে আপিস থেকে যে পাঁচশটি টাকা মাইনে পাবেন, তা থেকে কুড়িটি টাকা ঋণ আপনি শোধ করবেন। আপনার নিজস্ব পাঁচটি টাকা থাকবে, তাতে আপনার পাঁচদিনের বাসাখরচ হবে। ষষ্ঠ দিন থেকে, আপনি আবায় রোজ একটি করে টাকা নিয়ে যাধন। দ্বিতীয় মাসের শেষে, আপনার পনেরটি টাকা ঋণ হবে, আপিসেয় মাইলে পেয়ে তা আপনি পরিশোধ করবেন। বুঝেছেন ত ? ছ মাস এই রকম চললে, আপনার তাপিসের মাইনে এখানকার মাইনে পয়াল্লশটি টাকাই আপনি ঘরে নিয়ে যেতে পারবেন।" নলিনী বলিল—“বেশ, তাই করব।" "আপনার একমাসের বাসাখরচ ত্রিশটি টাকা আমি আগাম না দিয়ে, রোজ একটি করে টাকা দেবার প্রস্তাব করেছি, এ থেকে আপনি বোধ হয় ভাবছেন, আপনাকে অবিশ্বাস করেই আগাম দিচ্ছিনে ?" নলিনী ব্যগ্রন্বরে বলিল--"আমি এত অধম অকৃতজ্ঞ নই—তা মনে করিনি। আপনি আমার ভালর জন্যেই এ রকম বন্দোবস্ত করছেন তা আমি বুঝতে পেরেছি।" “আপনার অবস্থা চিরদিনই ভাল ছিল। এখনই আপনি এই দুরবস্থায় পড়েছেন। হাতে এক সঙ্গে টাকা পেলে বঝেসঝে খরচ করা আপনার পক্ষে শস্ত হবে—শেষে ঋণে জড়িয়ে পড়বেন। সেইটি যাতে এড়াতে পারেন, এমন বন্দোবস্ত হওয়া চাই। আপনি মনঃক্ষণ হবেন না—হতাশ হবেন না। হিন্দপথানীরা বলে—ছোড়িও না হিন্মং, বিসরিও লা হরিনাম।—হিল্মং বলে সাহসকে। হিন্মংটি রাখেন—তার ভগবানকে ভুলবেন নাআপনার ভাল হবে।" নলিনী তখন ভুবনেশ্বরধাধকে নমস্কার করিয়া বিদায় গ্রহণ করিল। अण्णैध *ब्रिटूळहम রাউন জোন্স কোপানীর আপিসের বড়বাব যোগীন্দ্রনাথ দত্ত জাতিতে কায়স্থ। লোকটির বয়স আটচল্লিশ বৎসর হইয়াছে, কিন্তু সাভিস বাঁহ অমসোরে পয়তাল্লিশ মার। তাঁহার বর্ণ উজেনল শ্যাম; দেহখানি কিঞ্চিৎ থলে, মক্তকেয় সম্মুখভাগে টাক পড়িয়াছে গোঁফগলি কাঁচা পাকা—এখনও কাঁচার অংশই বেশী-দাড়ি কামানো। কালো সাজের ইজার চাপকান পরিয়া, তদুপয়ি ভাঁজ করা একযোড়া শাল ফেলিয়া, শামলা মাথায় দিয়া ট্রামের প্রথম শ্রেণীতে শ্যামবাজার হইতে আপিসে আসেন। আপিসে আসিয়া, শালযোড়টি সযত্নে পাট করিয়া দেরাজের মধ্যে রাখিয়া দেন। আর রাখিয়া দেন, পকেট হইতে বাহির করিয়া, দাগকাটা লেবেল অটি একটি ছয় আউন্স ঔষধের শিশি। শরীরটা যখন অত্যন্ত "ম্যাজ ম্যাজ" করিতে আরম্ভ করে, তখন সেই ঔষধ দই এক দাগ পান করেন। ঔষধটা নিশ্চয়ই খব তাঁর—কারণ পাম করিয়াই মুখটা বিকৃত করেন; তখন রামাল দিয়া ওঠেঘগেল উত্তমরাপে মাছিয়া, পকেট হইতে গোটা দুই ছোট এলাচ বাহির করিয়া তাহার দানাগালি চক্রবণ করিতে থাকেন। আপিসে বড়বাবরে দোদণ্ড প্রতাপ। বড়সাহেব একেবারে তাঁহার হাতধরা—একথা পরেই বলা হইয়াছে। এমন ক্ষমতা না থাকিলে কি এক কথায় নলিনীর চাকরি করিয়া দিতে পারিতেন? বড়বাব যাহা বলেন, ধড়সাহেব তাহাই বাইবেল-বাক্য বলিয়া বিশ্বাস কয়েম। এই কারণে অধস্তন কেরাগীগণ সব দাই তাঁহার খোসামোদ করিয়া থাকে। পয়লা তারিখে বেলা দশটার সময় আসিয়া নলিনী মতন কায়ে ভক্তি হইল। পাঁচটা পৰ্য্যন্ত আপিস করিয়া, বাড়ী গিয়া হাত মাখ ধাইয়া, আবার ছয়টার পর ছেলে পড়াইতে " দৈনিক খরচের জন্য একটি টাকা লইয়া রায় দশটার পরেই বাড়ী ফিরিয়া | এইয়াপে তাহার দিন কাটিতে লাগিল। རྒྱུ་ཝ་ ལྟའི་རྙིང་པ་ལ་ཧ་ཨ་ཤཁ༠ ཙཨ་ཨ་ཝ་ཟ ཨ་བྷ་ཀ་ - ১৩